ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এবার বিশ্বসুন্দরীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতে লক্ষ বছর আগেও ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট ছিল এমন বিতর্কিত বক্তব্য করে সম্প্রতি সমালোচিত ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। এবার তিনি বেফাঁস কথা বললেন বিশ্বসুন্দরীদের নিয়ে।

তার মতে সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজকরা ‘কসমেটিকস মাফিয়া’। সাবেক বিশ্বসুন্দরী ডায়ানা হেডেন সুন্দরী হওয়ার অযোগ্য। ঐশ্বরিয়া রায়ই প্রকৃত বিশ্বসুন্দরী।

সম্প্রতি ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় একটি পোশাক ডিজাইন ওয়ার্কশপে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতাকে প্রহসন উল্লেখ করে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা একটা প্রহসন মাত্র। কোন বছরে কে সুন্দরীর মুকুট জিতবেন। তা আগে থেকেই সব ঠিক করা থাকে।’

সাবেক বিশ্বসুন্দরী ডায়ানা হেডেনের সৌন্দর্যের সমালোচনা করে বিপ্লব দেব বলেন, ‘আগে থেকে সবকিছু ঠিক করে না রাখলে ডায়না হেডেন কি কখনও সুন্দরী প্রতিযোগিতায় শিরোপা জিততে পারেন। সেই সুন্দরীদের গোত্রে পড়েন না।’

তিনি বলেন, ‘টানা পাঁচবার বিশ্ব সুন্দরীর শিরোপা জিতেছে ভারত। সেখানে নাম রয়েছে ডায়না হেডেনেরও। কিন্তু ডায়না হেডেন কী বিশ্বসুন্দরী হওয়ার উপযুক্ত? ঐশ্বরিয়া রায়ই হলেন প্রকৃত বিশ্বসুন্দরী।’

বিপ্লবের মতে, পুরনো দিনে ভারতীয় মহিলারা কখনও প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করতেন না। চুল ধোয়ার জন্য শ্যাম্পুর পরিবর্তে মেথির পানি ব্যবহার করতেন। সাবানের পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করতেন।

‘‘কিন্তু যারা আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন, তারা এক একজন ‘কসমেটিকস মাফিয়া’। ভারতীয় বাজারে নিজেদের ব্যবসা প্রসারিত করতেই তারা এই (বাণিজ্য) পন্থা নিচ্ছে।’’- বলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে ১৯৯৭ সালে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জেতা ডায়ানা হেডেন বিপ্লবের মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘একজন বাদামি ভারতীয় হিসেবে তিনি গর্বিত। আমার শরীরের কালো রঙের জন্য অনেক সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছি। অন্যের সাফল্যের অকারণ সমালোচনা না করে এ ধরণের মন্তব্য করার আগে মন্ত্রীর সাবধান হওয়া উচিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এবার বিশ্বসুন্দরীদের নিয়ে বেফাঁস মন্তব্য ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর

আপডেট সময় ০৭:৫০:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতে লক্ষ বছর আগেও ইন্টারনেট ও স্যাটেলাইট ছিল এমন বিতর্কিত বক্তব্য করে সম্প্রতি সমালোচিত ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব কুমার দেব নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন। এবার তিনি বেফাঁস কথা বললেন বিশ্বসুন্দরীদের নিয়ে।

তার মতে সুন্দরী প্রতিযোগিতার আয়োজকরা ‘কসমেটিকস মাফিয়া’। সাবেক বিশ্বসুন্দরী ডায়ানা হেডেন সুন্দরী হওয়ার অযোগ্য। ঐশ্বরিয়া রায়ই প্রকৃত বিশ্বসুন্দরী।

সম্প্রতি ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলায় একটি পোশাক ডিজাইন ওয়ার্কশপে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতাকে প্রহসন উল্লেখ করে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতা একটা প্রহসন মাত্র। কোন বছরে কে সুন্দরীর মুকুট জিতবেন। তা আগে থেকেই সব ঠিক করা থাকে।’

সাবেক বিশ্বসুন্দরী ডায়ানা হেডেনের সৌন্দর্যের সমালোচনা করে বিপ্লব দেব বলেন, ‘আগে থেকে সবকিছু ঠিক করে না রাখলে ডায়না হেডেন কি কখনও সুন্দরী প্রতিযোগিতায় শিরোপা জিততে পারেন। সেই সুন্দরীদের গোত্রে পড়েন না।’

তিনি বলেন, ‘টানা পাঁচবার বিশ্ব সুন্দরীর শিরোপা জিতেছে ভারত। সেখানে নাম রয়েছে ডায়না হেডেনেরও। কিন্তু ডায়না হেডেন কী বিশ্বসুন্দরী হওয়ার উপযুক্ত? ঐশ্বরিয়া রায়ই হলেন প্রকৃত বিশ্বসুন্দরী।’

বিপ্লবের মতে, পুরনো দিনে ভারতীয় মহিলারা কখনও প্রসাধন সামগ্রী ব্যবহার করতেন না। চুল ধোয়ার জন্য শ্যাম্পুর পরিবর্তে মেথির পানি ব্যবহার করতেন। সাবানের পরিবর্তে মাটি ব্যবহার করতেন।

‘‘কিন্তু যারা আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতার আয়োজন করেন, তারা এক একজন ‘কসমেটিকস মাফিয়া’। ভারতীয় বাজারে নিজেদের ব্যবসা প্রসারিত করতেই তারা এই (বাণিজ্য) পন্থা নিচ্ছে।’’- বলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী।

এদিকে ১৯৯৭ সালে বিশ্বসুন্দরীর মুকুট জেতা ডায়ানা হেডেন বিপ্লবের মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘একজন বাদামি ভারতীয় হিসেবে তিনি গর্বিত। আমার শরীরের কালো রঙের জন্য অনেক সমালোচনার মুখোমুখি হয়েছি। অন্যের সাফল্যের অকারণ সমালোচনা না করে এ ধরণের মন্তব্য করার আগে মন্ত্রীর সাবধান হওয়া উচিত।