ঢাকা ১১:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সম্প্রীতি বজায় রেখে নেতাদের রাজনীতি করার আহ্বান ডেপুটি স্পিকারের টাকা ছাপিয়ে ঋণ নয়, প্রাইভেট সেক্টরকে রক্ষা করাই নীতি: অর্থমন্ত্রী ২-৩ বছরের মধ্যে শিক্ষার নতুন কারিকুলাম বাস্তবায়ন সম্ভব : গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী হকারদের পুনর্বাসনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ‘ফেলুদা’খ্যাত অভিনেতা বিপ্লব মারা গেছেন আচরণবিধি লঙ্ঘনে শাস্তি পেলেন নাহিদা-শারমিন পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে আসতে কাজ করছে সরকার : অর্থমন্ত্রী কুমিল্লায় মহাসড়কের পাশে মিলল কাস্টমস কর্মকর্তার রক্তাক্ত মরদেহ অর্থনীতি মজবুত করতে প্রাণিসম্পদ খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ : প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী হাজার চেষ্টা করলেও আ.লীগ হতে পারবেন না: বিএনপিকে জামায়াত আমির

তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনের আগের দিন রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একাধিক অভিযোগ নিয়ে হাজির খুলনা সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে কোনো কোনোটির ব্যাপারে তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে গিয়েছেন।

আদালতের নির্দেশের কপি সঙ্গে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জু। তিনি অভিযোগ করেন, সোনাডাঙ্গা থানায় অবস্থিত বিএনপির একজন কমিশনার প্রার্থীর বাড়ি ডিবি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। সেখান থেকে বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক তুহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযোগ শুনেই সঙ্গে সঙ্গে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ফোন করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী। এর আগে এই কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের বিষয় নিয়ে কথা বলেন খুলনা বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে।

সোনাডাঙ্গার ওসিকে ফোন করে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘বিএনপির মেয়র প্রার্থী আমার সামনে বসা। তার অভিযোগ আপনার থানা এলাকায় তুহিন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকলে ছেড়ে দেবেন। কারণ তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে মামলা দিয়ে তো গ্রেপ্তার করার সুযোগ নেই। এমনটা হলে আপনার বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ দেয়া হবে।’

বিএনপির প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সবগুলো অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে কথা বলবো। তদন্ত করে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা রয়েছে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না আমাদের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই।’

নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দেয়ার পরও পুলিশ গ্রেপ্তার করছে- তাহলে কি কমিশন অসহায়?

জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি একেবারেই অসহায় মনে করছি না। আমরা প্রত্যেক অভিযোগের বিষয়ে কথা বলছি। পুলিশ পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে।’

নির্বাচনের দিন কোনো কেন্দ্রে যদি কেউ কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করে, ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে তাহলে সেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দেয়া হবে। যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে খুলনার রিটার্নিং কর্মকর্তা

আপডেট সময় ১০:১৩:৩০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনের আগের দিন রাতে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে একাধিক অভিযোগ নিয়ে হাজির খুলনা সিটি করপোরেশনে বিএনপির মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী এসব অভিযোগ আমলে নিয়ে কোনো কোনোটির ব্যাপারে তাৎক্ষণিক অ্যাকশনে গিয়েছেন।

আদালতের নির্দেশের কপি সঙ্গে নিয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে আসেন বিএনপির প্রার্থী মঞ্জু। তিনি অভিযোগ করেন, সোনাডাঙ্গা থানায় অবস্থিত বিএনপির একজন কমিশনার প্রার্থীর বাড়ি ডিবি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। সেখান থেকে বিএনপির যুব বিষয়ক সম্পাদক তুহিনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

অভিযোগ শুনেই সঙ্গে সঙ্গে সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) ফোন করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা ইউনুচ আলী। এর আগে এই কর্মকর্তা গ্রেপ্তারের বিষয় নিয়ে কথা বলেন খুলনা বিভাগীয় পুলিশ কমিশনার হুমায়ুন কবিরের সঙ্গে।

সোনাডাঙ্গার ওসিকে ফোন করে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘বিএনপির মেয়র প্রার্থী আমার সামনে বসা। তার অভিযোগ আপনার থানা এলাকায় তুহিন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকলে ছেড়ে দেবেন। কারণ তফসিল ঘোষণার পর নতুন করে মামলা দিয়ে তো গ্রেপ্তার করার সুযোগ নেই। এমনটা হলে আপনার বিরুদ্ধে কমিশনে অভিযোগ দেয়া হবে।’

বিএনপির প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, আমরা সবগুলো অভিযোগ নিয়ে নির্বাচন কমিশনে কথা বলবো। তদন্ত করে সত্যতা পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

নির্বাচন কমিশন এবং পুলিশের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা রয়েছে কি? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘না আমাদের মধ্যে কোনো সমন্বয়হীনতা নেই।’

নির্বাচন কমিশন নির্দেশ দেয়ার পরও পুলিশ গ্রেপ্তার করছে- তাহলে কি কমিশন অসহায়?

জবাবে রিটার্নিং কর্মকর্তা বলেন, ‘আমি একেবারেই অসহায় মনে করছি না। আমরা প্রত্যেক অভিযোগের বিষয়ে কথা বলছি। পুলিশ পুরোপুরি আমাদের নিয়ন্ত্রণে।’

নির্বাচনের দিন কোনো কেন্দ্রে যদি কেউ কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার করে, ব্যালট পেপার ছিনিয়ে নেয়ার চেষ্টা করে তাহলে সেই কেন্দ্রের ভোট বন্ধ করে দেয়া হবে। যারা জড়িত থাকবে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।’