ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬, ১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মক্কা-মদিনায় হুমকি এলে বাংলাদেশ চুপ থাকবে না: শামা ওবায়েদ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে সফল পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

মরা মুরগি বেচে কোটিপতি

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মরা মুরগি বিক্রি করে কোটিপতি বনে গেছেন কাওসার আলি ঢালি! পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটের গ্রাম থেকে দুবছরের মধ্যে লেক টাউনে ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কাঁটারআটি গ্রামে রয়েছে নতুন বাড়ি। দুটি গাড়িও।

আগে কাওসার আলির গ্রামের বাড়িতেই ছিল মুরগির খামার। সেটি বন্ধ করে তিনি মন দেন মরা মুরগির কারবারে। কলকাতার আশপাশে কোন এলাকার খামারে মুরগি বেশি মরেছে, কোন বাজারে মাংসের চাহিদা বেশি জানতে তিনি লিঙ্কম্যানও লাগিয়েছিলেন।

তারাই হদিস দিত কোন কোন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হোটেল বা রেস্তোরাঁয় কীভাবে পৌঁছানো হবে ভাগাড়ের মাংস। এমন ৫ জন লিঙ্কম্যানকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কাওসার অন্যতম জোগানদার হলেও ভাগাড়ের মাংস-কাণ্ডের মূলহোতা অবশ্য কাঁকিনাড়ার শরাফত হোসেন। ১৫–২০ বছর ধরে তিনি মরা পশুর মাংসের ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। তিনিও কোটিপতি। কাঁকিনাড়ায় তার পাঁচতলা বাড়ি। গাড়িও। তবে শরাফত হোসেন পরিবারের দাবি, তিনি চামড়া, হাড় আর মিনারেল পানির ব্যবসা করেন।

প্রসঙ্গত, রোববার নারিকেলডাঙায় একটি বরফকলের খোঁজ মিলেছে। সেখানে বরফ তৈরির আড়ালে মরা মুরগির মাংস মজুদ করা হতো। আপাতত সেটির মালিক উধাও। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। মরা মুরগির চক্রের রহস্যভেদে ‘সিট’ (বিশেষ তদন্তকারী দল) তৈরির ভাবনা চলছে।

জানা গেছে, ৫০ টাকা কেজিতে মরা মুরগি কিনে প্রক্রিয়াকরণের পর তা পাঠানো হতো বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হোটেল–রেস্তোরাঁয়। এদিন সকালে গড়িয়ার বোড়ালে এক বাইক–আরোহীর সঙ্গের দুটি ব্যাগে ১০০ কেজি মুরগির মাংস মেলে। ছড়ায় আতঙ্ক।

পরে পুলিশ এলে জানা যায়, সেগুলো তাজা মাংস। তবে একের পর এক জায়গায় মরা মুরগি উদ্ধার হওয়ায় কমেছে বিক্রি। কমেছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে কাটা মাংসের বিক্রিও। ছোট রেস্তোরাঁ, রাস্তার পাশে রোল, চাউমিনের দোকানেও মাংসের পদের বিক্রি কমেছে। আগে থেকে কেটে রাখা মুরগির বিক্রি নেই। সকলে জ্যান্ত মুরগি সামনে কাটিয়ে নিচ্ছেন। এর পর সুযোগ বুঝে দামও বাড়ছে তার। তবে বাঙালির ভিড় বেড়েছে এখন মাছের বাজারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ইরিত্রিয়া সীমান্তে ইথিওপীয় সেনার অগ্রগতি, বাড়ছে নতুন যুদ্ধের শঙ্কা

মরা মুরগি বেচে কোটিপতি

আপডেট সময় ১২:০৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মরা মুরগি বিক্রি করে কোটিপতি বনে গেছেন কাওসার আলি ঢালি! পশ্চিমবঙ্গের বসিরহাটের গ্রাম থেকে দুবছরের মধ্যে লেক টাউনে ফ্ল্যাটের মালিক হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া কাঁটারআটি গ্রামে রয়েছে নতুন বাড়ি। দুটি গাড়িও।

আগে কাওসার আলির গ্রামের বাড়িতেই ছিল মুরগির খামার। সেটি বন্ধ করে তিনি মন দেন মরা মুরগির কারবারে। কলকাতার আশপাশে কোন এলাকার খামারে মুরগি বেশি মরেছে, কোন বাজারে মাংসের চাহিদা বেশি জানতে তিনি লিঙ্কম্যানও লাগিয়েছিলেন।

তারাই হদিস দিত কোন কোন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হোটেল বা রেস্তোরাঁয় কীভাবে পৌঁছানো হবে ভাগাড়ের মাংস। এমন ৫ জন লিঙ্কম্যানকে চিহ্নিত করা হয়েছে।

কাওসার অন্যতম জোগানদার হলেও ভাগাড়ের মাংস-কাণ্ডের মূলহোতা অবশ্য কাঁকিনাড়ার শরাফত হোসেন। ১৫–২০ বছর ধরে তিনি মরা পশুর মাংসের ব্যবসা চালাচ্ছিলেন। তিনিও কোটিপতি। কাঁকিনাড়ায় তার পাঁচতলা বাড়ি। গাড়িও। তবে শরাফত হোসেন পরিবারের দাবি, তিনি চামড়া, হাড় আর মিনারেল পানির ব্যবসা করেন।

প্রসঙ্গত, রোববার নারিকেলডাঙায় একটি বরফকলের খোঁজ মিলেছে। সেখানে বরফ তৈরির আড়ালে মরা মুরগির মাংস মজুদ করা হতো। আপাতত সেটির মালিক উধাও। তার খোঁজে তল্লাশি চলছে। মরা মুরগির চক্রের রহস্যভেদে ‘সিট’ (বিশেষ তদন্তকারী দল) তৈরির ভাবনা চলছে।

জানা গেছে, ৫০ টাকা কেজিতে মরা মুরগি কিনে প্রক্রিয়াকরণের পর তা পাঠানো হতো বিভিন্ন ডিপার্টমেন্টাল স্টোর, হোটেল–রেস্তোরাঁয়। এদিন সকালে গড়িয়ার বোড়ালে এক বাইক–আরোহীর সঙ্গের দুটি ব্যাগে ১০০ কেজি মুরগির মাংস মেলে। ছড়ায় আতঙ্ক।

পরে পুলিশ এলে জানা যায়, সেগুলো তাজা মাংস। তবে একের পর এক জায়গায় মরা মুরগি উদ্ধার হওয়ায় কমেছে বিক্রি। কমেছে ডিপার্টমেন্টাল স্টোরে কাটা মাংসের বিক্রিও। ছোট রেস্তোরাঁ, রাস্তার পাশে রোল, চাউমিনের দোকানেও মাংসের পদের বিক্রি কমেছে। আগে থেকে কেটে রাখা মুরগির বিক্রি নেই। সকলে জ্যান্ত মুরগি সামনে কাটিয়ে নিচ্ছেন। এর পর সুযোগ বুঝে দামও বাড়ছে তার। তবে বাঙালির ভিড় বেড়েছে এখন মাছের বাজারে।