ঢাকা ০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সোমবার ‘পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে’ বিকল হয়ে যাওয়া চীনা মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বিকল হয়ে যাওয়া চীনা মহাকাশ গবেষণাগারের ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন চীনের মহাকাশ গবেষকরা।

চীনা মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টায় স্টেশনটি এই আবহাওয়ায় পৌঁছাবে। এর আগেই অবশ্য এমন ভবিষ্যতবার্তা করেছিলো ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ইসা।

টিয়ানগং-১ চীনের বিশাল আকাঙ্ক্ষিত মহাকাশ কার্যক্রমের একটি অংশ এবং এটি মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্রে মানুষ নিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ ছিলো।

২০১১ সালে মহাকাশে ঢুকে পড়ে পাঁচ বছর পরে মিশন শেষ করে মহাকাশ গবেষণাগারটি। তারপরে গবেষণাগারটির আবার পৃথিবীতেই ফেরত আসার কথা। বেশিরভাগ মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্রই আবহাওয়ামণ্ডলে পুড়ে যায় তবে কিছু কিছু ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে ফিরে আসা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

সম্প্রতি ইসা বলছে, ২ এপ্রিল বেইজিং সময় ৭টা ২৫ মিনিটে পুনরায় ফিরে আসবে।

চীনের মানুষের মহাকাশ ইঞ্জিনিয়ার অফিসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বলা হয়, কোনো সায়েন্স ফিকশন সিনেমার মতো পড়ন্ত এই মহাকাশযান খুব জোড়ে পৃথিবীতে সংঘর্ষ ঘটাবে না। বরং খুব চমৎকার একটা দৃশ্য তৈরি করবে অনেকটা উল্কা বৃষ্টির মতো।

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৬ সালে টিয়ানগং-১ এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চীনের। তারপর থেকেই তার আচরণের উপর আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিলো না চীনের। তাই আমরা জানতাম না কোথায় এটা শেষ হবে। তবে ইসা জানিয়েছে, ধ্বংসাবশেষ ৪৩ ডিগ্রি উত্তর ও ৪৩ ডিগ্রি দক্ষিণের যেকোনো জায়গায় পতিত হবে।

অবশ্য এতে বিচলিত হওয়ার মতো কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন মহাকাশ গবেষকরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

সোমবার ‘পৃথিবীতে আছড়ে পড়বে’ বিকল হয়ে যাওয়া চীনা মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্র

আপডেট সময় ০৮:৫২:৩৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বিকল হয়ে যাওয়া চীনা মহাকাশ গবেষণাগারের ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়বে বলে জানিয়েছেন চীনের মহাকাশ গবেষকরা।

চীনা মহাকাশ সংস্থা জানিয়েছে, আগামী ২৪ ঘন্টায় স্টেশনটি এই আবহাওয়ায় পৌঁছাবে। এর আগেই অবশ্য এমন ভবিষ্যতবার্তা করেছিলো ইউরোপীয় মহাকাশ সংস্থা ইসা।

টিয়ানগং-১ চীনের বিশাল আকাঙ্ক্ষিত মহাকাশ কার্যক্রমের একটি অংশ এবং এটি মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্রে মানুষ নিয়ে যাওয়ার একটি পদক্ষেপ ছিলো।

২০১১ সালে মহাকাশে ঢুকে পড়ে পাঁচ বছর পরে মিশন শেষ করে মহাকাশ গবেষণাগারটি। তারপরে গবেষণাগারটির আবার পৃথিবীতেই ফেরত আসার কথা। বেশিরভাগ মহাকাশ গবেষণাকেন্দ্রই আবহাওয়ামণ্ডলে পুড়ে যায় তবে কিছু কিছু ধ্বংসাবশেষ পৃথিবীতে ফিরে আসা পর্যন্ত টিকে থাকতে পারে।

সম্প্রতি ইসা বলছে, ২ এপ্রিল বেইজিং সময় ৭টা ২৫ মিনিটে পুনরায় ফিরে আসবে।

চীনের মানুষের মহাকাশ ইঞ্জিনিয়ার অফিসের পক্ষ থেকে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে বলা হয়, কোনো সায়েন্স ফিকশন সিনেমার মতো পড়ন্ত এই মহাকাশযান খুব জোড়ে পৃথিবীতে সংঘর্ষ ঘটাবে না। বরং খুব চমৎকার একটা দৃশ্য তৈরি করবে অনেকটা উল্কা বৃষ্টির মতো।

চীনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ২০১৬ সালে টিয়ানগং-১ এর সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চীনের। তারপর থেকেই তার আচরণের উপর আর কোনো নিয়ন্ত্রণ ছিলো না চীনের। তাই আমরা জানতাম না কোথায় এটা শেষ হবে। তবে ইসা জানিয়েছে, ধ্বংসাবশেষ ৪৩ ডিগ্রি উত্তর ও ৪৩ ডিগ্রি দক্ষিণের যেকোনো জায়গায় পতিত হবে।

অবশ্য এতে বিচলিত হওয়ার মতো কিছু নেই বলে আশ্বস্ত করেছেন মহাকাশ গবেষকরা।