ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বঙ্গবন্ধু-১ এ কোনো ত্রুটি নেই

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর উৎক্ষেপণ একদিন পেছানোর পেছনে স্যাটেলাইনের কোনো ত্রুটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান প্রস্তুতকারক এবং মহাকাশ যাতায়াত সেবা কোম্পানি স্পেসএক্স এর কারণ না জানিয়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার আবার এটি উৎক্ষেপণের চেষ্টার কথা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত মধ্যবাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বৃহস্পতিবার বিকালে টানটান উত্তেজনা নিয়ে অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশিরা। কিন্তু অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘায়িত করে এর উৎক্ষেপণ একদিন পিছিয়ে দেয় স্পেসএক্স।

স্পেসএক্স এবং নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এটিতে বড় কোনও ত্রুটি না পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। যে রকেটে করে এই স্যাটেলাইটকে মহাকাশে পাঠানো হবে তারও বর্ণনা দিয়েছে স্পেসনিউজডটকম।

বাংলাদেশের স্যাটেলাইট যে সর্বাধুনিক রকেটটিতে উৎক্ষেপণ করা হবে সেই একই রকটে কিছুদিন পর মহাকাশে পাঠানো হবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর গ্লোবাল পজিশনিং স্যাটেলাইট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পেসএক্সের ফ্যালকন সিরিজের সবচেয়ে অত্যাধুনিক এবং সর্বোচ্চ সুবিধাসম্বলিত ব্লক-ফাইভ রকেটে করে পাঠানো হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে। এই সিরিজের প্রথম রকেটের কাস্টমার ছিলো মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। আর এই সিরিজের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ব্লক-ফোর এর চেয়ে এটি ১০০ গুণ শক্তিশালী, নিরাপদ এবং পুন:ব্যবহারযোগ্য।

ব্লক-ফাইভ রকেটটি স্পেসএক্সের প্রথম রকেট যা স্যাটেলাইট প্রেরণে বা মহাকাশচারীদের বাণিজ্যিকভাবে বহন করার জন্য নাসার মান সম্পূর্ণ বজায় রেখেছে। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষার সকল শর্ত মেনে চলা হয়েছে।

বিশ্বের সবার্ধুনিক এই মহাকাশযানে করে পৃথিবীর কক্ষপথে যাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। স্পেসএক্স এমন একটি মহাকাশ সংস্থা যাদের রকেটে করে মহাকাশচারী ক্রুদের মহাকাশ স্টেশনে পাঠায় নাসা।

মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর সময় পিছিয়ে দেয়ার ঘটনা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আবহাওয়াজনিত সমস্যা, শেষ মুহূর্তে কোনও ত্রুটি, কম্পিউটারে ডাটা রিডে বিভ্রান্তি বা সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্তের কারণে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় পেছানো হয়ে থাকে। মহাকাশের পাঠানো স্যাটেলাইটগুলোর বেশিরভাগকেই আগে থেকে দেয়া নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পরে উড়ানো হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বঙ্গবন্ধু-১ এ কোনো ত্রুটি নেই

আপডেট সময় ১২:০০:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১১ মে ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বাংলাদেশের সর্বপ্রথম স্যাটেলাইট বঙ্গবন্ধু-১ এর উৎক্ষেপণ একদিন পেছানোর পেছনে স্যাটেলাইনের কোনো ত্রুটি নেই। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশযান প্রস্তুতকারক এবং মহাকাশ যাতায়াত সেবা কোম্পানি স্পেসএক্স এর কারণ না জানিয়ে স্থানীয় সময় শুক্রবার আবার এটি উৎক্ষেপণের চেষ্টার কথা জানিয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ সময় দিবাগত মধ্যবাতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের বৃহস্পতিবার বিকালে টানটান উত্তেজনা নিয়ে অপেক্ষায় ছিল বাংলাদেশিরা। কিন্তু অপেক্ষার প্রহর দীর্ঘায়িত করে এর উৎক্ষেপণ একদিন পিছিয়ে দেয় স্পেসএক্স।

স্পেসএক্স এবং নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদনে এটিতে বড় কোনও ত্রুটি না পাওয়ার কথা জানানো হয়েছে। যে রকেটে করে এই স্যাটেলাইটকে মহাকাশে পাঠানো হবে তারও বর্ণনা দিয়েছে স্পেসনিউজডটকম।

বাংলাদেশের স্যাটেলাইট যে সর্বাধুনিক রকেটটিতে উৎক্ষেপণ করা হবে সেই একই রকটে কিছুদিন পর মহাকাশে পাঠানো হবে যুক্তরাষ্ট্রের বিমান বাহিনীর গ্লোবাল পজিশনিং স্যাটেলাইট।

প্রতিবেদনে বলা হয়, স্পেসএক্সের ফ্যালকন সিরিজের সবচেয়ে অত্যাধুনিক এবং সর্বোচ্চ সুবিধাসম্বলিত ব্লক-ফাইভ রকেটে করে পাঠানো হবে বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটকে। এই সিরিজের প্রথম রকেটের কাস্টমার ছিলো মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসা। আর এই সিরিজের এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী রকেট ব্লক-ফোর এর চেয়ে এটি ১০০ গুণ শক্তিশালী, নিরাপদ এবং পুন:ব্যবহারযোগ্য।

ব্লক-ফাইভ রকেটটি স্পেসএক্সের প্রথম রকেট যা স্যাটেলাইট প্রেরণে বা মহাকাশচারীদের বাণিজ্যিকভাবে বহন করার জন্য নাসার মান সম্পূর্ণ বজায় রেখেছে। এছাড়া মার্কিন প্রতিরক্ষার সকল শর্ত মেনে চলা হয়েছে।

বিশ্বের সবার্ধুনিক এই মহাকাশযানে করে পৃথিবীর কক্ষপথে যাবে বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট। স্পেসএক্স এমন একটি মহাকাশ সংস্থা যাদের রকেটে করে মহাকাশচারী ক্রুদের মহাকাশ স্টেশনে পাঠায় নাসা।

মহাকাশে স্যাটেলাইট পাঠানোর সময় পিছিয়ে দেয়ার ঘটনা অত্যন্ত স্বাভাবিক। আবহাওয়াজনিত সমস্যা, শেষ মুহূর্তে কোনও ত্রুটি, কম্পিউটারে ডাটা রিডে বিভ্রান্তি বা সংশ্লিষ্টদের সিদ্ধান্তের কারণে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের সময় পেছানো হয়ে থাকে। মহাকাশের পাঠানো স্যাটেলাইটগুলোর বেশিরভাগকেই আগে থেকে দেয়া নির্ধারিত সময়ের চেয়ে পরে উড়ানো হয়েছে।