ঢাকা ০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বোল্ড দৃশ্যে ‘অদ্বিতীয়া’ স্বস্তিকা

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

২০১৭ সালের দূর্গা পূজায় মুক্তি পেয়েছিল স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘দুপুর ঠাকুরপো’। ছবিতে স্বস্তিকার চরিত্রটির নাম ছিল ‘উমা বৌদি’। এই চরিত্রটি দিয়ে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছিল টালিগঞ্জে। ‘দুপুর ঠাকুরপো’ দেখার পর সবাই নাকি স্বস্তিকাকে উমা বৌদি বলে ডাকা শুরু করেছিলেন। ডাকবেনই বা না কেন? হাজারো ঠাকুরপোদের রাতের ঘুম যে হারাম করে দিয়েছিলেন এই উমা বৌদি।

‘দুপুর ঠাকুরপো’ ওয়েব সিরিজটির ব্যাপক সাফল্যের পর সকলেই ভেবেছিল সিজন টু-তেও হয়তো স্বস্তিকাকেই দেখা যাবে উমা বৌদি রূপে। কিন্তু সকলের ভাবনায়ই বৃথা গেছে। থাকছেন না স্বস্তিকা। উমা বৌদির জায়গায় এসেছেন ঝুমা বৌদি। কলকাতার আরেক হট সেনসেশন শ্রীলেখা মিত্র।

সম্প্রতি একটি ভারতীয় পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই বিষয় নিয়েই প্রশ্ন করা হয় প্রথম সিজনের নায়িকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘দুপুর ঠাকুরপো’র মাধ্যমেই বিপুল সাফল্য পেলেন। কিন্তু সেটারই দ্বিতীয় সিজনে রিপ্লেসড হয়ে গেলেন। খারাপ লাগছে না? এমন প্রশ্নের সোজাসাপটা উত্তর দিয়েছেন অভিনেত্রী।

স্বস্তিকা বলেন, ‘বোল্ড দৃশ্যে কলকাতায় আমার রিপ্লেসমেন্ট কেউ নেই। কাজেই রিপ্লেসমেন্ট শব্দটাই ভুল। কাজটা আমি ছেড়ে দিয়েছি বলেই অন্য কেউ সুযোগ পেয়েছে। এই ওয়েব সিরিজের প্রযোজক ছিল ‘টিভিওয়ালা মিডিয়া’। আমি ওদের সঙ্গে আর কাজ করতে চাই না। ওদের সঙ্গে কাজ করতে গেলে অন্য লোক নিতেই হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় সিজনে শ্রীলেখাকে নেয়া হয়েছে ভালো। ও নিজের মতো করে অভিনয় করবে। তবে সে কখনোই আমার রিপ্লেসমেন্ট হবে না। আমি কি নতুন নাকি, যে কাস্ট করে বাদ দেয়া হবে? আমি চাইনি বলেই কাজটা করছি না। এর সঙ্গে অন্য কোনো কিছুরই সম্পর্ক নেই।’

২০০৩ সালে উর্মী চক্রবর্তী পরিচালিত ‘হেমন্তের পাখি’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন স্বস্তিকা। ছবিটিতে তিনি পাশ্ব-চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তিনি প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান রবি কিনাগী পরিচালিত ‘মাস্তান’ ছবিতে। এরপর শুধু এগিয়ে চলেছেন।

তবে সে সময়ের স্বস্তিকা আর এখনকার স্বস্তিকার মধ্যে যোজন যোজন পার্থক্য। প্রথম দিকে তিনি হাজির হতেন মমতাময়ী প্রেমিকা রূপে, কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে খোলামেলা চরিত্রেই তাকে বেশি দেখা যায়। আর এই চরিত্রে তিনি ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সবাইকেই। কাজেই নিজেকে তিনি অদ্বিতীয়া বলতেই পারেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বোল্ড দৃশ্যে ‘অদ্বিতীয়া’ স্বস্তিকা

আপডেট সময় ১১:১৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ বিনোদন ডেস্ক : 

