ঢাকা ০৪:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬, ১৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি একাত্তরে দেশ চায়নি জামায়াত, ইশতেহারেও ইসলাম নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গণতন্ত্রের পক্ষে অবদান রাখা বুদ্ধিজীবীদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির দাবি:সংসদে হুইপ আশরাফ উদ্দিন নিজান জুলাই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড একক কেউ নন: বিরোধীদলীয় নেতা হাসিনাকে ফাঁসিকাষ্ঠে ঝোলাতে পুরো বাংলাদেশ ঐক্যবদ্ধ: নাসীরুদ্দীন ২০৩০ সালের মধ্যে ১০ হাজার মেগাওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের ঘোষণা রিজার্ভ বেড়ে কত বিলিয়ন ডলার, জানাল কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, বিনিয়োগ ও রপ্তানি বৃদ্ধির রোডম্যাপ তুলে ধরেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী জামায়াতকে নিষিদ্ধ করে কি একদলীয় শাসন কায়েম করবে বিএনপি, প্রশ্ন এটিএম আজহারের বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্কের অভিযোগে মাগুরায় কৃষকদল নেতা গ্রেপ্তার

আমিনের ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ চুরিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মী

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দোকানের স্বর্ণের নিরাপত্তার জন্য যাকে নিয়োগ করা হয়েছিল তিনিই জড়িত চুরিতে। এক দুই ভরি নয়, আমিন জুয়েলার্স থেকে ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা চুরির পর তা উদ্ধারও করেছে পুলিশ। আর ধরা পড়েছেন নিরাপত্তা প্রধান আবদুস সোবহান, যাকে মূল পরিকল্পনাকারী বলা হচ্ছে।

শনিবার রাতে ঢাকার গুলশান-২ এর ডিসিসি মার্কেটের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে চুরি যায় এই স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা। সোবহান এবং সাদ্দাম নামে তার এক সহযোগী এই চুরিতে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর চুরি যাওয়া টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে সাদ্দামের চাঁদপুরের এবং সোবহানের গোপালগঞ্জের বাড়ি থেকে।

বুধবার দুপুরে গুলশান থানায় সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান অঞ্চলের উপকমিশনার মুসতাক আহমেদ এই চুরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমিন জুয়েলার্সের নিরাপত্তাপ্রধান সোবহান এবং তার এক সহযোগী সাদ্দাম মিলে বহু আগে থেকেই চুরির পরিকল্পনা করেন।

শনিবার রাতে কর্মচারীরা বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর ছাদ কাটেন সোবহান ও সাদ্দাম। পরে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণ ও টাকা চুরি করেন সোবহান। সাদ্দামের শারীরিক গঠন মোটা হওয়ায় তিনি ছাদের কাটা দিয়ে ভেতরে যেতে পারেনি।

রবিবার বন্ধ ছিল বিক্রয় কেন্দ্রটি। সোমবার সকালে কর্মীরা দোকানে এসে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর পরে তারা গুলশান থানাকে জানালে পুলিশের অভিযানে নামে।

পুলিশ জানায়, প্রথম থেকেই নিরাপত্তা প্রধান সোবহানকে ঘিরেই সন্দেহ ছিল তাদের। তবে জিঞ্জাসাবাদে তিনি তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। পরে তার শরীরে কিছু ছিলে যাওয়ার দাগ দেখিয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে সোবহান ছাদ কেটে চুরির কথা স্বীকার করে নেন।

পরে সোবহানের দেয়া তথ্যে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড়ালী গ্রামে সাদ্দামের বাড়ি থেকে ২১১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১১ লাখ ২৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সাদ্দামকে না পেয়ে তার মা জানু বেগম ও বাবা আমানুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর গোপালগঞ্জে সোবহানের বাড়ি থেকে বাকি স্বর্ণ ও টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতেই ওই সব স্বর্ণ ও টাকা ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

যে ডিসিসি মার্কেটে আমিন জুয়েলার্সের বিক্রয় কেন্দ্রটি অবস্থিত ওই মার্কেটে এখন চলছে সংস্কার কাজ। সাদ্দাম এই কাজের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আমাদের পরবর্তী গণঅভ্যুত্থান জামায়াতের বিরুদ্ধে হবে: গোলাম মাওলা রনি

