ঢাকা ০২:১৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

নীতিমালা না করে বিচারক নিয়োগ দিলে আন্দোলনের হুমকি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সংবিধান ও আদালতের রায় অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগে নীতিমালা প্রণয়ন করার দাবি করেছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। নীতিমালা না করে বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হলে আন্দোলনের হুমকিও দিয়েছে তারা। সরকারের পক্ষ থেকে দলবাজদেরকে বিচারক নিয়োগ দেয়া হলে তাতে সম্মতি না দিতে প্রধান বিচারপতিকেও অনুরোধও করেছে সমিতি। তারা মনে করেন, নীতিমালা না করে বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হলে সেটা আদালত অবমাননা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বারের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন সমিতির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন।

জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘বিচারপতি নিয়োগে পায়তারা করা হচ্ছে। নীতিমালা প্রণয়ন ছাড়া বিচারপতি নিয়োগ দেয়া ঠিক হবে না। আমরা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের নীতিমালা বা নিয়োগের ব্যাপারে সরকার কিছুই বলেনি।’

জয়নুল বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি সবসময় আইনের শাসন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার দায়িত্ব অতীত থেকে পালন করে আসছে। বাংলাদেশের মানুষ সর্বোচ্চ আদালতের বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় থাকেন। সেজন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগ অবশ্যই রাজনীতির উর্ধ্বে থাকতে হবে। সেজন্য বিচারপতি নিয়োগে সংবিধানের ৯৫(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।’

সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, সহসভাপতি উম্মে কুলসুম রেখা, সম্পাদক ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সহসম্পাদক শামীমা সুলতানা দীপ্তি, শেখ তাহসিন আলী, মৌসুমী আক্তার, হাসিবুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, কার্যকর এবং বস্তুনিষ্ঠ করার প্রয়োজনের সাতটি যোগ্যতা নির্ণায়ক উল্লেখ করা হয়। ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই সংবিধানের অষ্টম অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতির প্রতি অকৃত্রিম আনুগত্য থাকতে হবে। এবং মেধা সম্পন্ন, পেশাগত দক্ষতা, সুক্ষ বিচারশক্তি ও ন্যায়পরায়নতা সম্পন্নদেরকেই কেবল সুপারিশ করা যাবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

নীতিমালা না করে বিচারক নিয়োগ দিলে আন্দোলনের হুমকি

আপডেট সময় ০১:৩৪:০৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মার্চ ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

সংবিধান ও আদালতের রায় অনুযায়ী সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগে নীতিমালা প্রণয়ন করার দাবি করেছে সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি। নীতিমালা না করে বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হলে আন্দোলনের হুমকিও দিয়েছে তারা। সরকারের পক্ষ থেকে দলবাজদেরকে বিচারক নিয়োগ দেয়া হলে তাতে সম্মতি না দিতে প্রধান বিচারপতিকেও অনুরোধও করেছে সমিতি। তারা মনে করেন, নীতিমালা না করে বিচারপতি নিয়োগ দেয়া হলে সেটা আদালত অবমাননা হবে।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট বারের শহীদ শফিউর রহমান মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন সমিতির নেতারা। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য রাখেন সমিতির সভাপতি জয়নুল আবেদীন।

জয়নুল আবেদীন বলেন, ‘বিচারপতি নিয়োগে পায়তারা করা হচ্ছে। নীতিমালা প্রণয়ন ছাড়া বিচারপতি নিয়োগ দেয়া ঠিক হবে না। আমরা বারবার অনুরোধ করা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টে বিচারক নিয়োগের নীতিমালা বা নিয়োগের ব্যাপারে সরকার কিছুই বলেনি।’

জয়নুল বলেন, ‘সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি সবসময় আইনের শাসন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার সংরক্ষণ এবং বিচার বিভাগের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখার দায়িত্ব অতীত থেকে পালন করে আসছে। বাংলাদেশের মানুষ সর্বোচ্চ আদালতের বিচার পাওয়ার অপেক্ষায় থাকেন। সেজন্য দেশের সর্বোচ্চ আদালতে বিচারপতি নিয়োগ অবশ্যই রাজনীতির উর্ধ্বে থাকতে হবে। সেজন্য বিচারপতি নিয়োগে সংবিধানের ৯৫(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করতে হবে।’

সম্মেলনে আরো উপস্থিত ছিলেন সমিতির সম্পাদক ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দীন খোকন, সহসভাপতি উম্মে কুলসুম রেখা, সম্পাদক ব্যারিস্টার এএম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সহসম্পাদক শামীমা সুলতানা দীপ্তি, শেখ তাহসিন আলী, মৌসুমী আক্তার, হাসিবুর রহমান প্রমুখ।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের ১৩ এপ্রিল হাইকোর্টের এক রায়ে সুপ্রিম কোর্টে বিচারপতি নিয়োগ প্রক্রিয়া আরও স্বচ্ছ, কার্যকর এবং বস্তুনিষ্ঠ করার প্রয়োজনের সাতটি যোগ্যতা নির্ণায়ক উল্লেখ করা হয়। ওই রায়ের পর্যবেক্ষণে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগের ক্ষেত্রে প্রার্থীকে অবশ্যই সংবিধানের অষ্টম অনুচ্ছেদে রাষ্ট্র পরিচালনার মুলনীতির প্রতি অকৃত্রিম আনুগত্য থাকতে হবে। এবং মেধা সম্পন্ন, পেশাগত দক্ষতা, সুক্ষ বিচারশক্তি ও ন্যায়পরায়নতা সম্পন্নদেরকেই কেবল সুপারিশ করা যাবে।