ঢাকা ০২:৩১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সবচেয়ে বেশি আর কম বিকিরণ ছড়ানো মোবাইল ফোন

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বিজ্ঞানীরা জানার চেষ্টা করেছেন, কোন ফোন থেকে কি মাত্রায় বিকিরণ ঘটছে? তারা একটি মাত্রাও নির্ধারণ করেছেন যে, একজন মানুষ তার শরীরে কতটা বিকিরণ গ্রহণ করতে পারে।

মোবাইল ফোনের কোম্পানি বা উৎপাদকভেদে একেকটি ফোনের বিকিরণের মাত্রা কম-বেশি হয়। ফোনের বাক্সের কাগজপত্রে বা অনলাইনে এসব তথ্য থাকলেও খুব কম গ্রাহকই সেগুলো পড়ে দেখেন। নতুন আর পুরনো ফোন মিলিয়ে বিকিরণ ছড়ানোর মাত্রার একটি তালিকা করেছে জার্মানির ফেডারেল অফিস অপর রেডিয়েশন প্রোটেকশন।

এ তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বিকিরণ ছড়ানো ফোনের তালিকায় রয়েছে- ওয়ান প্লাস আর হুয়াওয়ে। এর পরেই রয়েছে নকিয়ার ৬৩০ ফোন।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

আইফোন ৭ রয়েছে তালিকার ১০ নম্বরে। আইফোন ৮ রয়েছে তালিকার ১২ নম্বরে আর আইফোন ৭ প্লাস রয়েছে ১৫ নম্বরে। সনি এক্সপেরিয়া জেডএক্সওয়ান কমপ্যাক্ট রয়েছে তালিকার ১১ নম্বরে। জেডটিই অ্যাক্সন ৭ মিনি রয়েছে ১৩ নম্বরে আর ব্লাকবেরি ডিটিইকে৬০ রয়েছে ১৪ নম্বরে। যদিও বৈশ্বিকভাবে ফোনের বিকিরণের নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড নেই, তবে জার্মানিতে এ জন্য মানদণ্ড হচ্ছে- প্রতি কেজিতে শূন্য দশমিক ৬০ ওয়াট।

তালিকায় থাকা সব ফোনেই বিকিরণের মাত্রা এর দ্বিগুণ। ওয়ান প্লাস ৫টিতে এই মাত্রা ১ দশমিক ৬৮ ওয়াট। সবচেয়ে কম বিকিরণ ছড়ায় সনিএক্স পেরিয়া এম৫। এর পরেই রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট৮, এস৬এজ, গুগল পিক্সেল এক্সএল, স্যামসাং এস৮ আর এস৭এজ।

আপনার মোবাইল ফোনের বিকিরণ মাত্রা জানার জন্য ম্যানুয়াল পড়তে পারেন, কোম্পানির ওয়েবসাইটে যেতে পারেন বা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশনের ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারতে পারেন।

কীভাবে বিকিরণ থেকে বাঁচা যায়

ফোনে অ্যান্টেনার কাছে সবচেয়ে বেশি বিকিরণ ছড়ায়। আধুনিক ফোনগুলোয় ফোনের ভেতরে পেছনে এ অ্যান্টেনা বসানো থাকে।

বেশিরভাগ মানুষ ফোন ব্যবহার করার সময় অ্যান্টেনা মাথার উল্টো দিকে থাকে। কিন্তু মাথার যত কাছে এই অ্যান্টেনা থাকে, ততই ঝুঁকিও বাড়তে থাকে।

ধারণা করা হয়, মোবাইল ফোনের কাছাকাছি শরীরের যেসব কোষ থাকে, সেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর দূরের কোষ কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়? এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

•মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় কমানো।

•স্পিকার মুড বা হ্যান্ডস ফ্রি মুড দিয়ে ফোন ব্যবহার করা। ফলে মাথা থেকে ফোন দূরে থাকবে।

•মোবাইল ফোনের টাওয়ারের কাছাকাছি থাকা। কারণ ফোন যত দূরে থাকবে, সেটি ভালো সিগন্যাল পাওয়ার জন্য তত বেশি শক্তি ছড়াবে।

•কম বিকিরণ শক্তি ছড়ায়, এমন মোবাইল ফোন বেছে নেয়া।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সবচেয়ে বেশি আর কম বিকিরণ ছড়ানো মোবাইল ফোন