আমিনের ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ চুরিতে প্রধান নিরাপত্তা কর্মী

আপডেট সময় ১২:০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

দোকানের স্বর্ণের নিরাপত্তার জন্য যাকে নিয়োগ করা হয়েছিল তিনিই জড়িত চুরিতে। এক দুই ভরি নয়, আমিন জুয়েলার্স থেকে ৬৮৯ ভরি স্বর্ণ ও ২০ লাখ টাকা চুরির পর তা উদ্ধারও করেছে পুলিশ। আর ধরা পড়েছেন নিরাপত্তা প্রধান আবদুস সোবহান, যাকে মূল পরিকল্পনাকারী বলা হচ্ছে।

শনিবার রাতে ঢাকার গুলশান-২ এর ডিসিসি মার্কেটের বিক্রয় কেন্দ্র থেকে চুরি যায় এই স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা। সোবহান এবং সাদ্দাম নামে তার এক সহযোগী এই চুরিতে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। আর চুরি যাওয়া টাকা ও স্বর্ণ উদ্ধার হয়েছে সাদ্দামের চাঁদপুরের এবং সোবহানের গোপালগঞ্জের বাড়ি থেকে।

বুধবার দুপুরে গুলশান থানায় সংবাদ সম্মেলন করে ঢাকা মহানগর পুলিশের গুলশান অঞ্চলের উপকমিশনার মুসতাক আহমেদ এই চুরির বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন।

এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান, আমিন জুয়েলার্সের নিরাপত্তাপ্রধান সোবহান এবং তার এক সহযোগী সাদ্দাম মিলে বহু আগে থেকেই চুরির পরিকল্পনা করেন।

শনিবার রাতে কর্মচারীরা বিক্রয়কেন্দ্র বন্ধ করে চলে যাওয়ার পর ছাদ কাটেন সোবহান ও সাদ্দাম। পরে ভেতরে ঢুকে স্বর্ণ ও টাকা চুরি করেন সোবহান। সাদ্দামের শারীরিক গঠন মোটা হওয়ায় তিনি ছাদের কাটা দিয়ে ভেতরে যেতে পারেনি।

রবিবার বন্ধ ছিল বিক্রয় কেন্দ্রটি। সোমবার সকালে কর্মীরা দোকানে এসে চুরির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এরপর পরে তারা গুলশান থানাকে জানালে পুলিশের অভিযানে নামে।

পুলিশ জানায়, প্রথম থেকেই নিরাপত্তা প্রধান সোবহানকে ঘিরেই সন্দেহ ছিল তাদের। তবে জিঞ্জাসাবাদে তিনি তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন। পরে তার শরীরে কিছু ছিলে যাওয়ার দাগ দেখিয়ে এর কারণ জানতে চাইলে তার কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারেননি তিনি। এক পর্যায়ে সোবহান ছাদ কেটে চুরির কথা স্বীকার করে নেন।

পরে সোবহানের দেয়া তথ্যে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ উপজেলার পশ্চিম বড়ালী গ্রামে সাদ্দামের বাড়ি থেকে ২১১ ভরি স্বর্ণ ও নগদ ১১ লাখ ২৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়। সাদ্দামকে না পেয়ে তার মা জানু বেগম ও বাবা আমানুল্লাহকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এরপর গোপালগঞ্জে সোবহানের বাড়ি থেকে বাকি স্বর্ণ ও টাকা উদ্ধার করা হয়। মঙ্গলবার রাতেই ওই সব স্বর্ণ ও টাকা ঢাকায় নিয়ে আসা হয়।

যে ডিসিসি মার্কেটে আমিন জুয়েলার্সের বিক্রয় কেন্দ্রটি অবস্থিত ওই মার্কেটে এখন চলছে সংস্কার কাজ। সাদ্দাম এই কাজের সুপারভাইজার হিসেবে কাজ করতেন। তাকে গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে বলে জানিয়েছে বাহিনীটি।