ঢাকা ০৫:৪৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২ সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ

দেশের মানুষ সুখে আছে, এখন পরম তৃপ্তি নিয়ে পৃথিবী ছাড়ব: মুহিত

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশের মানুষ সুখ-শান্তিতে আছে। তাই এখন তিনি পরম তৃপ্তি নিয়ে পৃথিবী ছাড়তে পারবেন। রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামগঞ্জে এখন আর হাড্ডিসারশূন্য মানুষ পাওয়া যায় না। প্রত্যন্ত অঞ্চলেও গাড়ি চালিয়ে যাওয়া যাচ্ছে। রাজধানী অথবা সিলেটে বিমান অবতরণের আগে জানালা দিয়ে নিচে তাকালে উন্নয়নের চেহারা দৃশ্যমান হয় অবলীলায়।’

‘এসব কারণে আমার ফিলিংসটা হল- অবশেষে যখন যাবই এ পৃথিবী থেকে, তখন পরম তৃপ্তি নিয়ে যাব যে দেশের মানুষ সুখ-শান্তিতে রয়েছে।’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুহিত।

তিনি বলেন, ‘প্রবৃদ্ধির হার স্থিতাবস্থায় রাখার পাশাপাশি বৃদ্ধিতেও সক্ষম হয়েছি আমরা। এসব কারণে বলতে পারি- ২০১৪-১৫ সাল থেকে আমার মনে একটা দারুণ তৃপ্তি এসেছে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যে স্বপ্ন দেখতাম, বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন, যা নিয়ে একসময় অনেকে হাসিঠাট্টা করত, অথচ এখন আমরা সেই সোনার বাংলার পথেই রয়েছি।’

২০০৮ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও মহাজোট দায়িত্ব নেয়ার পরবর্তী ১০ বছরকে বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ আখ্যা দেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আরেকবার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে পারলে দারিদ্র্যসীমা ১২ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে; চরম দারিদ্র্যের হার কমে ৭ শতাংশে নামবে।

‘আর এই ৭ শতাংশের অধিকাংশই হবে চলাচলে অক্ষম কিংবা কাজে অক্ষম জনগোষ্ঠী, যাদের সরকার অর্থ-সহায়তা দেবে।’

‘বুদ্ধিতে, কৌশলে ও জনকল্যাণে শেখ হাসিনার মতো এমন আরেকজন নেতা পৃথিবীতে পাওয়া বড় কষ্টকর’ বলে উল্লেখ করেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি একেএ মোমেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর

দেশের মানুষ সুখে আছে, এখন পরম তৃপ্তি নিয়ে পৃথিবী ছাড়ব: মুহিত

আপডেট সময় ১০:৩১:২৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশের মানুষ সুখ-শান্তিতে আছে। তাই এখন তিনি পরম তৃপ্তি নিয়ে পৃথিবী ছাড়তে পারবেন। রোববার সন্ধ্যায় নিউইয়র্কে যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের এক সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গ্রামগঞ্জে এখন আর হাড্ডিসারশূন্য মানুষ পাওয়া যায় না। প্রত্যন্ত অঞ্চলেও গাড়ি চালিয়ে যাওয়া যাচ্ছে। রাজধানী অথবা সিলেটে বিমান অবতরণের আগে জানালা দিয়ে নিচে তাকালে উন্নয়নের চেহারা দৃশ্যমান হয় অবলীলায়।’

‘এসব কারণে আমার ফিলিংসটা হল- অবশেষে যখন যাবই এ পৃথিবী থেকে, তখন পরম তৃপ্তি নিয়ে যাব যে দেশের মানুষ সুখ-শান্তিতে রয়েছে।’

শেখ হাসিনার নেতৃত্বে টানা ১০ বছর ক্ষমতায় থাকায় বাংলাদেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে বলে মন্তব্য করেন মুহিত।

তিনি বলেন, ‘প্রবৃদ্ধির হার স্থিতাবস্থায় রাখার পাশাপাশি বৃদ্ধিতেও সক্ষম হয়েছি আমরা। এসব কারণে বলতে পারি- ২০১৪-১৫ সাল থেকে আমার মনে একটা দারুণ তৃপ্তি এসেছে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘যে স্বপ্ন দেখতাম, বঙ্গবন্ধু যে সোনার বাংলার স্বপ্ন দেখতেন, যা নিয়ে একসময় অনেকে হাসিঠাট্টা করত, অথচ এখন আমরা সেই সোনার বাংলার পথেই রয়েছি।’

২০০৮ সালের নির্বাচনে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ ও মহাজোট দায়িত্ব নেয়ার পরবর্তী ১০ বছরকে বাংলাদেশের জন্য স্বর্ণযুগ আখ্যা দেন অর্থমন্ত্রী।

তিনি বলেন, আরেকবার শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় রাখতে পারলে দারিদ্র্যসীমা ১২ শতাংশে নামিয়ে আনা সম্ভব হবে; চরম দারিদ্র্যের হার কমে ৭ শতাংশে নামবে।

‘আর এই ৭ শতাংশের অধিকাংশই হবে চলাচলে অক্ষম কিংবা কাজে অক্ষম জনগোষ্ঠী, যাদের সরকার অর্থ-সহায়তা দেবে।’

‘বুদ্ধিতে, কৌশলে ও জনকল্যাণে শেখ হাসিনার মতো এমন আরেকজন নেতা পৃথিবীতে পাওয়া বড় কষ্টকর’ বলে উল্লেখ করেন আবুল মাল আবদুল মুহিত।

অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি ও রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন এবং সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি একেএ মোমেন।