ঢাকা ০৭:১৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
টাকা খেয়ে ভোট দিলে নেতা এসে রাস্তা খেয়ে ফেলবে: আখতার হোসেন সুষ্ঠু নির্বাচনে জার্মানির সহায়তা চাইলেন জামায়াত আমির জাতীয় পতাকা হাতে প্যারাস্যুট জাম্প, গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বাংলাদেশ বরেণ্য লোকসংগীতশিল্পী ও মুক্তিযুদ্ধের কণ্ঠযোদ্ধা মলয় কুমার মারা গেছেন ভবিষ্যৎ অর্থনীতির শক্ত ভিত্তি গড়ার দায়িত্ব সরকারের : আশিক মাহমুদ গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে বিএনপি : নজরুল ইসলাম খান অবিলম্বে মার্কিন নাগরিকদের ইরান ত্যাগের নির্দেশ প্রতারণা করে অর্থ আদায়, ৫১ হাজার সিমসহ ৫ চীনা নাগরিক গ্রেপ্তার সংসদে আর নৃত্যগীত হবে না, মানুষের উন্নয়নের কথা বলা হবে: সালাহউদ্দিন আলোচনার মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে অনুরোধ আইসিসির, অনড় বিসিবি

গুগলে ২৪ লাখ ‘ভুলে যাওয়ার’ অনুরোধ ইউরোপীয়দের

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

‘রাইট টু বি ফরগটেন’ বা ‘ভুলে যাওয়ার অধিকারের’ দাবিতে ২০১৪ সাল থেকে প্রায় ২৪ লাখ ইউরোপের মানুষ গুগলকে তাদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ জানিয়েছে। গুগলের সর্বশেষ ট্র্যান্সপারেন্সি রিপোর্টে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, গুগল এসব অনুরোধের মধ্যে ৪৩.৩% মেনে নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ইন্টারনেট থেকে মুছে ফেলেছে।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) ২০১৪ সালে ‘রাইট টু বি ফরগটেন’ চালু করে। এরপর ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৪ লাখ ৩৭ হাজার দুইশো ৭১ বার বিভিন্ন তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ জানিয়েছে ইউরোপের মানুষ।

গুগল জানিয়েছে, তারা প্রায় ২০ লাখ অনুরোধ পরীক্ষা করে দেখেছে এবং ৪৩% বা প্রায় নয় লাখ তথ্য তাদের সার্চ রেজাল্ট থেকে মুছে দিয়েছে।

এসব অনুরোধের বেশিরভাগই এসেছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। তারা তাদের বিভিন্ন স্পর্শকাতর তথ্য, ছবি, ভিডিও, বাড়ির ঠিকানা ইত্যাদি গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে মুছে ফেলার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

কিন্তু, অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদও ‘ভুলে যাওয়ার অধিকারের’ অপব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। সেলিব্রেটিরা সার্চ রেজাল্ট থেকে তাদের বিভিন্ন তথ্য মুছে ফেলার জন্য ৪১,২১৩টি অনুরোধ জানিয়েছেন। রাজনীতিবিদরা এই অনুরোধ করেছেন ৩৩,৯৩৭ বার।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আইন অনুযায়ী গুগলসহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনকে কোনো ব্যক্তি তাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য মুছে ফেলার বৈধ অনুরোধ জানালে তারা তা মুছে ফেলতে বাধ্য।

ইউরোপের দেশগুলো এবং আর্জেন্টিনা ছাড়া অন্য কোনো দেশের অধিবাসীরা সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে তাদের তথ্য প্রদর্শন না করার অনুরোধ জানাতে পারে না।

ইউরোপে বিভিন্ন সার্চ রেজাল্ট অশোভন, অপর্যাপ্ত, অপ্রাসঙ্গিক বা বাহুল্য মনে হলে এবং জনগুরুত্বপূর্ণ না হলে ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিনগুলোর কর্মকর্তারা সেগুলো মুছে ফেলতে পারেন।

‘রাইট টু বি ফরগটেন’ বা গুগলের সার্চ রেজাল্ট থেকে তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ এতই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যে এটিকে ঘিরে ছোটখাট একটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে। সাড়ে তিন লাখেরও বেশি অনুরোধ এক হাজার আইনি ও খ্যাতি রক্ষণাবেক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসেছে বলে জানিয়েছে গুগল।

