ঢাকা ০৯:৩৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অ্যান্টার্কটিকায় ৪০৩ দিন নারী বিজ্ঞানীর

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আগে কোনোদিনই তেমনভাবে তুষারের মধ্যে দিন কাটাননি। কিন্তু ৪০৩ দিন পর যখন তিনি ফিরলেন, তখন নিজের অজান্তেই তৈরি করে ফেলেছেন একটা রেকর্ড। তিনি মঙ্গলা মানি। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রথম নারী বিজ্ঞানী।

পরিবেশগত এক মিশনের জন্য এক বছরের বেশি সময় কাটালেন অ্যান্টার্কটিকায়। সেখানকার পরিবেশ নিয়ে গবেষণা চালাতেই এ মিশন, জানিয়েছেন মঙ্গলা। ২০১৬ সালের নভেম্বর। ২৩ সদস্যের একটি দল ইসরো থেকে রওনা হয়েছিল অ্যান্টার্কটিকার উদ্দেশে। দলটিতে একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন ৫৬ বছরের মঙ্গলা মানি।

গত বছর ডিসেম্বরে অ্যান্টার্কটিকায় গবেষণামূলক কাজ শেষের পর দেশে ফেরে দলটি। সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে মানি জানিয়েছেন, কেমন ছিল সেই দিনগুলো। তার কথায়, ‘খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল আমাদের মিশন। আমি একজন নারী হওয়ায় চ্যালেঞ্জটা ছিল আরও বেশি। কারণ, নারীদের থেকে পুরুষদের শারীরিক সক্ষমতা অনেকটাই বেশি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘সেখানকার পরিবেশ অত্যন্ত শুষ্ক। যখনই আমরা ক্লাইমেট কন্ট্রোল রিসার্চ সেন্টারের বাইরে বের হতাম, তখন খুবই সতর্ক থাকতে হতো।’

মাইনাস ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এতগুলো দিন কাটানোর জন্য কিভাবে নিজেকে তৈরি করেছেন? সেই প্রস্তুতির কথাও নিজের মুখে জানিয়েছেন ওই নারী বিজ্ঞানী। মিশনের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর শুরু হয়েছিল শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ।

বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে শারীরিক প্রশিক্ষণ। মানি জানিয়েছেন, এতগুলো দিন অ্যান্টার্কটিকায় কাটানোর সময় প্যাকেটজাত খাবারই ব্যবহার করেছেন তারা। একই সঙ্গে মনে রাখা হয়েছে পরিবেশ দূষণের দিকটাও। ৪০০ দিনের বেশি অ্যান্টার্কটিকায় সফলভাবে মিশন শেষ করার জন্য সহযাত্রীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মঙ্গলাদেবী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অ্যান্টার্কটিকায় ৪০৩ দিন নারী বিজ্ঞানীর

আপডেট সময় ০২:০৪:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ মার্চ ২০১৮

আকাশ নিউজ ডেস্ক:

আগে কোনোদিনই তেমনভাবে তুষারের মধ্যে দিন কাটাননি। কিন্তু ৪০৩ দিন পর যখন তিনি ফিরলেন, তখন নিজের অজান্তেই তৈরি করে ফেলেছেন একটা রেকর্ড। তিনি মঙ্গলা মানি। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর প্রথম নারী বিজ্ঞানী।

পরিবেশগত এক মিশনের জন্য এক বছরের বেশি সময় কাটালেন অ্যান্টার্কটিকায়। সেখানকার পরিবেশ নিয়ে গবেষণা চালাতেই এ মিশন, জানিয়েছেন মঙ্গলা। ২০১৬ সালের নভেম্বর। ২৩ সদস্যের একটি দল ইসরো থেকে রওনা হয়েছিল অ্যান্টার্কটিকার উদ্দেশে। দলটিতে একমাত্র নারী সদস্য ছিলেন ৫৬ বছরের মঙ্গলা মানি।

গত বছর ডিসেম্বরে অ্যান্টার্কটিকায় গবেষণামূলক কাজ শেষের পর দেশে ফেরে দলটি। সম্প্রতি টাইমস অব ইন্ডিয়াকে দেয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে মানি জানিয়েছেন, কেমন ছিল সেই দিনগুলো। তার কথায়, ‘খুবই চ্যালেঞ্জিং ছিল আমাদের মিশন। আমি একজন নারী হওয়ায় চ্যালেঞ্জটা ছিল আরও বেশি। কারণ, নারীদের থেকে পুরুষদের শারীরিক সক্ষমতা অনেকটাই বেশি।’ তিনি আরও বলেছেন, ‘সেখানকার পরিবেশ অত্যন্ত শুষ্ক। যখনই আমরা ক্লাইমেট কন্ট্রোল রিসার্চ সেন্টারের বাইরে বের হতাম, তখন খুবই সতর্ক থাকতে হতো।’

মাইনাস ৯০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে এতগুলো দিন কাটানোর জন্য কিভাবে নিজেকে তৈরি করেছেন? সেই প্রস্তুতির কথাও নিজের মুখে জানিয়েছেন ওই নারী বিজ্ঞানী। মিশনের দিনক্ষণ ঠিক হওয়ার পর শুরু হয়েছিল শারীরিক সক্ষমতা বাড়ানোর প্রশিক্ষণ।

বেশ কয়েক সপ্তাহ ধরে চলে শারীরিক প্রশিক্ষণ। মানি জানিয়েছেন, এতগুলো দিন অ্যান্টার্কটিকায় কাটানোর সময় প্যাকেটজাত খাবারই ব্যবহার করেছেন তারা। একই সঙ্গে মনে রাখা হয়েছে পরিবেশ দূষণের দিকটাও। ৪০০ দিনের বেশি অ্যান্টার্কটিকায় সফলভাবে মিশন শেষ করার জন্য সহযাত্রীদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন মঙ্গলাদেবী।