অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্কঃ
কথা শুনছে না কাতার। আর কথা না শোনা পর্যন্ত তাদের ওপর দেওয়া অর্থনৈতিক ও অন্যান্য অবরোধ উঠছে না। বুধবার মিশরের কায়রোয় কাতার ৪ দেশের দেওয়া ১৩ শর্ত মেনে নেওয়া নিয়ে বৈঠক হয়।
বৈঠকে এ সিদ্ধান্তের কথা জানায় সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট দেশগুলো।
সৌদি আরব, বাহরাইন, মিশর ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা বলেছেন, তাদের শর্তের তালিকার প্রতি কাতার নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখানোয় তারা মর্মাহত। তাদের দাবি, পরিস্থিতির গুরুত্ব ও ভারত্ব বুঝতে পারেনি কাতার।
জঙ্গিবাদ ও ইরানকে সমর্থন করার ইস্যুতে গত মাসে কাতারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেশটির বিরুদ্ধে অবরোধ জারি করে দেশগুলো।
তবে কাতার বরাবরই তাদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ অস্বীকার করেছে। সেই সঙ্গে সংকট নিরসনে যে ১৩ শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছে তা কাতার।
দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আল-থানি জানিয়েছেন, সবাই অবগত যে দাবিগুলো কাতারের সার্বভৌমত্বকে লঙ্ঘন করে। বিশ্ব আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী পরিচালিত হয় বলে বিশ্বাস করে কাতার। এই আইন ছোট দেশের ওপর বড় দেশের বলপ্রয়োগ অনুমোদন করে না।
তিনি বলেন, একটি সার্বভৌম দেশের ওপর আল্টিমেটাম জারির অধিকার কারও নেই।
মন্ত্রী বলেন, দাবিগুলো নাকচ করা হয়েছে। এসব দাবি কখনোই মানা হবে না। সৌদি আরব ও তার সহযোগী দেশগুলোর দাবি নাকচ করার পাল্টা প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে কাতার ভীত নয়। যেকোনো পরিণতি মোকাবিলায় কাতার প্রস্তুত। আর এই দাবিগুলো প্রত্যাখানের কারণে কোনো ধরনের সামরিক পদক্ষেপকেও ভয় পায় না দোহা।
১৩ শর্তের প্রথমেই আছে আল জাজিরা টেলিভিশন চ্যানেলটি বন্ধ করার দাবি। এর পরের শর্ত হিসেবে ইরান ও তুরস্কের সঙ্গে সামরিক ও কূটনৈতিক সম্পর্ক হ্রাসের দাবি করা হয়েছে। এছাড়া কাতারে তুরস্কের সামরিক ঘাঁটি বন্ধ করে দেওয়ার দাবিও জানানো হয়েছে।
দাবিতে ওই এলাকার নিষিদ্ধ ঘোষিত চরমপন্থী সংগঠন মুসলিম ব্রাদারহুডের সঙ্গে সকল সম্পর্ক ছিন্ন করার কথাও বলা হয়েছে।
কাতারে অবস্থান করা ওই চার দেশের তালিকাভূক্ত সন্ত্রাসীদের হস্তান্তরের দাবিও জানিয়েছে দেশ চারটি। চরমপন্থী যেকোনো কোনো সংগঠনে অর্থায়ন বন্ধ করার বিষয়টিও গুরুত্ব সহকারে বলা হয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























