ঢাকা ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাগেরহাটে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করলেন মামুনুল হক ক্ষমতায় গেলে ২০ হাজার কিলোমিটার খাল খনন হবে: তারেক রহমান বাংলাদেশের পরিবর্তনে গনভোটে হ্যাঁ ভোট জরুরি: সাখাওয়াত হোসেন পোস্টাল ভোট সফল করতে পারলে বাংলাদেশের নাম ওয়ার্ল্ড হিস্ট্রিতে থাকবে: সিইসি ঢাকায় ফ্ল্যাট পাচ্ছে ওসমান হাদির পরিবার ইসির আচরণ ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক : রিজভী নির্বাচনের আগেই লুট হওয়া অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে: প্রধান উপদেষ্টা ‘না’ ভোট দেওয়া মানেই স্বৈরাচারের পক্ষে দাঁড়ানো: শারমীন মুরশিদ নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার যেকোনো অপচেষ্টা মোকাবিলায় প্রশাসনকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে হবে : পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বস্তিবাসীদের জন্য উন্নত শিক্ষা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করা হবে: তারেক রহমান

জাপানে আইসিটি কর্মীদের কাজের সুযোগ

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, জাপান তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মী সংকটে ভুগছে। বাংলাদেশ এই সুযোগটা কাজে লাগাতে চায়।

রবিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল(বিসিসি) ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জাইকা) আয়োজিত বাংলাদেশ-জাপান আইসিটি ইঞ্জিনিয়ার্স ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণকালে পলক এ কথা বলেন।

পলক বলেন, আমরা ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান ও ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করার যে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছি। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমরা জাপানি বাজারের যুথোপযোক্ত সুযোগ গ্রহণ করতে চাই।

জাপানের রাষ্ট্রদূত ও জাইকার প্রতিনিধির কাছে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে জাপানি কোম্পানির বিনিয়োগ বাড়াতে একান্ত সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশন কর্তৃক পরিচালিত জরিপ অনুসারেই বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্য।

অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমা বলেন, জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সবসময়ই অনন্য। সেই সম্পর্কের সুত্র ধরে তেমনিভাবে এই বি-জেট প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যারা জাপানের আইটি খাতে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছে, তারাও জাপানের আইটি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রত্যকেই একেক জন জাপানি উন্নয়নের অগ্রদূত হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশে জাইকার প্রধান প্রতিনিধি টাকাটোসি নিশিকাটা বলেন, জাপান আগামী দিনগুলোতে আইটি প্রকৌশলীর চরম ঘাটতি অনুভব করবে। আমরা বাংলাদেশের মেধাবী তরুণদেরকে জাপানি বাজারের চাহিদামত সক্ষম করে তুলতে বিসিসি’র সাথে যৌথভাবে বি-জেট প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছি।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল(বিসিসি) এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য যে, বিসিসি ও জাইকা পরিচালিত ‘দ্যা প্রজেক্ট ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট অব আইটি ইঞ্জিনিয়ারস টার্গেটিং জাপানিজ মার্কেট’ প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণার্থীগণকে জাপানি ভাষা, জাপানি ব্যবসায়িক প্রথা ও আইটি ইঞ্জিনিয়ারস এক্সামিনিশেন(আইটিইই) এর মাধ্যমে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। পরবর্তীতে প্রশিক্ষণার্থীগণ জাপানের আইটি কোম্পানীগুলোতে ২ মাসের ইন্টার্ণশিপের সুযোগ ও চাকরির সুযোগ পায়।

প্রথম ব্যাচে অংশ নেয়া ২০ প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৩ জন জাপানের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি নিশ্চিত করেছেন। বাকিরাও বিভিন্ন কোম্পানিতে ইন্টার্ন করছে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিবছর ১২০ জনকে জাপানের বিভিন্ন আইটি কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার লক্ষ্যে জাইকার সহযোগিতায় বিসিসি এই প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

