ঢাকা ০৭:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

দশম সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ২৮৪ দিন

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেছেন, ‘দশম সংসদে এ পর্যন্ত কার্যদিবস হয়েছে ৩৪২টি। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন ২৮৪ দিন। আর বিল পাস হয়েছে ১৩১টি। অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ উপস্থিত ছিলেন ২০৪ দিন।’

সোমবার জাতীয় সংসদের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ।

ফিরোজ বলেন, ‘বিগত নবম সংসদের কার্যদিবস ছিল ৪১৮ দিন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন ৩৩৬ দিন। আর বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন মাত্র ১০ দিন।’

চার বছরে সংসদ অনেক অর্জন তুলে ধরে প্রধান হুইপ বলেন, ‘এ চার বছরে সংসদ অনেক অর্জন করেছে। জাতিকে অনেক কিছু দিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবেও এ সংসদ সমৃদ্ধ হয়েছে। আইপিইউ ও সিপিএ এর মতো দুটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমরা সিপিএ’র চেয়ারপারসন ও আইপিইউ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পেরেছি। অর্থাৎ বাংলাদেশে গণতন্ত্র ছিল, গণতন্ত্র আছে এবং গণতন্ত্র থাকবে বলে আমরা এ দুটি জায়গা থেকে সমর্থন পেয়েছি।’

ফিরোজ বলেন, ‘অথচ এ সংসদ নির্বাচনের পরে নিন্দুকেরা অনেক কিছু বলেছিল। তারা বলেছিল- ভোটারবিহীন সংসদ, এ সংসদে মানুষের অংশগ্রহণ ছিল না, জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই- এমন অনেক কথা বলেছিল। বিশ্বের কাছে তারা অনেক ধর্না দিয়েছে। এত কিছু পেরিয়ে আমরা সারা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করতে পেরেছি সেদিন যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচন না হত তাহলে হয়তো অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় আসতো। সেই জন্য নির্বাচনের পর সারাবিশ্ব আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।’

দশম সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এ সংসদে বিরোধী দল কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তারা শুধু বিরোধিতা করেনি। বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে। বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা যেমন সমালোচনা করেছে আমরাও সেরকম সমালোচনা করেছি।’

‘এ সংসদে আমাদের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে তারা সংসদে কথা বলছেন। তারা সরকারের কঠিন সমালোচনা করেছেন। আমরা তার জবাব দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রত্যেকটি কথার নোট নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।’

সংসদের কোরাম সংকট প্রসঙ্গে প্রধান হুইপ বলেন, ‘অনেকেই পত্রিকায় লিখেন সংসদে কোরাম হয় না। সংসদে কোরাম সবসময় থাকে। মন্ত্রীরা সবসময় এ সংসদের ভেতরে তাদের অফিসে থেকে এলাকার কাজ করেন। হয়তো সংসদে এমপি সাহেবরা কম, কিন্তু তারা লবিতে থাকেন। তারা মন্ত্রীর রুমে গিয়ে এলাকার কাজ করেন। এ সংসদে তারা অছেন, তারা ছিলেন এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি তারা আরও বেশি বেশি করে থাকবেন।’

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

দশম সংসদে প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি ২৮৪ দিন

আপডেট সময় ১০:৩৫:৪১ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৯ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ বলেছেন, ‘দশম সংসদে এ পর্যন্ত কার্যদিবস হয়েছে ৩৪২টি। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উপস্থিত ছিলেন ২৮৪ দিন। আর বিল পাস হয়েছে ১৩১টি। অন্যদিকে বিরোধী দলীয় নেতা বেগম রওশন এরশাদ উপস্থিত ছিলেন ২০৪ দিন।’

সোমবার জাতীয় সংসদের চার বছর পূর্তি উপলক্ষে সংসদে পয়েন্ট অব অর্ডারে এ তথ্য জানান চিফ হুইপ।

ফিরোজ বলেন, ‘বিগত নবম সংসদের কার্যদিবস ছিল ৪১৮ দিন। এর মধ্যে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত ছিলেন ৩৩৬ দিন। আর বিএনপির চেয়ারপারসন ছিলেন মাত্র ১০ দিন।’

চার বছরে সংসদ অনেক অর্জন তুলে ধরে প্রধান হুইপ বলেন, ‘এ চার বছরে সংসদ অনেক অর্জন করেছে। জাতিকে অনেক কিছু দিয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবেও এ সংসদ সমৃদ্ধ হয়েছে। আইপিইউ ও সিপিএ এর মতো দুটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে আমরা সিপিএ’র চেয়ারপারসন ও আইপিইউ এর প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে পেরেছি। অর্থাৎ বাংলাদেশে গণতন্ত্র ছিল, গণতন্ত্র আছে এবং গণতন্ত্র থাকবে বলে আমরা এ দুটি জায়গা থেকে সমর্থন পেয়েছি।’

ফিরোজ বলেন, ‘অথচ এ সংসদ নির্বাচনের পরে নিন্দুকেরা অনেক কিছু বলেছিল। তারা বলেছিল- ভোটারবিহীন সংসদ, এ সংসদে মানুষের অংশগ্রহণ ছিল না, জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারে নাই- এমন অনেক কথা বলেছিল। বিশ্বের কাছে তারা অনেক ধর্না দিয়েছে। এত কিছু পেরিয়ে আমরা সারা বিশ্বের কাছে প্রমাণ করতে পেরেছি সেদিন যদি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নির্বাচন না হত তাহলে হয়তো অসাংবিধানিক সরকার ক্ষমতায় আসতো। সেই জন্য নির্বাচনের পর সারাবিশ্ব আমাদের স্বীকৃতি দিয়েছে।’

দশম সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘এ সংসদে বিরোধী দল কার্যকর ভূমিকা পালন করছে। তারা শুধু বিরোধিতা করেনি। বিরোধী দল সরকারের গঠনমূলক সমালোচনা করে। বাজেট নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা যেমন সমালোচনা করেছে আমরাও সেরকম সমালোচনা করেছি।’

‘এ সংসদে আমাদের চেয়ে বেশি সময় নিয়ে তারা সংসদে কথা বলছেন। তারা সরকারের কঠিন সমালোচনা করেছেন। আমরা তার জবাব দিয়েছি। প্রধানমন্ত্রী তাদের প্রত্যেকটি কথার নোট নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন।’

সংসদের কোরাম সংকট প্রসঙ্গে প্রধান হুইপ বলেন, ‘অনেকেই পত্রিকায় লিখেন সংসদে কোরাম হয় না। সংসদে কোরাম সবসময় থাকে। মন্ত্রীরা সবসময় এ সংসদের ভেতরে তাদের অফিসে থেকে এলাকার কাজ করেন। হয়তো সংসদে এমপি সাহেবরা কম, কিন্তু তারা লবিতে থাকেন। তারা মন্ত্রীর রুমে গিয়ে এলাকার কাজ করেন। এ সংসদে তারা অছেন, তারা ছিলেন এবং আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি তারা আরও বেশি বেশি করে থাকবেন।’