ঢাকা ০৯:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

খুলনায় জনতার প্রশ্নে বিএনপি সমর্থকদের হৈ চৈ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এক মঞ্চে থাকা পাঁচ মেয়র প্রার্থী মুখোমুখি হলেন ভোটারদের প্রশ্নে। এর মধ্যে বিএনপির মেয়র থাকলেও নগরীতে উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়ে দলের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে এক ভোটারের প্রশ্ন নিয়ে দেখা দেয় উত্তেজনা। হৈ চৈয়ে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয় অনুষ্ঠানের।

অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা তারা বিজয়ী হলে কী করবেন, তা বলতে থাকেন। প্রত্যেক প্রার্থীকে ভোটারদের পক্ষ থেকে করা হয় তিনটি করে প্রশ্ন। আর একজন প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর কাছে জানতে চান, বিএনপির মেয়ররা নগরীর জন্য কী করেছেন।

এই প্রশ্নের পরই বিএনপি সমর্থকরা হৈ চৈ শুরু করে। আর এর পর মিনিট দশেক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে বেসরকারি সংগঠন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এর আয়োজনে ‘জনগণের মুখোমুখি’ নামে এই অনুষ্ঠান হয়।

সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। পরে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে শপথ পড়ানো হয়।

এরপর অঙ্গীকারপত্র পাঠ করেন পাঁচ মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক, বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জাতীয় পার্টির শফিকুর রহমান, সিপিবির মিজানুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের মুজ্জাম্মিল হক। সব শেষে শুরু হয় মেয়র জনতার প্রশ্ন।

শুরুতে ইসলামী আন্দোলনের মুজ্জাম্মিল হক এবং পরে সিপিবির মিজানুর রহমান তিনটি প্রশ্নের জবাব দেন। এরপর আসে তিন প্রধান দল জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পালা।

জাতীয় পার্টির শফিকুর রহমানের কাছে একজন ভোটার জানতে চান তার বিরুদ্ধে থাকা হত্যা মামলার প্রসঙ্গে। এক ভোটার বলেন, ‘আপনি হত্যা মামলার আসামি হয়ে কীভাবে প্রার্থী হয়েছেন।’

জবাবে জাতীয় পার্টির নেতা বলেন, ‘মামলা হলেই কেউ দোষী হয় না। আমার যদি দণ্ড হতো, তাহলে কি এখানে আসতে পারতাম?’

অপর একজন ভোটার বলেন, তিনি বহু জায়গায় চাকরির জন্য ঘুরছেন, কিন্তু এর জন্য ঘুষ চাওয়া হচ্ছে। মুশফিক মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি কী করবেন।

জবাবে জাতীয় পার্টির নেতা বলেন, ‘আমি মেয়র হলে আপনার চাকরির ব্যবস্থা করে দেব আর এই ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য ব্যবস্থা নেব।’

এরপর আওয়ামী লীগের প্রার্থী খালেক মুখোমুখি হন জনতার প্রশ্নের। মেয়র হলে যানজট নিরসনে কী উদ্যোগ নেবেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি নগর পিতা নির্বাচিত হলে সিটি করপোরেশনের মধ্যে ইজিবাইকসহ সকল গণপরিবহন নির্দিষ্ট সংখ্যায় আনা হবে। নগরবাসীকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন একটি যানজটমুক্ত নগরী উপহার দেব।’

অন্য এক প্রশ্নে খালেক বলেন, ‘আমি মেয়র নির্বাচিত হলে নগরীতে মাদক বিক্রেতাসহ হোতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। খুলনা সিটিকে একটি মাদকমুক্ত নগরী উপহার দেব।’

তৃতীয় প্রশ্নে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিগত দিনে আমি এ সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলাম। আমার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নগরবাসী অবগত আছেন। খুলনাকে একটি আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আগের মতোই সর্বাত্মক চেষ্টা করব।’

সবশেষে মুখোমুখি হন বিএনপির মঞ্জু। আর প্রথম দুই প্রশ্নের জবাব শেষে তৃতীয় প্রশ্নের পরই তখনই ঘটে গণ্ডগোল। মঞ্জুর কাছে একজন প্রশ্ন রাখেন, শিক্ষাঙ্গণে ‘সন্ত্রাস হচ্ছে’, আপনি মেয়র হলে এটা থামাতে কী করবেন?

মঞ্জু জবাব দেন, ‘শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ছড়িয়েছে, সেখানে গণতন্ত্র ও ছাত্র নাই। আমি নির্বাচিত হলে এ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে কাজ করব।’

অপর এক প্রশ্নে মঞ্জু বলেন, তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে খুলনা নগরীকে যানজট মুক্ত করতে তিনি পরিকল্পিত উদ্যোগ নেবেন।

মঞ্জুর কাছে তৃতীয় প্রশ্ন ছিল এমন। ‘বিগত দিনে বিএনপির মেয়র থাকাকালে নগরীতে তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি, এর কারণ কী?’