জাপানে আইসিটি কর্মীদের কাজের সুযোগ

আপডেট সময় ১০:১৪:১১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, জাপান তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মী সংকটে ভুগছে। বাংলাদেশ এই সুযোগটা কাজে লাগাতে চায়।

রবিবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল(বিসিসি) ও জাপান ইন্টারন্যাশনাল কো-অপারেশন (জাইকা) আয়োজিত বাংলাদেশ-জাপান আইসিটি ইঞ্জিনিয়ার্স ট্রেনিং প্রোগ্রামে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে সনদ বিতরণকালে পলক এ কথা বলেন।

পলক বলেন, আমরা ২০২১ সালের মধ্যে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ২০ লাখ তরুণ-তরুণীর কর্মসংস্থান ও ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করার যে লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করেছি। সেই লক্ষ্য অর্জনে আমরা জাপানি বাজারের যুথোপযোক্ত সুযোগ গ্রহণ করতে চাই।

জাপানের রাষ্ট্রদূত ও জাইকার প্রতিনিধির কাছে বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি খাতে জাপানি কোম্পানির বিনিয়োগ বাড়াতে একান্ত সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, জাপান এক্সটারনাল ট্রেড অর্গানাইজেশন কর্তৃক পরিচালিত জরিপ অনুসারেই বাংলাদেশ বিনিয়োগের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্য।

অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমা বলেন, জাপান-বাংলাদেশ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক সবসময়ই অনন্য। সেই সম্পর্কের সুত্র ধরে তেমনিভাবে এই বি-জেট প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যারা জাপানের আইটি খাতে কর্মসংস্থান নিশ্চিত করেছে, তারাও জাপানের আইটি খাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রত্যকেই একেক জন জাপানি উন্নয়নের অগ্রদূত হিসেবে ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশে জাইকার প্রধান প্রতিনিধি টাকাটোসি নিশিকাটা বলেন, জাপান আগামী দিনগুলোতে আইটি প্রকৌশলীর চরম ঘাটতি অনুভব করবে। আমরা বাংলাদেশের মেধাবী তরুণদেরকে জাপানি বাজারের চাহিদামত সক্ষম করে তুলতে বিসিসি’র সাথে যৌথভাবে বি-জেট প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছি।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল(বিসিসি) এর নির্বাহী পরিচালক স্বপন কুমার সরকারের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ করা হয়।

উল্লেখ্য যে, বিসিসি ও জাইকা পরিচালিত ‘দ্যা প্রজেক্ট ফর স্কিল ডেভেলপমেন্ট অব আইটি ইঞ্জিনিয়ারস টার্গেটিং জাপানিজ মার্কেট’ প্রকল্পের আওতায় পরিচালিত এই প্রশিক্ষণে প্রশিক্ষণার্থীগণকে জাপানি ভাষা, জাপানি ব্যবসায়িক প্রথা ও আইটি ইঞ্জিনিয়ারস এক্সামিনিশেন(আইটিইই) এর মাধ্যমে ৩ মাসের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়। পরবর্তীতে প্রশিক্ষণার্থীগণ জাপানের আইটি কোম্পানীগুলোতে ২ মাসের ইন্টার্ণশিপের সুযোগ ও চাকরির সুযোগ পায়।

প্রথম ব্যাচে অংশ নেয়া ২০ প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে ইতোমধ্যে ১৩ জন জাপানের বিভিন্ন কোম্পানিতে চাকরি নিশ্চিত করেছেন। বাকিরাও বিভিন্ন কোম্পানিতে ইন্টার্ন করছে। প্রকল্পের আওতায় প্রতিবছর ১২০ জনকে জাপানের বিভিন্ন আইটি কোম্পানিতে চাকরি দেয়ার লক্ষ্যে জাইকার সহযোগিতায় বিসিসি এই প্রশিক্ষণ বাস্তবায়ন করছে।