এসব অনুরোধের এক-তৃতীয়াংশ ছিল সামাজিক মাধ্যম থেকে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা ও এক-পঞ্চমাংশ ছিল মামলা সংক্রান্ত তথ্য মুছে ফেলার সঙ্গে সম্পর্কিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

গুগলে ২৪ লাখ ‘ভুলে যাওয়ার’ অনুরোধ ইউরোপীয়দের

আপডেট সময় ১০:২১:৫৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ মার্চ ২০১৮

আকাশ আইসিটি ডেস্ক: 

‘রাইট টু বি ফরগটেন’ বা ‘ভুলে যাওয়ার অধিকারের’ দাবিতে ২০১৪ সাল থেকে প্রায় ২৪ লাখ ইউরোপের মানুষ গুগলকে তাদের সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ জানিয়েছে। গুগলের সর্বশেষ ট্র্যান্সপারেন্সি রিপোর্টে এই তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

রিপোর্টে বলা হয়, গুগল এসব অনুরোধের মধ্যে ৪৩.৩% মেনে নিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ইন্টারনেট থেকে মুছে ফেলেছে।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ) ২০১৪ সালে ‘রাইট টু বি ফরগটেন’ চালু করে। এরপর ২০১৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত ২৪ লাখ ৩৭ হাজার দুইশো ৭১ বার বিভিন্ন তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ জানিয়েছে ইউরোপের মানুষ।

গুগল জানিয়েছে, তারা প্রায় ২০ লাখ অনুরোধ পরীক্ষা করে দেখেছে এবং ৪৩% বা প্রায় নয় লাখ তথ্য তাদের সার্চ রেজাল্ট থেকে মুছে দিয়েছে।

এসব অনুরোধের বেশিরভাগই এসেছে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে। তারা তাদের বিভিন্ন স্পর্শকাতর তথ্য, ছবি, ভিডিও, বাড়ির ঠিকানা ইত্যাদি গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে মুছে ফেলার অনুরোধ জানিয়েছিলেন।

কিন্তু, অনেক বিখ্যাত ব্যক্তি ও রাজনীতিবিদও ‘ভুলে যাওয়ার অধিকারের’ অপব্যবহার করতে চেয়েছিলেন। সেলিব্রেটিরা সার্চ রেজাল্ট থেকে তাদের বিভিন্ন তথ্য মুছে ফেলার জন্য ৪১,২১৩টি অনুরোধ জানিয়েছেন। রাজনীতিবিদরা এই অনুরোধ করেছেন ৩৩,৯৩৭ বার।

ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আইন অনুযায়ী গুগলসহ বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনকে কোনো ব্যক্তি তাদের সম্পর্কে কোনো তথ্য মুছে ফেলার বৈধ অনুরোধ জানালে তারা তা মুছে ফেলতে বাধ্য।

ইউরোপের দেশগুলো এবং আর্জেন্টিনা ছাড়া অন্য কোনো দেশের অধিবাসীরা সার্চ ইঞ্জিনগুলোকে তাদের তথ্য প্রদর্শন না করার অনুরোধ জানাতে পারে না।

ইউরোপে বিভিন্ন সার্চ রেজাল্ট অশোভন, অপর্যাপ্ত, অপ্রাসঙ্গিক বা বাহুল্য মনে হলে এবং জনগুরুত্বপূর্ণ না হলে ইন্টারনেট সার্চ ইঞ্জিনগুলোর কর্মকর্তারা সেগুলো মুছে ফেলতে পারেন।

‘রাইট টু বি ফরগটেন’ বা গুগলের সার্চ রেজাল্ট থেকে তথ্য মুছে ফেলার অনুরোধ এতই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, যে এটিকে ঘিরে ছোটখাট একটি ইন্ডাস্ট্রি গড়ে উঠেছে। সাড়ে তিন লাখেরও বেশি অনুরোধ এক হাজার আইনি ও খ্যাতি রক্ষণাবেক্ষণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এসেছে বলে জানিয়েছে গুগল।

এসব অনুরোধের এক-তৃতীয়াংশ ছিল সামাজিক মাধ্যম থেকে ব্যক্তিগত তথ্য মুছে ফেলা ও এক-পঞ্চমাংশ ছিল মামলা সংক্রান্ত তথ্য মুছে ফেলার সঙ্গে সম্পর্কিত।