ঢাকা ০৩:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

মহাকাশ স্টেশনে একবছর কাটানোয় নভোচারীর ডিএনএ পাল্টে গেছে: নাসা

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এক বছর কাটিয়ে আসার পর, মার্কিন নভোচারী স্কট কেলির ডিএনএ পাল্টে গেছে বলে জানাচ্ছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। দুই বছর আগে মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে ফিরলেও এখনো তার শারীরিক পরিবর্তন স্বাভাবিক হয়নি। যমজ ভাইয়ের সঙ্গে তার ৭ শতাংশ জিন নকশা মিলছে না বলেও জানিয়েছে তারা।

নাসা আরো জানাচ্ছে, এক বছরেরও বেশি সময় আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে কাটিয়েছে মহাকাশচারী স্কট কেলি। পৃথিবী থেকে দূরে মহাকাশের অতিরিক্ত সময় মানুষের উপর শারীরিক ও মানসিক কী প্রভাব ফেলে, তা বুঝতেই স্কটকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পাঠানো হয়েছিল। আর পৃথিবীতে নাসার গবেষণা কেন্দ্রেই ছিলেন স্কটের যমজ ভাই মার্ক। এক বছর পর যখন স্কট পৃথিবীতে ফিরলেন, তাকে পরীক্ষার পর বেশ চমকে যান নাসার বিজ্ঞানীরা। দেখা যায়, যমজ ভাই মার্কের জিন নকশার সঙ্গে স্কটের জিন নকশার বেশ পরিবর্তন ধরা পড়ে।

চমকের এখানেই শেষ নেই। স্কট ও মার্কের ডিএনএ পরীক্ষা করে একাধিক ফারাকও চোখে পড়ে মার্কিন বিশেষজ্ঞদের। এর মধ্যে নিউট্রিয়েন্ট সংক্রান্ত পরিবর্তন সরাসরি স্কটের জিনকে প্রভাবিত করেছে বলে উল্লেখ করা হয় নাসার রিপোর্টে। পাশাপাশি স্কটের ক্রোমোজোমেও বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেন বিশেষজ্ঞরা। আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চললেও এই পরিবর্তনগুলি সাময়িক বলে জানিয়েছে নাসা। তবে এক বছরের সময়কালে যদি এই পরিবর্তন হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্রে আরো বেশি পরিবর্তনের আশঙ্কা করছে নাসা।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে রাশিয়ার একটি সয়ুজ স্পেসক্র্যাফটে চড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যান তিনজন মহাকাশচারী। তারা হলেন আমেরিকার স্কট কেলি এবং রাশিয়ার মিখাইল করনিয়েনকো ও গেন্নাডি পাডালকা। এই তিনজন মহাকাশচারীর মধ্যে দু’জন, স্কট কেলি আর মিখাইল করনিয়েনকো এক বছরের কিছু বেশি সময় মহাকাশে কাটান। এর আগে, এত দীর্ঘ সময় একটানা কেউ মহাকাশে কাটায়নি। নাসায় কর্মরত এক বিজ্ঞানী জানান, ‘মঙ্গল বা অন্য কোনো গ্রহে কোনো মানুষকে পাড়ি দিতে হলে অনেক লম্বা সময় তাদের মহাকাশে কাটাতে হবে– তারই মহড়া চালানো হয়েছে কেলি-করনিয়েনকো জুটির ওপর।’ সিএনএন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

মহাকাশ স্টেশনে একবছর কাটানোয় নভোচারীর ডিএনএ পাল্টে গেছে: নাসা

আপডেট সময় ১০:১৫:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে এক বছর কাটিয়ে আসার পর, মার্কিন নভোচারী স্কট কেলির ডিএনএ পাল্টে গেছে বলে জানাচ্ছে মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। দুই বছর আগে মহাকাশ স্টেশন থেকে পৃথিবীতে ফিরলেও এখনো তার শারীরিক পরিবর্তন স্বাভাবিক হয়নি। যমজ ভাইয়ের সঙ্গে তার ৭ শতাংশ জিন নকশা মিলছে না বলেও জানিয়েছে তারা।

নাসা আরো জানাচ্ছে, এক বছরেরও বেশি সময় আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে কাটিয়েছে মহাকাশচারী স্কট কেলি। পৃথিবী থেকে দূরে মহাকাশের অতিরিক্ত সময় মানুষের উপর শারীরিক ও মানসিক কী প্রভাব ফেলে, তা বুঝতেই স্কটকে আন্তর্জাতিক স্পেস স্টেশনে পাঠানো হয়েছিল। আর পৃথিবীতে নাসার গবেষণা কেন্দ্রেই ছিলেন স্কটের যমজ ভাই মার্ক। এক বছর পর যখন স্কট পৃথিবীতে ফিরলেন, তাকে পরীক্ষার পর বেশ চমকে যান নাসার বিজ্ঞানীরা। দেখা যায়, যমজ ভাই মার্কের জিন নকশার সঙ্গে স্কটের জিন নকশার বেশ পরিবর্তন ধরা পড়ে।

চমকের এখানেই শেষ নেই। স্কট ও মার্কের ডিএনএ পরীক্ষা করে একাধিক ফারাকও চোখে পড়ে মার্কিন বিশেষজ্ঞদের। এর মধ্যে নিউট্রিয়েন্ট সংক্রান্ত পরিবর্তন সরাসরি স্কটের জিনকে প্রভাবিত করেছে বলে উল্লেখ করা হয় নাসার রিপোর্টে। পাশাপাশি স্কটের ক্রোমোজোমেও বেশ কিছু পরিবর্তন লক্ষ্য করেন বিশেষজ্ঞরা। আরো পরীক্ষা-নিরীক্ষা চললেও এই পরিবর্তনগুলি সাময়িক বলে জানিয়েছে নাসা। তবে এক বছরের সময়কালে যদি এই পরিবর্তন হয়, তাহলে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষেত্রে আরো বেশি পরিবর্তনের আশঙ্কা করছে নাসা।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে রাশিয়ার একটি সয়ুজ স্পেসক্র্যাফটে চড়ে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে যান তিনজন মহাকাশচারী। তারা হলেন আমেরিকার স্কট কেলি এবং রাশিয়ার মিখাইল করনিয়েনকো ও গেন্নাডি পাডালকা। এই তিনজন মহাকাশচারীর মধ্যে দু’জন, স্কট কেলি আর মিখাইল করনিয়েনকো এক বছরের কিছু বেশি সময় মহাকাশে কাটান। এর আগে, এত দীর্ঘ সময় একটানা কেউ মহাকাশে কাটায়নি। নাসায় কর্মরত এক বিজ্ঞানী জানান, ‘মঙ্গল বা অন্য কোনো গ্রহে কোনো মানুষকে পাড়ি দিতে হলে অনেক লম্বা সময় তাদের মহাকাশে কাটাতে হবে– তারই মহড়া চালানো হয়েছে কেলি-করনিয়েনকো জুটির ওপর।’ সিএনএন।