ঢাকা ১১:২৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের পুরস্কৃত ‘সাঁতাও’

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

রংপুর অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সংকটের গল্প নিয়ে গণঅর্থায়নে নির্মিত ‘সাঁতাও’ সিনেমাটি নেপাল-আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে ফিচার বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে।

মুক্তির তিন বছর পরও সিনেমাটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হওয়ায় দারুণ আনন্দিত নির্মাতা খন্দকার সুমন। তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে, গল্প যদি সত্যিকারের মানুষের কথা বলে, তাহলে সময় কখনো তাকে পুরোনো করে দেয় না।

সুমন বলেন, নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে বিশ্বের ২০টি দেশের মোট ৪৩টি চলচ্চিত্র অংশগ্রহণ করে। নেপালের ২০টি চলচ্চিত্র এবং ১৯টি দেশের ২৩টি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতায় স্থান পায়।

সোমবার উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। তবে সে সময় নেপালে উপস্থিত থাকতে পারেননি পরিচালক। উৎসবের আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ডের প্রধান ছিলেন নেপালের প্রখ্যাত পরিচালক ও প্রযোজক রাজু কেসি। জুরি বোর্ডে আরও ছিলেন বাংলাদেশি নির্মাতা সুপিন বর্মণ ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রযোজক ও সমালোচক ক্যাথরিন সোফিয়ানো।

সাঁতাও সিনেমার চিত্রনাট্যে প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সংকটের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে। মা হারানো এক বাছুর আর সন্তানহারা এক মানবী সন্তান ও মায়ের অভাব পূরণে পরস্পরকে খুঁজে নিয়ে তৈরি করেন নতুন এক আত্মিক সম্পর্কের। মানুষের সঙ্গে প্রাণী-প্রাণ-প্রকৃতির এই সম্পর্কই সাঁতাওকে করে তুলেছে আলাদা।

এর আগেও ‘সাঁতাও’ নেপাল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছিল। ৯৭ মিনিটের এ সিনেমা ২০২৩ সালের ২৭ জানুয়ারি পাঁচটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। আইনুন নাহার পুতুল, ফজলুল হক ও আব্দুল্লাহ আল সেন্টুসহ অনেকে সাঁতাওয়ের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

আন্তর্জাতিক মঞ্চে ফের পুরস্কৃত ‘সাঁতাও’

আপডেট সময় ১০:২৫:২৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ বিনোদন ডেস্ক :

রংপুর অঞ্চলের প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সংকটের গল্প নিয়ে গণঅর্থায়নে নির্মিত ‘সাঁতাও’ সিনেমাটি নেপাল-আফ্রিকা ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভালে ফিচার বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার জিতেছে।

মুক্তির তিন বছর পরও সিনেমাটি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে পুরস্কৃত হওয়ায় দারুণ আনন্দিত নির্মাতা খন্দকার সুমন। তিনি বলেন, এই স্বীকৃতি প্রমাণ করে, গল্প যদি সত্যিকারের মানুষের কথা বলে, তাহলে সময় কখনো তাকে পুরোনো করে দেয় না।

সুমন বলেন, নেপালের কাঠমান্ডুতে অনুষ্ঠিত এই উৎসবে বিশ্বের ২০টি দেশের মোট ৪৩টি চলচ্চিত্র অংশগ্রহণ করে। নেপালের ২০টি চলচ্চিত্র এবং ১৯টি দেশের ২৩টি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্রতিযোগিতায় স্থান পায়।

সোমবার উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে পুরস্কার ঘোষণা করা হয়। তবে সে সময় নেপালে উপস্থিত থাকতে পারেননি পরিচালক। উৎসবের আন্তর্জাতিক জুরি বোর্ডের প্রধান ছিলেন নেপালের প্রখ্যাত পরিচালক ও প্রযোজক রাজু কেসি। জুরি বোর্ডে আরও ছিলেন বাংলাদেশি নির্মাতা সুপিন বর্মণ ও দক্ষিণ আফ্রিকার প্রযোজক ও সমালোচক ক্যাথরিন সোফিয়ানো।

সাঁতাও সিনেমার চিত্রনাট্যে প্রান্তিক মানুষের জীবন ও সংকটের প্রতিচ্ছবি তুলে ধরা হয়েছে। মা হারানো এক বাছুর আর সন্তানহারা এক মানবী সন্তান ও মায়ের অভাব পূরণে পরস্পরকে খুঁজে নিয়ে তৈরি করেন নতুন এক আত্মিক সম্পর্কের। মানুষের সঙ্গে প্রাণী-প্রাণ-প্রকৃতির এই সম্পর্কই সাঁতাওকে করে তুলেছে আলাদা।

এর আগেও ‘সাঁতাও’ নেপাল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্রের পুরস্কার পেয়েছিল। ৯৭ মিনিটের এ সিনেমা ২০২৩ সালের ২৭ জানুয়ারি পাঁচটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল। আইনুন নাহার পুতুল, ফজলুল হক ও আব্দুল্লাহ আল সেন্টুসহ অনেকে সাঁতাওয়ের বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছেন।