ঢাকা ০১:৫৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি বাংলাদেশে নীতির অনিশ্চয়তা আমাদের ভয়ের কারণ: ব্রুনাইয়ের রাষ্ট্রদূত চবিতে নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগ নেতার অবস্থান কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্র অবরোধ প্রত্যাহার না করলে পাকিস্তানে প্রতিনিধি দল পাঠাবে না ইরান যুক্তরাষ্ট্রে বন্দুকধারীর হামলায় আট শিশু নিহত এপ্রিলের ১৮ দিনে রেমিট্যান্স এলো ১৮০ কোটি ডলার বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে হাতুড়ির টোকায় বর্তমান স্বাস্থ্যখাত পুনর্গঠন কঠিন স্কুলপড়ুয়া শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ, অভিযুক্তকে পুলিশে সোপর্দ নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কা, দ্বিতীয় দফার বৈঠকে পাকিস্তানে যাচ্ছেন না মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট ভারতে বাজি তৈরির কারখানায় ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ২০

বিমানে মোবাইল অফ করে রাখতে হয় কেন জানেন

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

এই প্রশ্নটা নিশ্চয় আপনাদের অনেকের মনেই এসেছে। তাই তো? অনেকের ধারণা মোবাইলের তরঙ্গ প্লেনের বৈদ্যুতিক এবং টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে। তার ফলে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এমনটা কিন্তু আসলে ঘটে না। বা ঘটলেও তেমন ঘটনা খুবই বিরল। তাহলে কী হতে পারে? যদি ফোন ফ্লাইট মোডে না থাকে তাহলে তা পাইলট এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের মধ্যে যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

অনেকটা ফোন স্পিকারে রেখে কথা বললে যেমন অস্পষ্ট শোনায় পাইলটও তেমন শুনবেন। বা ফোন এলে কাছাকাছি থাকা অডিও সিস্টেমে যেমন ‘বিট-বিট’ শব্দ হয়, পাইলটের সিস্টেমেও তা হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, তা শুধুমাত্র বিমানের ক্রিউ মেম্বারদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সাধারণত যাত্রীদের ফোন কখনই পাইলটের সমস্যা তৈরি করে না। এই ঝামেলা থেকে মুক্তির উপায়ও ইতিমধ্যে বের করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা।

বেশ কিছু ইন্টারন্যাশনাল বিমানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে এড়ানো যাবে এই সম্ভাবনা। বিমানে থাকা অবস্থাতেই ক্রিউ মেম্বাররাও নিশ্চিন্তে ফোনে কথা বলতে পারবেন। তবে আদৌ মোবাইল ফোন কোনও সমস্যার সৃষ্টি করবে কি করবে না তা হাতেনাতে পরীক্ষা না করতে যাওয়াই ভাল। সতর্কতার কোনও তুলনা নেই। তাই নিয়ম মেনে ফোন ফ্লাইট মোডেই রাখুন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

রুবেলকে বিদায়ি সম্মাননা দেবে বিসিবি

বিমানে মোবাইল অফ করে রাখতে হয় কেন জানেন

আপডেট সময় ০২:৪৩:২৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

এই প্রশ্নটা নিশ্চয় আপনাদের অনেকের মনেই এসেছে। তাই তো? অনেকের ধারণা মোবাইলের তরঙ্গ প্লেনের বৈদ্যুতিক এবং টেলিকমিউনিকেশন সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে। তার ফলে ঘটতে পারে দুর্ঘটনা। এমনটা কিন্তু আসলে ঘটে না। বা ঘটলেও তেমন ঘটনা খুবই বিরল। তাহলে কী হতে পারে? যদি ফোন ফ্লাইট মোডে না থাকে তাহলে তা পাইলট এবং এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোলারের মধ্যে যোগাযোগে বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

অনেকটা ফোন স্পিকারে রেখে কথা বললে যেমন অস্পষ্ট শোনায় পাইলটও তেমন শুনবেন। বা ফোন এলে কাছাকাছি থাকা অডিও সিস্টেমে যেমন ‘বিট-বিট’ শব্দ হয়, পাইলটের সিস্টেমেও তা হতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, তা শুধুমাত্র বিমানের ক্রিউ মেম্বারদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। সাধারণত যাত্রীদের ফোন কখনই পাইলটের সমস্যা তৈরি করে না। এই ঝামেলা থেকে মুক্তির উপায়ও ইতিমধ্যে বের করে ফেলেছেন বিজ্ঞানীরা।

বেশ কিছু ইন্টারন্যাশনাল বিমানে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার করা হচ্ছে। যার ফলে এড়ানো যাবে এই সম্ভাবনা। বিমানে থাকা অবস্থাতেই ক্রিউ মেম্বাররাও নিশ্চিন্তে ফোনে কথা বলতে পারবেন। তবে আদৌ মোবাইল ফোন কোনও সমস্যার সৃষ্টি করবে কি করবে না তা হাতেনাতে পরীক্ষা না করতে যাওয়াই ভাল। সতর্কতার কোনও তুলনা নেই। তাই নিয়ম মেনে ফোন ফ্লাইট মোডেই রাখুন।