আপডেট সময় ০৬:৩৭:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

বিজ্ঞানীরা জানার চেষ্টা করেছেন, কোন ফোন থেকে কি মাত্রায় বিকিরণ ঘটছে? তারা একটি মাত্রাও নির্ধারণ করেছেন যে, একজন মানুষ তার শরীরে কতটা বিকিরণ গ্রহণ করতে পারে।

মোবাইল ফোনের কোম্পানি বা উৎপাদকভেদে একেকটি ফোনের বিকিরণের মাত্রা কম-বেশি হয়। ফোনের বাক্সের কাগজপত্রে বা অনলাইনে এসব তথ্য থাকলেও খুব কম গ্রাহকই সেগুলো পড়ে দেখেন। নতুন আর পুরনো ফোন মিলিয়ে বিকিরণ ছড়ানোর মাত্রার একটি তালিকা করেছে জার্মানির ফেডারেল অফিস অপর রেডিয়েশন প্রোটেকশন।

এ তালিকা অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি বিকিরণ ছড়ানো ফোনের তালিকায় রয়েছে- ওয়ান প্লাস আর হুয়াওয়ে। এর পরেই রয়েছে নকিয়ার ৬৩০ ফোন।-খবর বিবিসি অনলাইনের।

আইফোন ৭ রয়েছে তালিকার ১০ নম্বরে। আইফোন ৮ রয়েছে তালিকার ১২ নম্বরে আর আইফোন ৭ প্লাস রয়েছে ১৫ নম্বরে। সনি এক্সপেরিয়া জেডএক্সওয়ান কমপ্যাক্ট রয়েছে তালিকার ১১ নম্বরে। জেডটিই অ্যাক্সন ৭ মিনি রয়েছে ১৩ নম্বরে আর ব্লাকবেরি ডিটিইকে৬০ রয়েছে ১৪ নম্বরে। যদিও বৈশ্বিকভাবে ফোনের বিকিরণের নির্দিষ্ট কোনো মানদণ্ড নেই, তবে জার্মানিতে এ জন্য মানদণ্ড হচ্ছে- প্রতি কেজিতে শূন্য দশমিক ৬০ ওয়াট।

তালিকায় থাকা সব ফোনেই বিকিরণের মাত্রা এর দ্বিগুণ। ওয়ান প্লাস ৫টিতে এই মাত্রা ১ দশমিক ৬৮ ওয়াট। সবচেয়ে কম বিকিরণ ছড়ায় সনিএক্স পেরিয়া এম৫। এর পরেই রয়েছে স্যামসাং গ্যালাক্সি নোট৮, এস৬এজ, গুগল পিক্সেল এক্সএল, স্যামসাং এস৮ আর এস৭এজ।

আপনার মোবাইল ফোনের বিকিরণ মাত্রা জানার জন্য ম্যানুয়াল পড়তে পারেন, কোম্পানির ওয়েবসাইটে যেতে পারেন বা যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশন কমিশনের ওয়েবসাইটে ঢুঁ মারতে পারেন।

কীভাবে বিকিরণ থেকে বাঁচা যায়

ফোনে অ্যান্টেনার কাছে সবচেয়ে বেশি বিকিরণ ছড়ায়। আধুনিক ফোনগুলোয় ফোনের ভেতরে পেছনে এ অ্যান্টেনা বসানো থাকে।

বেশিরভাগ মানুষ ফোন ব্যবহার করার সময় অ্যান্টেনা মাথার উল্টো দিকে থাকে। কিন্তু মাথার যত কাছে এই অ্যান্টেনা থাকে, ততই ঝুঁকিও বাড়তে থাকে।

ধারণা করা হয়, মোবাইল ফোনের কাছাকাছি শরীরের যেসব কোষ থাকে, সেগুলো বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, আর দূরের কোষ কম ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কীভাবে ঝুঁকি কমানো যায়? এ বিষয়ে বিজ্ঞানীরা কিছু পরামর্শ দিয়েছেন।

•মোবাইল ফোন ব্যবহারের সময় কমানো।

•স্পিকার মুড বা হ্যান্ডস ফ্রি মুড দিয়ে ফোন ব্যবহার করা। ফলে মাথা থেকে ফোন দূরে থাকবে।

•মোবাইল ফোনের টাওয়ারের কাছাকাছি থাকা। কারণ ফোন যত দূরে থাকবে, সেটি ভালো সিগন্যাল পাওয়ার জন্য তত বেশি শক্তি ছড়াবে।

•কম বিকিরণ শক্তি ছড়ায়, এমন মোবাইল ফোন বেছে নেয়া।