মঞ্জু এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি। আর অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত তার সমর্থকরা হৈ চৈ শুরু করেন। তখন এগিয়ে আসেন আয়োজক সংগঠন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। বলেন, ‘এটা উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন, এ ধরনের প্রশ্ন করা যাবে না।’

এই পর্যায়ে বদিউল আলম মজুমদার প্রশ্নকর্তার মাইক বন্ধ করে দেন আর প্রশ্ন করতে দেয়ার দাবিতে হৈ চৈ করে অপর একটি পক্ষ। দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোলে মিনিট দশেক বন্ধ থাকে অনুষ্ঠান।

পরিস্থিতি শান্ত হলে মঞ্জুর জন্য ‘সহজ’ প্রশ্ন করা হয় একজনের পক্ষ থেকে। তিনি জানতে চান, নগরীতে খেলার মাঠের সংকট সমাধানে মেয়র হলে বিএনপি নেতা কী করবেন।

আর মঞ্জু বলেন, মেয়র হলে খেলাধূলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ তৈরির ব্যবস্থা নেবেন তিনি। আগামী ১৫ মে খুলনা সিটি করপোরেশনের ষষ্ঠ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এর আগে প্রথম তিনবার বিএনপি সমর্থিত শেখ তৈয়্যেবুর রহমান।

চতুর্থবারে এসে ২০০৮ সালে খুলনায় জয়ের মুখ দেখে আওয়ামী লীগ। তালুকদার আবদুল খালেক তখন বিএনপির মনিরুজ্জামান মনিকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।

২০১৩ সালের পঞ্চম নির্বাচনে আবার বিএনপি জয় পায়। মনি তখন খালেককে ৬১ হাজারেরও বেশি ভোটে হারিয়ে দেন। তবে এবার প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে মনিকে প্রার্থী করেনি বিএনপি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভারতের ক্ষমতাসীন দলকে ‘স্যাডিস্ট ও ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র

খুলনায় জনতার প্রশ্নে বিএনপি সমর্থকদের হৈ চৈ

আপডেট সময় ০৩:৫৫:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এক মঞ্চে থাকা পাঁচ মেয়র প্রার্থী মুখোমুখি হলেন ভোটারদের প্রশ্নে। এর মধ্যে বিএনপির মেয়র থাকলেও নগরীতে উন্নয়ন না হওয়ার বিষয়ে দলের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে এক ভোটারের প্রশ্ন নিয়ে দেখা দেয় উত্তেজনা। হৈ চৈয়ে বন্ধ হওয়ার উপক্রম হয় অনুষ্ঠানের।

অনুষ্ঠানে প্রার্থীরা তারা বিজয়ী হলে কী করবেন, তা বলতে থাকেন। প্রত্যেক প্রার্থীকে ভোটারদের পক্ষ থেকে করা হয় তিনটি করে প্রশ্ন। আর একজন প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুর কাছে জানতে চান, বিএনপির মেয়ররা নগরীর জন্য কী করেছেন।

এই প্রশ্নের পরই বিএনপি সমর্থকরা হৈ চৈ শুরু করে। আর এর পর মিনিট দশেক অনুষ্ঠান বন্ধ থাকে।

শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খুলনার শহীদ হাদিস পার্কে বেসরকারি সংগঠন সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন এর আয়োজনে ‘জনগণের মুখোমুখি’ নামে এই অনুষ্ঠান হয়।

সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে জাতীয় সঙ্গীত গাওয়া হয়। পরে ভোটারদের ভোটাধিকার প্রয়োগের বিষয়ে শপথ পড়ানো হয়।

এরপর অঙ্গীকারপত্র পাঠ করেন পাঁচ মেয়র প্রার্থী আওয়ামী লীগের তালুকদার আবদুল খালেক, বিএনপির নজরুল ইসলাম মঞ্জু, জাতীয় পার্টির শফিকুর রহমান, সিপিবির মিজানুর রহমান এবং ইসলামী আন্দোলনের মুজ্জাম্মিল হক। সব শেষে শুরু হয় মেয়র জনতার প্রশ্ন।

শুরুতে ইসলামী আন্দোলনের মুজ্জাম্মিল হক এবং পরে সিপিবির মিজানুর রহমান তিনটি প্রশ্নের জবাব দেন। এরপর আসে তিন প্রধান দল জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের পালা।

জাতীয় পার্টির শফিকুর রহমানের কাছে একজন ভোটার জানতে চান তার বিরুদ্ধে থাকা হত্যা মামলার প্রসঙ্গে। এক ভোটার বলেন, ‘আপনি হত্যা মামলার আসামি হয়ে কীভাবে প্রার্থী হয়েছেন।’

জবাবে জাতীয় পার্টির নেতা বলেন, ‘মামলা হলেই কেউ দোষী হয় না। আমার যদি দণ্ড হতো, তাহলে কি এখানে আসতে পারতাম?’

