ঢাকা ০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

কীভাবে ফেসবুক থেকে আপনার তথ্য হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে?

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ কোটিরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে, এ অভিযোগ ওঠার পর এ বিষয়ে অনেকেই প্রশ্ন করতে শুরু করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য দেয়া হচ্ছে, সেগুলো কীভাবে অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করা হচ্ছে এবং কার সঙ্গে শেয়ার করা হচ্ছে- এসব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।-খবর বিবিসি অনলাইন।

সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীর এসব ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুকের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনেকটা জ্বালানির মতো। এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপনদাতারা এই মাধ্যমটিতে আসেন তাদের পন্য বা সেবার প্রচার চালাতে।

ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর বিচার-বিশ্লেষণ চালিয়ে তারা ফেসবুক ব্যবহাকারীদের টার্গেট করে বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতা ও ফেসবুক উভয়েই অর্থ আয় করে থাকে। ফেসবুক ব্যবহকারীর লাইক, ডিসলাইক, জীবনধারা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে ওই ব্যক্তি সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যেতে পারে এবং ফেসবুকের যে সেই ক্ষমতা রয়েছে, সেটি নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই।

কিন্তু বড় প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুক কী ধরনের তথ্য শেয়ার করে থাকে, কাদের সঙ্গে করে এবং ফেসবুক যাতে সেটি করতে না পারে, সে জন্য ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিজেদের কী করার আছে?

আপনি দেখতে হলিউডের কোনো তারকার মতো? জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

এ ধরনের কুইজ লিঙ্ক আমরা প্রায়শই দেখি আমাদের নিউজফিডে। এসব কুইজে আপনার কৌতূহল, ব্যক্তিত্ব কিংবা সাধারণ জ্ঞান ব্যবহার করা হয়। আপনাকে দেখাতে চেষ্টা করা হয় আপনি যদি বিখ্যাত কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রী হতেন, তা হলে আপনাকে কেমন দেখাত।

মনে রাখবেন, এ ধরনের একটি কুইজে ক্লিক করলেই কিন্তু আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ওই লিঙ্কের লোকেরা দেখে ফেলতে পারেন।

বলা হচ্ছে, ফেসবুকের এমন একটি কুইজ যার শিরোনাম ছিল- দিস ইজ ইয়ুর ডিজিটাল লাইফ, সেখান থেকে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা লাখ লাখ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করেছে।

এ ধরনের অনেক কুইজে আশ্বস্ত করার চেষ্টা চলে যে, সেখানে ক্লিক করলেও আপনার ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ থাকবে।

কিন্তু এ ধরনের গেইম বা কুইজ তৈরি করা হয় এ কারণেই যে, সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীরা এগুলো দেখে উৎসাহী হন।

ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় কাজ করে এ রকম একটি প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রনিক ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশন বলছে- এসব কুইজ থেকে কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়, সেটি নির্ভর করে সেই সময় ফেসবুকের নিয়ম ও শর্ত কী ছিল সেসবের ওপর।

তৃতীয় কোনো পক্ষ যাতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে না পারে, সে জন্য ফেসবুক তার নিয়ম ও শর্তে কিছু পরিবর্তন এনেছে।

ব্যবহারকারীর বন্ধুর কাছ থেকেও যাতে তারা তার সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন, সেই ব্যবস্থাও আছে।

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কি ধরনের তথ্য পেয়েছিল সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ এখন সেটি অনুসন্ধান করে দেখছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

কীভাবে ফেসবুক থেকে আপনার তথ্য হাতিয়ে নেয়া হচ্ছে?

