ঢাকা ০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি এমপি যদি সৎ হন, ঠিকাদারের বাপের সাধ্য নেই চুরি করার: রুমিন ফারহানা ‘ধর্মের নামে ব্যবসা করে যারা নির্বাচনে জিততে চায়, তারা এ দেশে আর কখনো গ্রহণযোগ্যতা পাবে না’:ফারুক পার্থকে ছেড়ে দিলেন বিএনপির প্রার্থী গোলাম নবী গণহত্যার বিচারে ধরনের কম্প্রোমাইজ নয়: প্রসিকিউটর তামিম স্ত্রীর কোনো স্বর্ণ নেই, তাহেরির আছে ৩১ ভরি স্বর্ণ নির্বাচনে ভোট ডাকাতি যেন আর কখনো না ঘটে, সে ব্যবস্থা করতে হবে : প্রধান উপদেষ্টা ইরানে অর্ধশতাধিক মসজিদ-১৮০ অ্যাম্বুলেন্সে আগুন দিয়েছে বিক্ষোভকারীরা নির্বাচনে ৩০ আসনে লড়বে এনসিপি: আসিফ মাহমুদ নির্বাচন বানচালে দেশবিরোধী শক্তি অপচেষ্টা ও সহিংসতা চালাচ্ছে : মির্জা আব্বাস

আমিনের ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ চুরিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দোকানের স্বর্ণের নিরাপত্তার জন্য যাকে নিয়োগ করা হয়েছিল তিনিই জড়িত চুরিতে। এক দুই ভরি নয়, আমিন জুয়েলার্স থেকে ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা চুরির পর তা উদ্ধারও করেছে পুলিশ। আর ধরা পড়েছেন নিরাপত্তা প্রধান আবদুস সোবহান, যাকে মূল পরিকল্পনাকারী বলা হচ্ছে।

শনিবার রাতে ঢাকার গুলশান-২ এর ডিসিসি মার্কেটের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে চুরি যায় এই স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা। সোবহান এবং সাদ্দাম নামে তার এক সহযোগী এই চুরিতে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর চুরি যাওয়া টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে সাদ্দামের চাঁদপুরের এবং সোবহানের গোপালগঞ্জের বাড়ি থেকে।

বুধবার দুপুরে গুলশান থানায় সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান অঞ্চলের উপকমিশনার মুসতাক আহমেদ এই চুরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমিন জুয়েলার্সের নিরাপত্তাপ্রধান সোবহান এবং তার এক সহযোগী সাদ্দাম মিলে বহু আগে থেকেই চুরির পরিকল্পনা করেন।

শনিবার রাতে কর্মচারীরা বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর ছাদ কাটেন সোবহান ও সাদ্দাম। পরে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণ ও টাকা চুরি করেন সোবহান। সাদ্দামের শারীরিক গঠন মোটা হওয়ায় তিনি ছাদের কাটা দিয়ে ভেতরে যেতে পারেনি।

রবিবার বন্ধ ছিল বিক্রয় কেন্দ্রটি। সোমবার সকালে কর্মীরা দোকানে এসে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর পরে তারা গুলশান থানাকে জানালে পুলিশের অভিযানে নামে।

পুলিশ জানায়, প্রথম থেকেই নিরাপত্তা প্রধান সোবহানকে ঘিরেই সন্দেহ ছিল তাদের। তবে জিঞ্জাসাবাদে তিনি তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। পরে তার শরীরে কিছু ছিলে যাওয়ার দাগ দেখিয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে সোবহান ছাদ কেটে চুরির কথা স্বীকার করে নেন।

পরে সোবহানের দেয়া তথ্যে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড়ালী গ্রামে সাদ্দামের বাড়ি থেকে ২১১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১১ লাখ ২৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সাদ্দামকে না পেয়ে তার মা জানু বেগম ও বাবা আমানুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর গোপালগঞ্জে সোবহানের বাড়ি থেকে বাকি স্বর্ণ ও টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতেই ওই সব স্বর্ণ ও টাকা ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

যে ডিসিসি মার্কেটে আমিন জুয়েলার্সের বিক্রয় কেন্দ্রটি অবস্থিত ওই মার্কেটে এখন চলছে সংস্কার কাজ। সাদ্দাম এই কাজের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত দেশে সব ধরনের সংগঠনের নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে ইসি

আমিনের ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ চুরিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মী

আপডেট সময় ১২:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দোকানের স্বর্ণের নিরাপত্তার জন্য যাকে নিয়োগ করা হয়েছিল তিনিই জড়িত চুরিতে। এক দুই ভরি নয়, আমিন জুয়েলার্স থেকে ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা চুরির পর তা উদ্ধারও করেছে পুলিশ। আর ধরা পড়েছেন নিরাপত্তা প্রধান আবদুস সোবহান, যাকে মূল পরিকল্পনাকারী বলা হচ্ছে।

শনিবার রাতে ঢাকার গুলশান-২ এর ডিসিসি মার্কেটের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে চুরি যায় এই স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা। সোবহান এবং সাদ্দাম নামে তার এক সহযোগী এই চুরিতে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর চুরি যাওয়া টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে সাদ্দামের চাঁদপুরের এবং সোবহানের গোপালগঞ্জের বাড়ি থেকে।

বুধবার দুপুরে গুলশান থানায় সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান অঞ্চলের উপকমিশনার মুসতাক আহমেদ এই চুরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমিন জুয়েলার্সের নিরাপত্তাপ্রধান সোবহান এবং তার এক সহযোগী সাদ্দাম মিলে বহু আগে থেকেই চুরির পরিকল্পনা করেন।

শনিবার রাতে কর্মচারীরা বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর ছাদ কাটেন সোবহান ও সাদ্দাম। পরে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণ ও টাকা চুরি করেন সোবহান। সাদ্দামের শারীরিক গঠন মোটা হওয়ায় তিনি ছাদের কাটা দিয়ে ভেতরে যেতে পারেনি।

রবিবার বন্ধ ছিল বিক্রয় কেন্দ্রটি। সোমবার সকালে কর্মীরা দোকানে এসে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর পরে তারা গুলশান থানাকে জানালে পুলিশের অভিযানে নামে।

পুলিশ জানায়, প্রথম থেকেই নিরাপত্তা প্রধান সোবহানকে ঘিরেই সন্দেহ ছিল তাদের। তবে জিঞ্জাসাবাদে তিনি তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। পরে তার শরীরে কিছু ছিলে যাওয়ার দাগ দেখিয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে সোবহান ছাদ কেটে চুরির কথা স্বীকার করে নেন।

পরে সোবহানের দেয়া তথ্যে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড়ালী গ্রামে সাদ্দামের বাড়ি থেকে ২১১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১১ লাখ ২৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সাদ্দামকে না পেয়ে তার মা জানু বেগম ও বাবা আমানুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর গোপালগঞ্জে সোবহানের বাড়ি থেকে বাকি স্বর্ণ ও টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতেই ওই সব স্বর্ণ ও টাকা ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

যে ডিসিসি মার্কেটে আমিন জুয়েলার্সের বিক্রয় কেন্দ্রটি অবস্থিত ওই মার্কেটে এখন চলছে সংস্কার কাজ। সাদ্দাম এই কাজের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।