ঢাকা ০৯:৪৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

মৃত্যুর আড়াই বছর পর বাবা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পেরিয়ে যাবার পর সম্প্রতি বাবা হলেন ভদ্রলোক। এই দীর্ঘ সময় পর একটি ফুটফুটে কন্যাশিশুর জন্ম দিলেন তারই বিধবা স্ত্রী! ঘটনার রাতে হাসপাতালে মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীর শুক্রাণু জিইয়ে রাখার অনুরোধ করেন স্ত্রী পেই জিয়া `সানি` লিউ। সেই শুক্রাণুতে জন্ম নিল মৃত পুলিশ কর্মকর্তার কন্যাশিশু।

নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ওয়েনজিয়ান লিউ দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে নিহত হন ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর। তিনি ছিলেন ফার্স্ট গ্রেড গোয়েন্দা কর্মকর্তা।এ শিশুর জন্মের সময় উপস্থিত ছিলেন সাহসী কর্মকর্তার বাবা-মা ওয়েই তাং লিউ এবং জিউ ইয়ান লিউ। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন সেখানে।ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন নামের এক বিশেষ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ করেন সানি। এ পদ্ধতিতে বাবার শুক্রাণু আর মায়ের ডিম্বাণুকে মায়ের দেহের বাইরে নিষিক্ত করা হয়। গবেষণাগারে সৃষ্ট এই ভ্রূণ থেকেই জন্ম নেয় শিশু।

বিধবা স্ত্রী মা হতে পেরে বেজায় খুশি। বলেন, আমি জানতাম মেয়ে হবে আমার। কিন্তু বন্ধুরা বলেছিল, তুমি তো সনোগ্রামস করোনি। কিন্তু আমিই ঠিক ভেবেছিলাম।ওয়েনজিয়ান আর সানি বিয়ের পর মাত্র কয়েক মাসের সংসার করেছেন। এরই মধ্যে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে গেল। নতুন বউ বিধবা হলেন। কিন্তু মৃত্যুর আগ মুহূর্তে সানির সিদ্ধান্তে শুক্রাণু রাখা হয় স্বামীর। সানি জানান, ওর মৃত্যুর কিছু দিন আগে থেকেই আমরা একটা সন্তানের কথা ভাবছিলাম।

নিউ ইয়র্কে বড় ধরনের সন্ত্রাস গ্রুপের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন লিউ এবং তার সহকর্মী রাফায়েল। এরা সাধারণত ব্রুকলিনের শহরতলিতে কাজ করতেন। কিন্তু বিশেষ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাদের।পুলিশ কমিশনার উইলিয়াম ব্রাটন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, গাড়িতে বসে থাকা অবস্থায় আততায়ী আসে এবং দুজনকে গুলি করে হত্যা করে। কোনো ধরনের হুমকি বা জানান না দিয়েই তাদের মেরে ফেলা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

শার্টের বুকে ‘কাপুর’ লিখে আলোচনায় আলিয়া ভাট

মৃত্যুর আড়াই বছর পর বাবা হলেন পুলিশ কর্মকর্তা

আপডেট সময় ০৮:৫৪:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

মৃত্যুর প্রায় আড়াই বছর পেরিয়ে যাবার পর সম্প্রতি বাবা হলেন ভদ্রলোক। এই দীর্ঘ সময় পর একটি ফুটফুটে কন্যাশিশুর জন্ম দিলেন তারই বিধবা স্ত্রী! ঘটনার রাতে হাসপাতালে মৃত্যুপথযাত্রী স্বামীর শুক্রাণু জিইয়ে রাখার অনুরোধ করেন স্ত্রী পেই জিয়া `সানি` লিউ। সেই শুক্রাণুতে জন্ম নিল মৃত পুলিশ কর্মকর্তার কন্যাশিশু।

নিউ ইয়র্ক পুলিশ ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা ওয়েনজিয়ান লিউ দায়িত্ব পালনকালে গুলিতে নিহত হন ২০১৪ সালের ২০ ডিসেম্বর। তিনি ছিলেন ফার্স্ট গ্রেড গোয়েন্দা কর্মকর্তা।এ শিশুর জন্মের সময় উপস্থিত ছিলেন সাহসী কর্মকর্তার বাবা-মা ওয়েই তাং লিউ এবং জিউ ইয়ান লিউ। নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগের অনেকেই উপস্থিত ছিলেন সেখানে।ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন নামের এক বিশেষ পদ্ধতিতে গর্ভধারণ করেন সানি। এ পদ্ধতিতে বাবার শুক্রাণু আর মায়ের ডিম্বাণুকে মায়ের দেহের বাইরে নিষিক্ত করা হয়। গবেষণাগারে সৃষ্ট এই ভ্রূণ থেকেই জন্ম নেয় শিশু।

বিধবা স্ত্রী মা হতে পেরে বেজায় খুশি। বলেন, আমি জানতাম মেয়ে হবে আমার। কিন্তু বন্ধুরা বলেছিল, তুমি তো সনোগ্রামস করোনি। কিন্তু আমিই ঠিক ভেবেছিলাম।ওয়েনজিয়ান আর সানি বিয়ের পর মাত্র কয়েক মাসের সংসার করেছেন। এরই মধ্যে এমন হৃদয়বিদারক ঘটনা ঘটে গেল। নতুন বউ বিধবা হলেন। কিন্তু মৃত্যুর আগ মুহূর্তে সানির সিদ্ধান্তে শুক্রাণু রাখা হয় স্বামীর। সানি জানান, ওর মৃত্যুর কিছু দিন আগে থেকেই আমরা একটা সন্তানের কথা ভাবছিলাম।

নিউ ইয়র্কে বড় ধরনের সন্ত্রাস গ্রুপের বিরুদ্ধে কাজ করতে গিয়ে গুলিতে নিহত হন লিউ এবং তার সহকর্মী রাফায়েল। এরা সাধারণত ব্রুকলিনের শহরতলিতে কাজ করতেন। কিন্তু বিশেষ কাজের দায়িত্ব দেওয়া হয় তাদের।পুলিশ কমিশনার উইলিয়াম ব্রাটন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছিলেন, গাড়িতে বসে থাকা অবস্থায় আততায়ী আসে এবং দুজনকে গুলি করে হত্যা করে। কোনো ধরনের হুমকি বা জানান না দিয়েই তাদের মেরে ফেলা হয়।