আপডেট সময় ০৫:৫৬:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

লন্ডনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা যুক্তরাষ্ট্রে পাঁচ কোটিরও বেশি ফেসবুক ব্যবহারকারীর ব্যক্তিগত তথ্য ব্যবহার করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে, এ অভিযোগ ওঠার পর এ বিষয়ে অনেকেই প্রশ্ন করতে শুরু করেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য দেয়া হচ্ছে, সেগুলো কীভাবে অন্যদের সঙ্গে শেয়ার করা হচ্ছে এবং কার সঙ্গে শেয়ার করা হচ্ছে- এসব নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।-খবর বিবিসি অনলাইন।

সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীর এসব ব্যক্তিগত তথ্য ফেসবুকের কাছে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এটি অনেকটা জ্বালানির মতো। এসব তথ্যের ওপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপনদাতারা এই মাধ্যমটিতে আসেন তাদের পন্য বা সেবার প্রচার চালাতে।

ব্যক্তিগত তথ্যের ওপর বিচার-বিশ্লেষণ চালিয়ে তারা ফেসবুক ব্যবহাকারীদের টার্গেট করে বিজ্ঞাপন প্রচার করেন। এর মাধ্যমে বিজ্ঞাপনদাতা ও ফেসবুক উভয়েই অর্থ আয় করে থাকে। ফেসবুক ব্যবহকারীর লাইক, ডিসলাইক, জীবনধারা ও রাজনৈতিক মতাদর্শ থেকে ওই ব্যক্তি সম্পর্কে একটি ধারণা পাওয়া যেতে পারে এবং ফেসবুকের যে সেই ক্ষমতা রয়েছে, সেটি নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ নেই।

কিন্তু বড় প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুক কী ধরনের তথ্য শেয়ার করে থাকে, কাদের সঙ্গে করে এবং ফেসবুক যাতে সেটি করতে না পারে, সে জন্য ফেসবুক ব্যবহারকারীদের নিজেদের কী করার আছে?

আপনি দেখতে হলিউডের কোনো তারকার মতো? জানতে চাইলে এখানে ক্লিক করুন।

এ ধরনের কুইজ লিঙ্ক আমরা প্রায়শই দেখি আমাদের নিউজফিডে। এসব কুইজে আপনার কৌতূহল, ব্যক্তিত্ব কিংবা সাধারণ জ্ঞান ব্যবহার করা হয়। আপনাকে দেখাতে চেষ্টা করা হয় আপনি যদি বিখ্যাত কোনো অভিনেতা বা অভিনেত্রী হতেন, তা হলে আপনাকে কেমন দেখাত।

মনে রাখবেন, এ ধরনের একটি কুইজে ক্লিক করলেই কিন্তু আপনার ব্যক্তিগত তথ্য ওই লিঙ্কের লোকেরা দেখে ফেলতে পারেন।

বলা হচ্ছে, ফেসবুকের এমন একটি কুইজ যার শিরোনাম ছিল- দিস ইজ ইয়ুর ডিজিটাল লাইফ, সেখান থেকে ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা লাখ লাখ মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করেছে।

এ ধরনের অনেক কুইজে আশ্বস্ত করার চেষ্টা চলে যে, সেখানে ক্লিক করলেও আপনার ব্যক্তিগত তথ্য নিরাপদ থাকবে।

কিন্তু এ ধরনের গেইম বা কুইজ তৈরি করা হয় এ কারণেই যে, সামাজিকমাধ্যম ব্যবহারকারীরা এগুলো দেখে উৎসাহী হন।

ব্যক্তিগত তথ্যের গোপনীয়তা রক্ষায় কাজ করে এ রকম একটি প্রতিষ্ঠান ইলেকট্রনিক ফ্রন্টিয়ার ফাউন্ডেশন বলছে- এসব কুইজ থেকে কীভাবে তথ্য সংগ্রহ করা হয়, সেটি নির্ভর করে সেই সময় ফেসবুকের নিয়ম ও শর্ত কী ছিল সেসবের ওপর।

তৃতীয় কোনো পক্ষ যাতে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য সংগ্রহ করতে না পারে, সে জন্য ফেসবুক তার নিয়ম ও শর্তে কিছু পরিবর্তন এনেছে।

ব্যবহারকারীর বন্ধুর কাছ থেকেও যাতে তারা তার সম্পর্কে তথ্য নিতে পারেন, সেই ব্যবস্থাও আছে।

ক্যামব্রিজ অ্যানালিটিকা কি ধরনের তথ্য পেয়েছিল সেটি এখনও পরিষ্কার নয়। ব্রিটিশ কর্তৃপক্ষ এখন সেটি অনুসন্ধান করে দেখছে।