অপর একজন ভোটার বলেন, তিনি বহু জায়গায় চাকরির জন্য ঘুরছেন, কিন্তু এর জন্য ঘুষ চাওয়া হচ্ছে। মুশফিক মেয়র নির্বাচিত হলে তিনি কী করবেন।

জবাবে জাতীয় পার্টির নেতা বলেন, ‘আমি মেয়র হলে আপনার চাকরির ব্যবস্থা করে দেব আর এই ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে, সেজন্য ব্যবস্থা নেব।’

এরপর আওয়ামী লীগের প্রার্থী খালেক মুখোমুখি হন জনতার প্রশ্নের। মেয়র হলে যানজট নিরসনে কী উদ্যোগ নেবেন- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আমি নগর পিতা নির্বাচিত হলে সিটি করপোরেশনের মধ্যে ইজিবাইকসহ সকল গণপরিবহন নির্দিষ্ট সংখ্যায় আনা হবে। নগরবাসীকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন একটি যানজটমুক্ত নগরী উপহার দেব।’

অন্য এক প্রশ্নে খালেক বলেন, ‘আমি মেয়র নির্বাচিত হলে নগরীতে মাদক বিক্রেতাসহ হোতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। খুলনা সিটিকে একটি মাদকমুক্ত নগরী উপহার দেব।’

তৃতীয় প্রশ্নে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘বিগত দিনে আমি এ সিটি করপোরেশনের মেয়র ছিলাম। আমার কর্মকাণ্ড সম্পর্কে নগরবাসী অবগত আছেন। খুলনাকে একটি আধুনিক নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে আগের মতোই সর্বাত্মক চেষ্টা করব।’

সবশেষে মুখোমুখি হন বিএনপির মঞ্জু। আর প্রথম দুই প্রশ্নের জবাব শেষে তৃতীয় প্রশ্নের পরই তখনই ঘটে গণ্ডগোল। মঞ্জুর কাছে একজন প্রশ্ন রাখেন, শিক্ষাঙ্গণে ‘সন্ত্রাস হচ্ছে’, আপনি মেয়র হলে এটা থামাতে কী করবেন?

মঞ্জু জবাব দেন, ‘শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস ছড়িয়েছে, সেখানে গণতন্ত্র ও ছাত্র নাই। আমি নির্বাচিত হলে এ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে কাজ করব।’

অপর এক প্রশ্নে মঞ্জু বলেন, তিনি মেয়র নির্বাচিত হলে খুলনা নগরীকে যানজট মুক্ত করতে তিনি পরিকল্পিত উদ্যোগ নেবেন।

মঞ্জুর কাছে তৃতীয় প্রশ্ন ছিল এমন। ‘বিগত দিনে বিএনপির মেয়র থাকাকালে নগরীতে তেমন কোন উন্নয়ন হয়নি, এর কারণ কী?’

মঞ্জু এ নিয়ে কোনো কথা বলেননি। আর অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত তার সমর্থকরা হৈ চৈ শুরু করেন। তখন এগিয়ে আসেন আয়োজক সংগঠন সুজন সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার। বলেন, ‘এটা উদ্দেশ্যমূলক প্রশ্ন, এ ধরনের প্রশ্ন করা যাবে না।’

এই পর্যায়ে বদিউল আলম মজুমদার প্রশ্নকর্তার মাইক বন্ধ করে দেন আর প্রশ্ন করতে দেয়ার দাবিতে হৈ চৈ করে অপর একটি পক্ষ। দুই পক্ষের মধ্যে হট্টগোলে মিনিট দশেক বন্ধ থাকে অনুষ্ঠান।

পরিস্থিতি শান্ত হলে মঞ্জুর জন্য ‘সহজ’ প্রশ্ন করা হয় একজনের পক্ষ থেকে। তিনি জানতে চান, নগরীতে খেলার মাঠের সংকট সমাধানে মেয়র হলে বিএনপি নেতা কী করবেন।

আর মঞ্জু বলেন, মেয়র হলে খেলাধূলার জন্য পর্যাপ্ত মাঠ তৈরির ব্যবস্থা নেবেন তিনি। আগামী ১৫ মে খুলনা সিটি করপোরেশনের ষষ্ঠ নির্বাচন হতে যাচ্ছে। এর আগে প্রথম তিনবার বিএনপি সমর্থিত শেখ তৈয়্যেবুর রহমান।

চতুর্থবারে এসে ২০০৮ সালে খুলনায় জয়ের মুখ দেখে আওয়ামী লীগ। তালুকদার আবদুল খালেক তখন বিএনপির মনিরুজ্জামান মনিকে হারিয়ে মেয়র নির্বাচিত হন।

২০১৩ সালের পঞ্চম নির্বাচনে আবার বিএনপি জয় পায়। মনি তখন খালেককে ৬১ হাজারেরও বেশি ভোটে হারিয়ে দেন। তবে এবার প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে নির্বাচনে মনিকে প্রার্থী করেনি বিএনপি।