ঢাকা ০৭:০৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বিএনপি তো জেতার আগ পর্যন্ত কারচুপি বলে: খালেক

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সন্ত্রাসের আশঙ্কায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক। আর এ বিষয়ে তিনি পুলিশের কঠোর অবস্থান চেয়েছেন। মঙ্গলবার ভোটের আগের রাতে দৈনিক আকাশকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এই শঙ্কার কথা বলেন খালেক। বলেন, বিএনপি ভোটে ঝামেলা করতেই সন্ত্রাসীদেরকে জড়ো করেছে।

ভোটের প্রচারে বাধা আর গ্রেপ্তার নিয় বিএনপির অভিযোগকে পাত্তা না দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা বলছেন, যাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের মামলা আছে, তাদেরকে গ্রেপ্তার না করলে ভোট সুষ্ঠু হতো না। আর ভোটে সরকারি দলের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ খণ্ডন করে তিনি বলেছেন, ২০১৩ সালের ফলাফল আসার আগ পর্যন্ত এসব কথা বলে গেছে বিএনপি। এটা তাদের কৌশল।

কেমন ভোট প্রত্যাশা করছেন?

নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। গতকাল থেকে প্রচার কার্যক্রম শেষ হয়ে গেছে। আমি মনে করি, খুলনার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। ২০০৮সালে আমি খুলনার মেয়র ছিলাম। পাঁচ বছর ছিলাম তখন এখানে যে কাজ হয়েছে গত পাঁচ বছর সেই কাজ হয়নি। এই কারণে মানুষ তারা চায় খুলনার উন্নয়ন। কে কোন দল করে সেটা বিষয় না।

তার মানে আপনি জয়ের বিষয়ে নিশ্চিত?

আমি হান্ড্রেট পার্সেন্ট আশাবাদী। কারণ ভোটের প্রচারে গিয়ে দেখেছি খুলনাবাসীর বিবেচনা হলো তারা আর পিছিয়ে থাকতে চায় না। তারা উন্নয়ন চায়। উন্নয়ন যে করতে পারবে তাকে জনগণ ভোট দেবে। অতএব আমি মনে করি জনগণ এখানে তুলনা করবে ২০০৮ আমি ছিলাম আর পরে যিনি (বিএনপির মনিরুজ্জামান মনি) ছিলেন তাদের কাজের তুলনা করবে। খুলনাবাসী সে বিবেচনা করেই ভোট দেবে।

আমি যখন মেয়র ছিলাম তখন যে কাজ হয়েছে বৃটিশ, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ আমলে এত কাজ হয়নি। মানুষের সেই বিবেচনায় আশা করি আগামীকাল ‍নির্বাচনে মানুষ বিচক্ষণতা ও বিবেচনা দিয়েই শহরের উন্নয়ন যারা করবেন তাকে নির্বাচিত করবেন।

আপনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রার্থী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জুর অভিযোগ, আপনাকে সুবিধা করে দিতে পুলিশ তার নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে…

তাদের ভেতরে যদি চোর থাকে তাদের কি গ্রেপ্তার করা যাবে না? ওনাদের ভেতর যদি জঙ্গি, সন্ত্রাসী থাকে তাহলে কি গ্রেপ্তার করা যাবে না? ওনাদের মধ্যে যদি পরোয়ানা যদি থাকে তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য এদের গ্রেপ্তারের বিকল্প নেই। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ যদি মাঠে থাকে তাহলে মানুষ ভোট দিতে আসবে না। ভোট সুষ্ঠু হবে না।

তাহলে কি আপনি সন্ত্রাসের আশঙ্কা করছেন?

আমি সেই আশঙ্কা করছি। সংবাদ সম্মেলনেও কথা বলেছি। গ্রেপ্তার অবশ্যই করতে হবে তাদেরকে যারা সন্ত্রাস ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। যাতে মানুষদের ভয়ভীতি দেখাতে না পারে। কারণ বিএনপির প্রার্থী ওনারাই বলেছেন, জঙ্গি কাকে বলে তা তারা জানেন। বাংলাভাইসহ যেসব জঙ্গি সংগঠন তারা শুরু তৈরি করেছে।

আপনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর আরেক আশঙ্কা, সরকারি দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তার নিয়ে।

প্রভাব বিস্তার করে কোনো ভোট হয় না। তাই যদি হত তাইলে ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, আমি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। হাজার কোটি টাকা আনার পরও আমি নির্বাচনে পরাজয় বরণ করেছি। এই যে বিএনপির প্রার্থী তিনি ওই নির্বাচনে আজকে যা বাজাচ্ছে একই কলের গান প্রতিদিন বাজিয়েছেন তখন। ভোটগ্রহণের সময় বলছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। ফলাফলের পর আর কোনো কথা নেই। অতএব ওনার কথায় আমি বিন্দুমাত্র পরোয়া করি না।

আমি মনে করি আগাম অভিযোগ করা বিএনপির অভ্যাস। তারা সম্ভাব্য পরাজয়ের আশঙ্কা থেকে এটা করে থাকে। যেন হারলে বলতে পারে তাদেরকে হারানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

