ঢাকা ০২:১৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বঙ্গবন্ধু-১ এ কোনো ত্রুটি নেই

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর উৎক্ষেপণ একদিন পেছানোর পেছনে স্যাটেলাইনের কোনো ত্রুটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান প্রস্তুতকারক এবং মহাকাশ যাতায়াত সেবা কোম্পানি স্পেসএক্স এর কারণ না জানিয়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার আবার এটি উৎক্ষেপণের চেষ্টার কথা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত মধ্যবাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বৃহস্পতিবার বিকালে টানটান উত্তেজনা নিয়ে অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশিরা। কিন্তু অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘায়িত করে এর উৎক্ষেপণ একদিন পিছিয়ে দেয় স্পেসএক্স।

স্পেসএক্স এবং নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এটিতে বড় কোনও ত্রুটি না পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। যে রকেটে করে এই স্যাটেলাইটকে মহাকাশে পাঠানো হবে তারও বর্ণনা দিয়েছে স্পেসনিউজডটকম।

বাংলাদেশের স্যাটেলাইট যে সর্বাধুনিক রকেটটিতে উৎক্ষেপণ করা হবে সেই একই রকটে কিছুদিন পর মহাকাশে পাঠানো হবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর গ্লোবাল পজিশনিং স্যাটেলাইট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পেসএক্সের ফ্যালকন সিরিজের সবচেয়ে অত্যাধুনিক এবং সর্বোচ্চ সুবিধাসম্বলিত ব্লক-ফাইভ রকেটে করে পাঠানো হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে। এই সিরিজের প্রথম রকেটের কাস্টমার ছিলো মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। আর এই সিরিজের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ব্লক-ফোর এর চেয়ে এটি ১০০ গুণ শক্তিশালী, নিরাপদ এবং পুন:ব্যবহারযোগ্য।

ব্লক-ফাইভ রকেটটি স্পেসএক্সের প্রথম রকেট যা স্যাটেলাইট প্রেরণে বা মহাকাশচারীদের বাণিজ্যিকভাবে বহন করার জন্য নাসার মান সম্পূর্ণ বজায় রেখেছে। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষার সকল শর্ত মেনে চলা হয়েছে।

বিশ্বের সবার্ধুনিক এই মহাকাশযানে করে পৃথিবীর কক্ষপথে যাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। স্পেসএক্স এমন একটি মহাকাশ সংস্থা যাদের রকেটে করে মহাকাশচারী ক্রুদের মহাকাশ স্টেশনে পাঠায় নাসা।

মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর সময় পিছিয়ে দেয়ার ঘটনা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আবহাওয়াজনিত সমস্যা, শেষ মুহূর্তে কোনও ত্রুটি, কম্পিউটারে ডাটা রিডে বিভ্রান্তি বা সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্তের কারণে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় পেছানো হয়ে থাকে। মহাকাশের পাঠানো স্যাটেলাইটগুলোর বেশিরভাগকেই আগে থেকে দেয়া নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পরে উড়ানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বঙ্গবন্ধু-১ এ কোনো ত্রুটি নেই

আপডেট সময় ১২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মে ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর উৎক্ষেপণ একদিন পেছানোর পেছনে স্যাটেলাইনের কোনো ত্রুটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান প্রস্তুতকারক এবং মহাকাশ যাতায়াত সেবা কোম্পানি স্পেসএক্স এর কারণ না জানিয়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার আবার এটি উৎক্ষেপণের চেষ্টার কথা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত মধ্যবাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বৃহস্পতিবার বিকালে টানটান উত্তেজনা নিয়ে অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশিরা। কিন্তু অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘায়িত করে এর উৎক্ষেপণ একদিন পিছিয়ে দেয় স্পেসএক্স।

স্পেসএক্স এবং নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এটিতে বড় কোনও ত্রুটি না পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। যে রকেটে করে এই স্যাটেলাইটকে মহাকাশে পাঠানো হবে তারও বর্ণনা দিয়েছে স্পেসনিউজডটকম।

বাংলাদেশের স্যাটেলাইট যে সর্বাধুনিক রকেটটিতে উৎক্ষেপণ করা হবে সেই একই রকটে কিছুদিন পর মহাকাশে পাঠানো হবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর গ্লোবাল পজিশনিং স্যাটেলাইট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পেসএক্সের ফ্যালকন সিরিজের সবচেয়ে অত্যাধুনিক এবং সর্বোচ্চ সুবিধাসম্বলিত ব্লক-ফাইভ রকেটে করে পাঠানো হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে। এই সিরিজের প্রথম রকেটের কাস্টমার ছিলো মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। আর এই সিরিজের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ব্লক-ফোর এর চেয়ে এটি ১০০ গুণ শক্তিশালী, নিরাপদ এবং পুন:ব্যবহারযোগ্য।

ব্লক-ফাইভ রকেটটি স্পেসএক্সের প্রথম রকেট যা স্যাটেলাইট প্রেরণে বা মহাকাশচারীদের বাণিজ্যিকভাবে বহন করার জন্য নাসার মান সম্পূর্ণ বজায় রেখেছে। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষার সকল শর্ত মেনে চলা হয়েছে।

বিশ্বের সবার্ধুনিক এই মহাকাশযানে করে পৃথিবীর কক্ষপথে যাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। স্পেসএক্স এমন একটি মহাকাশ সংস্থা যাদের রকেটে করে মহাকাশচারী ক্রুদের মহাকাশ স্টেশনে পাঠায় নাসা।

মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর সময় পিছিয়ে দেয়ার ঘটনা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আবহাওয়াজনিত সমস্যা, শেষ মুহূর্তে কোনও ত্রুটি, কম্পিউটারে ডাটা রিডে বিভ্রান্তি বা সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্তের কারণে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় পেছানো হয়ে থাকে। মহাকাশের পাঠানো স্যাটেলাইটগুলোর বেশিরভাগকেই আগে থেকে দেয়া নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পরে উড়ানো হয়েছে।