ঢাকা ০৪:৪২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬, ২৭ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপত্তি থাকলে আগেই বলুন, বিল পাশের পর বলছেন আমি কিছু বুঝিলাম না:জামায়াত আমিরকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিএনপির উচিত বিতর্কিত কর্মকাণ্ডগুলো ৬ মাসের মধ্যেই শেষ করে ফেলা: সামান্থা খুলনায় ছেলের লাঠির আঘাতে মায়ের মৃত্যু এসএসসির খাতা মূল্যায়নে পরীক্ষকদের শিক্ষামন্ত্রীর নির্দেশনা শত্রুতামূলক আচরণ না করলে হরমুজ দিয়ে মার্কিন জাহাজ চলতে পারবে: ইরান লেবাননে কোনো যুদ্ধবিরতি চলছে না, হামলা অব্যাহত থাকবে: নেতানিয়াহু বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার ডিএমপির উচ্চশিক্ষা, বৃত্তি ও দক্ষতা উন্নয়নে সহযোগিতা জোরদার করবে বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বর্তমান সরকার জুলাই বিপ্লবের চেতনার বহিঃপ্রকাশ: অ্যাটর্নি জেনারেল ১৬ বছরের দুর্নীতি-লুটপাটে অর্থনীতি ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে: অর্থমন্ত্রী

ছেলের সঙ্গে মায়ের দাখিল পাস

জেসমিন আক্তার ও তার ছেলে সাইফুল্লাহ বিন জাকারিয়া

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পটুয়াখালীর বাউফলে মা ও ছেলে একসঙ্গে দাখিল পাস করেছেন। মা পেয়েছেন জিপিএ ৩.৬০ ও ছেলে পেয়েছে জিপিএ ৪.২৮। কৃতকার্য হওয়া মায়ের নাম জেসমিন আক্তার। আর ছেলের নাম মো. সাইফুল্লাহ বিন জাকারিয়া।

জানা গেছে, জেসমিন আক্তারের দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে সাইফুল্লাহ বিন জাকারিয়া সবার ছোট। স্বামীর নাম মো. জাকারিয়া খান। তাদের বাড়ি উপজেলার কালিশুরী বন্দর এলাকায়।

জেসমিন আক্তারের বড় মেয়ে সাইয়েদা আক্তার প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে সম্মান তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছোট মেয়ে আফছা বেগম অর্থনীতি বিষয়ের সম্মান প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

জেসমিন আক্তার ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসায় নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনা করেন। এখান থেকেই এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেন।

আর ছেলে মো. সাইফুল্লাহ বিন জাকারিয়া একই উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর ফজলুল হক আলিম মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

জেসমিন আক্তার বলেন, পঞ্চম শ্রেণিতে লেখাপড়ার সময় আমার বিয়ে হয়ে যায়। এর পর স্বামীর সহযোগিতায় পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি হবে ৪ শতাংশ: এডিবি

ছেলের সঙ্গে মায়ের দাখিল পাস

আপডেট সময় ০১:১২:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ মে ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

পটুয়াখালীর বাউফলে মা ও ছেলে একসঙ্গে দাখিল পাস করেছেন। মা পেয়েছেন জিপিএ ৩.৬০ ও ছেলে পেয়েছে জিপিএ ৪.২৮। কৃতকার্য হওয়া মায়ের নাম জেসমিন আক্তার। আর ছেলের নাম মো. সাইফুল্লাহ বিন জাকারিয়া।

জানা গেছে, জেসমিন আক্তারের দুই মেয়ে ও এক ছেলের মধ্যে সাইফুল্লাহ বিন জাকারিয়া সবার ছোট। স্বামীর নাম মো. জাকারিয়া খান। তাদের বাড়ি উপজেলার কালিশুরী বন্দর এলাকায়।

জেসমিন আক্তারের বড় মেয়ে সাইয়েদা আক্তার প্রাণিবিদ্যা বিষয়ে সম্মান তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছোট মেয়ে আফছা বেগম অর্থনীতি বিষয়ের সম্মান প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী।

জেসমিন আক্তার ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত উপজেলার কালিশুরী ইউনিয়নের রাজাপুর ছালেহিয়া দাখিল মাদ্রাসায় নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে পড়াশোনা করেন। এখান থেকেই এ বছর দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেন।

আর ছেলে মো. সাইফুল্লাহ বিন জাকারিয়া একই উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের কেশবপুর ফজলুল হক আলিম মাদ্রাসা থেকে দাখিল পরীক্ষায় অংশ নেয়।

জেসমিন আক্তার বলেন, পঞ্চম শ্রেণিতে লেখাপড়ার সময় আমার বিয়ে হয়ে যায়। এর পর স্বামীর সহযোগিতায় পড়াশোনা চালিয়ে যাচ্ছি।