বিএনপি তো জেতার আগ পর্যন্ত কারচুপি বলে: খালেক

আপডেট সময় ১১:২১:৪৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৪ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সন্ত্রাসের আশঙ্কায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক। আর এ বিষয়ে তিনি পুলিশের কঠোর অবস্থান চেয়েছেন। মঙ্গলবার ভোটের আগের রাতে দৈনিক আকাশকে দেয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এই শঙ্কার কথা বলেন খালেক। বলেন, বিএনপি ভোটে ঝামেলা করতেই সন্ত্রাসীদেরকে জড়ো করেছে।

ভোটের প্রচারে বাধা আর গ্রেপ্তার নিয় বিএনপির অভিযোগকে পাত্তা না দিয়ে আওয়ামী লীগের নেতা বলছেন, যাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের মামলা আছে, তাদেরকে গ্রেপ্তার না করলে ভোট সুষ্ঠু হতো না। আর ভোটে সরকারি দলের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ খণ্ডন করে তিনি বলেছেন, ২০১৩ সালের ফলাফল আসার আগ পর্যন্ত এসব কথা বলে গেছে বিএনপি। এটা তাদের কৌশল।

কেমন ভোট প্রত্যাশা করছেন?

নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হবে এটাই আমরা প্রত্যাশা করি। গতকাল থেকে প্রচার কার্যক্রম শেষ হয়ে গেছে। আমি মনে করি, খুলনার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ। ২০০৮সালে আমি খুলনার মেয়র ছিলাম। পাঁচ বছর ছিলাম তখন এখানে যে কাজ হয়েছে গত পাঁচ বছর সেই কাজ হয়নি। এই কারণে মানুষ তারা চায় খুলনার উন্নয়ন। কে কোন দল করে সেটা বিষয় না।

তার মানে আপনি জয়ের বিষয়ে নিশ্চিত?

আমি হান্ড্রেট পার্সেন্ট আশাবাদী। কারণ ভোটের প্রচারে গিয়ে দেখেছি খুলনাবাসীর বিবেচনা হলো তারা আর পিছিয়ে থাকতে চায় না। তারা উন্নয়ন চায়। উন্নয়ন যে করতে পারবে তাকে জনগণ ভোট দেবে। অতএব আমি মনে করি জনগণ এখানে তুলনা করবে ২০০৮ আমি ছিলাম আর পরে যিনি (বিএনপির মনিরুজ্জামান মনি) ছিলেন তাদের কাজের তুলনা করবে। খুলনাবাসী সে বিবেচনা করেই ভোট দেবে।

আমি যখন মেয়র ছিলাম তখন যে কাজ হয়েছে বৃটিশ, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশ আমলে এত কাজ হয়নি। মানুষের সেই বিবেচনায় আশা করি আগামীকাল ‍নির্বাচনে মানুষ বিচক্ষণতা ও বিবেচনা দিয়েই শহরের উন্নয়ন যারা করবেন তাকে নির্বাচিত করবেন।

আপনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বিপ্রার্থী বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জুর অভিযোগ, আপনাকে সুবিধা করে দিতে পুলিশ তার নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার করছে…

তাদের ভেতরে যদি চোর থাকে তাদের কি গ্রেপ্তার করা যাবে না? ওনাদের ভেতর যদি জঙ্গি, সন্ত্রাসী থাকে তাহলে কি গ্রেপ্তার করা যাবে না? ওনাদের মধ্যে যদি পরোয়ানা যদি থাকে তাহলে সুষ্ঠু নির্বাচন করার জন্য এদের গ্রেপ্তারের বিকল্প নেই। সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ যদি মাঠে থাকে তাহলে মানুষ ভোট দিতে আসবে না। ভোট সুষ্ঠু হবে না।

তাহলে কি আপনি সন্ত্রাসের আশঙ্কা করছেন?

আমি সেই আশঙ্কা করছি। সংবাদ সম্মেলনেও কথা বলেছি। গ্রেপ্তার অবশ্যই করতে হবে তাদেরকে যারা সন্ত্রাস ও তালিকাভুক্ত সন্ত্রাসী। যাতে মানুষদের ভয়ভীতি দেখাতে না পারে। কারণ বিএনপির প্রার্থী ওনারাই বলেছেন, জঙ্গি কাকে বলে তা তারা জানেন। বাংলাভাইসহ যেসব জঙ্গি সংগঠন তারা শুরু তৈরি করেছে।

আপনার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বীর আরেক আশঙ্কা, সরকারি দলের অবৈধ প্রভাব বিস্তার নিয়ে।

প্রভাব বিস্তার করে কোনো ভোট হয় না। তাই যদি হত তাইলে ২০১৩ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায়, আমি মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি। হাজার কোটি টাকা আনার পরও আমি নির্বাচনে পরাজয় বরণ করেছি। এই যে বিএনপির প্রার্থী তিনি ওই নির্বাচনে আজকে যা বাজাচ্ছে একই কলের গান প্রতিদিন বাজিয়েছেন তখন। ভোটগ্রহণের সময় বলছে নির্বাচন সুষ্ঠু হয়নি। ফলাফলের পর আর কোনো কথা নেই। অতএব ওনার কথায় আমি বিন্দুমাত্র পরোয়া করি না।

আমি মনে করি আগাম অভিযোগ করা বিএনপির অভ্যাস। তারা সম্ভাব্য পরাজয়ের আশঙ্কা থেকে এটা করে থাকে। যেন হারলে বলতে পারে তাদেরকে হারানো হয়েছে।