ঢাকা ০৮:১১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

ভারত-চীন সমস্যায় কারো পক্ষ নেবে না নেপাল

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সম্প্রতি নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষ্ণ বাহাদুর মহারা জানিয়েছেন, ভারত-চীন তাদের সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুক৷ তবে নেপাল কোন দলেই পক্ষে নেই ৷

ডোকলাম থেকে ভারতীয় সেনা হটাতে যেকোন মুহূর্তে চীন অপারেশন চালাতে পারে। ভারতীয় সেনা কখনই চীনের বাহিনীর যোগ্য নয়। যদি যুদ্ধ হয়, তাহলে সীমান্ত থেকে অনায়াসে সমস্ত ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে সরিয়ে দেবে চীন। ডোকালাম নিয়ে চীন তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না- চীনা সংবাদমাধ্যমে সে কথাও স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হচ্ছে।

কৃষ্ণ বাহাদুর মহারা আরো জানিয়েছেন, নেপাল চায় না তাকে এই ইস্যুতে জড়িত করা হোক৷ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে নেপালকে টেনে আনা হলেও, নেপাল যে এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত নয় তা স্পষ্ট করে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা ২৩ অগাস্ট থেকে ২৭ অগাস্টের মধ্যে ভারত সফরে যাবেন৷ তারই প্রস্তুতি চলছে৷ অন্যদিকে চীনের পক্ষ থেকে ওয়াং-ইয়াং ১৪ অগাস্ট নেপাল সফরে আসবেন বলে জানান তিনি৷

এদিকে চীনা সংবাদমাধ্যমের দাবি, ভারত তাদের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী একটি দেশের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ নিচ্ছে। যার একমাত্র ফলাফল যুদ্ধ হতে পারে বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতের এমন আচরণে চীনারা রীতিমত হতবাক বলেও দাবি করা হয়েছে।

চীনের প্রতি কঠোর হয়ে মোদি যে আসলে বিপদ ডেকে আনছেন, তেমনটাই মত চীনের। এইভাবে আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করা হচ্ছে ও দেশের মানুষের শান্তি নষ্ট হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মোদি সরকার যদি পিছিয়ে না যায়, তাহলে তারা দেশকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না মোদি।

ডোকলামে চীনা সেনাকে রাস্তা তৈরিতে বাধা দেয় ভারত। তারপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে শুরু হয়ে যায় উত্তেজনা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

ভারত-চীন সমস্যায় কারো পক্ষ নেবে না নেপাল

আপডেট সময় ১২:৪২:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১০ অগাস্ট ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

সম্প্রতি নেপালের উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৃষ্ণ বাহাদুর মহারা জানিয়েছেন, ভারত-চীন তাদের সমস্যা সমাধানে কূটনৈতিক পদক্ষেপ গ্রহণ করুক৷ তবে নেপাল কোন দলেই পক্ষে নেই ৷

ডোকলাম থেকে ভারতীয় সেনা হটাতে যেকোন মুহূর্তে চীন অপারেশন চালাতে পারে। ভারতীয় সেনা কখনই চীনের বাহিনীর যোগ্য নয়। যদি যুদ্ধ হয়, তাহলে সীমান্ত থেকে অনায়াসে সমস্ত ভারতীয় নিরাপত্তা বাহিনীকে সরিয়ে দেবে চীন। ডোকালাম নিয়ে চীন তাদের অবস্থান থেকে সরে আসবে না- চীনা সংবাদমাধ্যমে সে কথাও স্পষ্ট করে বলে দেওয়া হচ্ছে।

কৃষ্ণ বাহাদুর মহারা আরো জানিয়েছেন, নেপাল চায় না তাকে এই ইস্যুতে জড়িত করা হোক৷ সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবরে নেপালকে টেনে আনা হলেও, নেপাল যে এই বিষয়ের সঙ্গে যুক্ত নয় তা স্পষ্ট করে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা ২৩ অগাস্ট থেকে ২৭ অগাস্টের মধ্যে ভারত সফরে যাবেন৷ তারই প্রস্তুতি চলছে৷ অন্যদিকে চীনের পক্ষ থেকে ওয়াং-ইয়াং ১৪ অগাস্ট নেপাল সফরে আসবেন বলে জানান তিনি৷

এদিকে চীনা সংবাদমাধ্যমের দাবি, ভারত তাদের থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী একটি দেশের সঙ্গে চ্যালেঞ্জ নিচ্ছে। যার একমাত্র ফলাফল যুদ্ধ হতে পারে বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। ভারতের এমন আচরণে চীনারা রীতিমত হতবাক বলেও দাবি করা হয়েছে।

চীনের প্রতি কঠোর হয়ে মোদি যে আসলে বিপদ ডেকে আনছেন, তেমনটাই মত চীনের। এইভাবে আঞ্চলিক শান্তি নষ্ট করা হচ্ছে ও দেশের মানুষের শান্তি নষ্ট হচ্ছে বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। বলা হয়েছে, মোদি সরকার যদি পিছিয়ে না যায়, তাহলে তারা দেশকে যুদ্ধের দিকে ঠেলে দেবে, যা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন না মোদি।

ডোকলামে চীনা সেনাকে রাস্তা তৈরিতে বাধা দেয় ভারত। তারপর থেকেই দুই দেশের মধ্যে শুরু হয়ে যায় উত্তেজনা।