ঢাকা ০৯:২৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

খুলনায় এজেন্টদের লুকিয়ে রেখেছেন: মঞ্জু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির এজেন্টদেরকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। গ্রেপ্তার আতঙ্কই এর কারণ বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভোটের তিন দিন আগে শনিবার নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ধানের শীষের প্রার্থী। তিনি বলেন, ‘খুলনার পুলিশ জঘন্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে’ এমন অভিযোগ করে মঞ্জু বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারণে তার নেতা-কর্মীরা আতঙ্কে।

‘পুলিশ আতঙ্কে রয়েছে দলীয় কর্মীরা। সরকারের সার্বিক আচরণে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের রূপ দেখতে পাচ্ছে খুলনাবাসী। আর নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের লুকিয়ে রাখা হয়েছে।’
গত ২৪ এপ্রিল ভোটের প্রচার শুরুর পর থেকেই বিএনপি প্রচারে বাধা ও ব্যাপকহারে গ্রেপ্তারের অভিযোগ করে আসছে। মঞ্জু জানান, ‘প্রচারণার শুরুর দিকে শুধুমাত্র কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলেও এখন নেতাদের গ্রেপ্তার করা শুরু করেছে।’

‘এ পর্যন্ত দেড়শ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সর্বশেষ শনিবার রাত তিনটা পর্যন্ত আরও ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
‘অর্থবহ’, ‘অংশগ্রহণমূলক’ ও ‘ভীতিহীন’ নির্বাচনের জন্য আবার সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবি জানান মঞ্জু। বলেন, ‘সেনাবাহিনী ছাড়া কোনোভাবেই ‘আওয়ামী পুলিশ’ দিয়ে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।’

‘নির্বাচন কমিশন সরকারকে খুশি করতে চায়। এ কারণে বারবার সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবি জানানো হলেও তারা এড়িয়ে যাচ্ছে।’

তবে শত ‘ঝড়-ঝাপটা’র মধ্যেও নেতা-কর্মী ও ভোটারদের মনোবল একটুও কমেনি বলেও দাবি করেন বিএনপির প্রার্থী।
সরকার এবং সরকারি দল আতঙ্ক ছড়িয়ে বিএনপিকে মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে অভিযোগ করে মঞ্জু বলেন, ‘কিন্তু তাদের কোনো অপচেষ্টাই সফল হয়নি। বরং আমি গণসংযোগে বেরোলে জনতার ঢল নামছে। এ কারণে গণসংযোগ শেষ হলেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ প্রচার সম্পাদক কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামীম, জামায়াতের মহানগর শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহ আলম, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আলম, বজলার রহমান, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফকরুল আলম, খেলাফত মজলিসের নাসির উদ্দিন, মুসলীম লীগের আক্তার জাহান রুকু, বিজেপির নগর সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন সেন্টু, শফিকুল আলম তুহিন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শরিফুল ইসলাম বাবুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ক্ষমতাসীন দলকে ‘স্যাডিস্ট ও ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র

খুলনায় এজেন্টদের লুকিয়ে রেখেছেন: মঞ্জু

আপডেট সময় ০৫:৪৯:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে বিএনপির এজেন্টদেরকে লুকিয়ে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলের মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু। গ্রেপ্তার আতঙ্কই এর কারণ বলে জানিয়েছেন তিনি।

ভোটের তিন দিন আগে শনিবার নিজ বাসভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযোগ করেন ধানের শীষের প্রার্থী। তিনি বলেন, ‘খুলনার পুলিশ জঘন্য ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে’ এমন অভিযোগ করে মঞ্জু বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কারণে তার নেতা-কর্মীরা আতঙ্কে।

‘পুলিশ আতঙ্কে রয়েছে দলীয় কর্মীরা। সরকারের সার্বিক আচরণে রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের রূপ দেখতে পাচ্ছে খুলনাবাসী। আর নির্বাচন কমিশন সরকারের আজ্ঞাবহ ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। গ্রেপ্তার এড়াতে ধানের শীষের পোলিং এজেন্টদের লুকিয়ে রাখা হয়েছে।’
গত ২৪ এপ্রিল ভোটের প্রচার শুরুর পর থেকেই বিএনপি প্রচারে বাধা ও ব্যাপকহারে গ্রেপ্তারের অভিযোগ করে আসছে। মঞ্জু জানান, ‘প্রচারণার শুরুর দিকে শুধুমাত্র কর্মীদের গ্রেপ্তার করা হলেও এখন নেতাদের গ্রেপ্তার করা শুরু করেছে।’

‘এ পর্যন্ত দেড়শ নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সর্বশেষ শনিবার রাত তিনটা পর্যন্ত আরও ২১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’
‘অর্থবহ’, ‘অংশগ্রহণমূলক’ ও ‘ভীতিহীন’ নির্বাচনের জন্য আবার সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবি জানান মঞ্জু। বলেন, ‘সেনাবাহিনী ছাড়া কোনোভাবেই ‘আওয়ামী পুলিশ’ দিয়ে অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়।’

‘নির্বাচন কমিশন সরকারকে খুশি করতে চায়। এ কারণে বারবার সেনাবাহিনী নিয়োগের দাবি জানানো হলেও তারা এড়িয়ে যাচ্ছে।’

তবে শত ‘ঝড়-ঝাপটা’র মধ্যেও নেতা-কর্মী ও ভোটারদের মনোবল একটুও কমেনি বলেও দাবি করেন বিএনপির প্রার্থী।
সরকার এবং সরকারি দল আতঙ্ক ছড়িয়ে বিএনপিকে মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার অপচেষ্টা করছে অভিযোগ করে মঞ্জু বলেন, ‘কিন্তু তাদের কোনো অপচেষ্টাই সফল হয়নি। বরং আমি গণসংযোগে বেরোলে জনতার ঢল নামছে। এ কারণে গণসংযোগ শেষ হলেই গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।’

বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ প্রচার সম্পাদক কৃষিবীদ শামীমুর রহমান শামীম, জামায়াতের মহানগর শাখার সহকারী সেক্রেটারি শাহ আলম, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফখরুল আলম, বজলার রহমান, নগর বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক ফকরুল আলম, খেলাফত মজলিসের নাসির উদ্দিন, মুসলীম লীগের আক্তার জাহান রুকু, বিজেপির নগর সাধারণ সম্পাদক সিরাজউদ্দিন সেন্টু, শফিকুল আলম তুহিন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোল্লা মশিউর রহমান নান্নু, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শরিফুল ইসলাম বাবুসহ দলীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।