ঢাকা ০২:৫২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

রাশিদা ও ইলহানকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করার দাবি ট্রাম্পের

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের মুসলিম নারী সদস্য রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘মার্কিন প্রতিনিধি ইলহান ওমর এবং রাশিদা তালাইব যেখান থেকে এসেছিলেন, তাদের সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত।’

বুধবার (যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার) ট্রাম্পের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ চলাকালীন ওই দুই সদস্য তাকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার ও প্রতিবাদ করার পর তিনি এ দাবি জানান। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্পের ভাষণের সময়, ফিলিস্তিনি আমেরিকান তালাইব এবং সোমালি আমেরিকান ওমর ট্রাম্পের সমালোচনা করেন। জন্মসূত্রে তারা মার্কিন নাগরিক। ফলে ইলহান ও রাশিদার কাউকে তাদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই।

বুধবার রাতে ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘দুই মুসলিম আইনপ্রণেতা কুটিল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের মতো আচরণ করেছেন। তাদের আমেরিকা থেকে বহিষ্কার করা উচিত।’

ট্রাম্প আরও লেখেন, ‘যখন কম আইকিউর ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিব গত রাতে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় চিৎকার করছিলেন, তখন তাদের আচরণ খুবই অস্বাভাবিক লাগছিল। এত গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাদের এমন আচরণ ঠিক নয়। তাদের দেখে মনে হচ্ছিল তারা খুব রাগান্বিত ও উত্তেজিত।’

তিনি বলেন, ‘যদি কেউ এমন আচরণ করে এবং তারা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত ও দেশের জন্য ক্ষতিকর রাজনীতিবিদ হন, তাহলে তাদের যত দ্রুত সম্ভব যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত।’ ট্রাম্প আরো যোগ করেন, ‘তারা যুক্তরাষ্ট্রের উপকারে কিছু করতে পারবে না, বরং ক্ষতিই করবে।’

মঙ্গলবার প্রায় দুই ঘণ্টার ভাষণের সময় কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা প্রতিবাদ করেন। তাদের মধ্যে ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিবও ছিলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেওয়ার সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা বারবার ট্রাম্পের প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের হাতে মার্কিনদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। হাউস চেম্বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তারা চিৎকার করে বলেন, ‘আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।’

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টে তালিব এবং ওমরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি সারা ম্যাকব্রাইডের কথা উল্লেখ করা হয়নি। মার্কিন সম্প্রচারকারী এনবিসি জানিয়েছে, তিনিও রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় প্রতিবাদে চিৎকার করেছিলেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

রাশিদা ও ইলহানকে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বের করার দাবি ট্রাম্পের

আপডেট সময় ০১:৪০:০৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ আন্তর্জাতিক ডেস্ক :

ক্তরাষ্ট্রের কংগ্রেসের মুসলিম নারী সদস্য রাশিদা তালিব ও ইলহান ওমরকে দ্রুত নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর দাবি জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেন, ‘মার্কিন প্রতিনিধি ইলহান ওমর এবং রাশিদা তালাইব যেখান থেকে এসেছিলেন, তাদের সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত।’

বুধবার (যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবার) ট্রাম্পের ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ চলাকালীন ওই দুই সদস্য তাকে উদ্দেশ্য করে চিৎকার ও প্রতিবাদ করার পর তিনি এ দাবি জানান। আলজাজিরার প্রতিবেদনে এই খবর বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার ট্রাম্পের ভাষণের সময়, ফিলিস্তিনি আমেরিকান তালাইব এবং সোমালি আমেরিকান ওমর ট্রাম্পের সমালোচনা করেন। জন্মসূত্রে তারা মার্কিন নাগরিক। ফলে ইলহান ও রাশিদার কাউকে তাদের পূর্বপুরুষের দেশে পাঠিয়ে দেওয়ার আইনগত সুযোগ নেই।

বুধবার রাতে ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে লিখেছেন, ‘দুই মুসলিম আইনপ্রণেতা কুটিল এবং দুর্নীতিগ্রস্ত রাজনীতিবিদদের মতো আচরণ করেছেন। তাদের আমেরিকা থেকে বহিষ্কার করা উচিত।’

ট্রাম্প আরও লেখেন, ‘যখন কম আইকিউর ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিব গত রাতে স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন ভাষণের সময় চিৎকার করছিলেন, তখন তাদের আচরণ খুবই অস্বাভাবিক লাগছিল। এত গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে তাদের এমন আচরণ ঠিক নয়। তাদের দেখে মনে হচ্ছিল তারা খুব রাগান্বিত ও উত্তেজিত।’

তিনি বলেন, ‘যদি কেউ এমন আচরণ করে এবং তারা যদি দুর্নীতিগ্রস্ত ও দেশের জন্য ক্ষতিকর রাজনীতিবিদ হন, তাহলে তাদের যত দ্রুত সম্ভব যেখান থেকে এসেছে সেখানে ফেরত পাঠানো উচিত।’ ট্রাম্প আরো যোগ করেন, ‘তারা যুক্তরাষ্ট্রের উপকারে কিছু করতে পারবে না, বরং ক্ষতিই করবে।’

মঙ্গলবার প্রায় দুই ঘণ্টার ভাষণের সময় কয়েকজন ডেমোক্র্যাট আইনপ্রণেতা প্রতিবাদ করেন। তাদের মধ্যে ইলহান ওমর ও রাশিদা তালিবও ছিলেন। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় কংগ্রেসের যৌথ অধিবেশনে ‘স্টেট অব দ্য ইউনিয়ন’ ভাষণ দেওয়ার সময় ওই দুই আইনপ্রণেতা বারবার ট্রাম্পের প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন।

ট্রাম্প প্রশাসনের অভিবাসন কর্মকর্তাদের হাতে মার্কিনদের মৃত্যুর প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন। হাউস চেম্বার থেকে বেরিয়ে যাওয়ার ঠিক আগমুহূর্তে তারা চিৎকার করে বলেন, ‘আপনি আমেরিকানদের হত্যা করেছেন।’

ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্পের পোস্টে তালিব এবং ওমরের কথা উল্লেখ করা হয়েছে, কিন্তু ডেমোক্র্যাটিক প্রতিনিধি সারা ম্যাকব্রাইডের কথা উল্লেখ করা হয়নি। মার্কিন সম্প্রচারকারী এনবিসি জানিয়েছে, তিনিও রাষ্ট্রপতির ভাষণের সময় প্রতিবাদে চিৎকার করেছিলেন।