২০১৭ সালের দূর্গা পূজায় মুক্তি পেয়েছিল স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায় অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘দুপুর ঠাকুরপো’। ছবিতে স্বস্তিকার চরিত্রটির নাম ছিল ‘উমা বৌদি’। এই চরিত্রটি দিয়ে রীতিমত হইচই ফেলে দিয়েছিল টালিগঞ্জে। ‘দুপুর ঠাকুরপো’ দেখার পর সবাই নাকি স্বস্তিকাকে উমা বৌদি বলে ডাকা শুরু করেছিলেন। ডাকবেনই বা না কেন? হাজারো ঠাকুরপোদের রাতের ঘুম যে হারাম করে দিয়েছিলেন এই উমা বৌদি।

‘দুপুর ঠাকুরপো’ ওয়েব সিরিজটির ব্যাপক সাফল্যের পর সকলেই ভেবেছিল সিজন টু-তেও হয়তো স্বস্তিকাকেই দেখা যাবে উমা বৌদি রূপে। কিন্তু সকলের ভাবনায়ই বৃথা গেছে। থাকছেন না স্বস্তিকা। উমা বৌদির জায়গায় এসেছেন ঝুমা বৌদি। কলকাতার আরেক হট সেনসেশন শ্রীলেখা মিত্র।

সম্প্রতি একটি ভারতীয় পত্রিকাকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এই বিষয় নিয়েই প্রশ্ন করা হয় প্রথম সিজনের নায়িকা স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়কে। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, ‘দুপুর ঠাকুরপো’র মাধ্যমেই বিপুল সাফল্য পেলেন। কিন্তু সেটারই দ্বিতীয় সিজনে রিপ্লেসড হয়ে গেলেন। খারাপ লাগছে না? এমন প্রশ্নের সোজাসাপটা উত্তর দিয়েছেন অভিনেত্রী।

স্বস্তিকা বলেন, ‘বোল্ড দৃশ্যে কলকাতায় আমার রিপ্লেসমেন্ট কেউ নেই। কাজেই রিপ্লেসমেন্ট শব্দটাই ভুল। কাজটা আমি ছেড়ে দিয়েছি বলেই অন্য কেউ সুযোগ পেয়েছে। এই ওয়েব সিরিজের প্রযোজক ছিল ‘টিভিওয়ালা মিডিয়া’। আমি ওদের সঙ্গে আর কাজ করতে চাই না। ওদের সঙ্গে কাজ করতে গেলে অন্য লোক নিতেই হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দ্বিতীয় সিজনে শ্রীলেখাকে নেয়া হয়েছে ভালো। ও নিজের মতো করে অভিনয় করবে। তবে সে কখনোই আমার রিপ্লেসমেন্ট হবে না। আমি কি নতুন নাকি, যে কাস্ট করে বাদ দেয়া হবে? আমি চাইনি বলেই কাজটা করছি না। এর সঙ্গে অন্য কোনো কিছুরই সম্পর্ক নেই।’

২০০৩ সালে উর্মী চক্রবর্তী পরিচালিত ‘হেমন্তের পাখি’ ছবির মাধ্যমে বড় পর্দায় আত্মপ্রকাশ করেন স্বস্তিকা। ছবিটিতে তিনি পাশ্ব-চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। তিনি প্রথম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করার সুযোগ পান রবি কিনাগী পরিচালিত ‘মাস্তান’ ছবিতে। এরপর শুধু এগিয়ে চলেছেন।

তবে সে সময়ের স্বস্তিকা আর এখনকার স্বস্তিকার মধ্যে যোজন যোজন পার্থক্য। প্রথম দিকে তিনি হাজির হতেন মমতাময়ী প্রেমিকা রূপে, কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে খোলামেলা চরিত্রেই তাকে বেশি দেখা যায়। আর এই চরিত্রে তিনি ইতিমধ্যেই ছাড়িয়ে গেছেন অন্য সবাইকেই। কাজেই নিজেকে তিনি অদ্বিতীয়া বলতেই পারেন।