ঢাকা ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু, ওসিসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে পুলিশ আটক করে আবার ছেড়ে দেয়ার পর পোশাক শ্রমিক বিশ্বজিৎ সরকার নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম ফসিহুর রহমান, দুই পুলিশ কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান ও সুমন মিয়াসহ মোট ১২ জনকে আসামি করে আদালতে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।

ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর বৃহস্পতিবার বিকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ নালিতাবাড়ী উপজেলা আদালতে নিহতের ভাই নিত্যানন্দ সরকার সুব্রত এ মামলা করেন।

আদালতের বিচারক ঊর্ধ্বতন বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবীর মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই ময়মনসিংহকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন মুন্না আদালতে নালিতাবাড়ী থানার ওসি, এসআইসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি পিবিআই ময়মনসিংহকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার সময় আদালতে বাদীপক্ষকে আইনগত সহায়তা করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নু।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে নালিতাবাড়ী পুলিশের এএসআই আতিয়ার ও সুমন গাঁজা রাখার অভিযোগে বিশ্বজিৎকে আটক করেন। পরে এলাকাবাসী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অনুরোধে ওই যুবকের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে রাত সোয়া ১০টার দিকে ছেড়ে দেয়া হয়। বিশ্বজিৎ বাসায় যাওয়ার ঘণ্টাখানেক পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে রাত ১টার দিকে নালিতাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের মারধরে বিশ্বজিতের মৃত্যু হয়েছে এমন দাবি করে পরদিন তার লাশ নিয়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। সেসময় নালিতাবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ইটপাটকেল ছোঁড়ে ভাঙচুর করে বিক্ষোভকারীরা।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পোশাকশ্রমিকের মৃত্যু, ওসিসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আপডেট সময় ১২:২৯:৫০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে পুলিশ আটক করে আবার ছেড়ে দেয়ার পর পোশাক শ্রমিক বিশ্বজিৎ সরকার নামে এক যুবকের মৃত্যুর ঘটনায় ওই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একেএম ফসিহুর রহমান, দুই পুলিশ কর্মকর্তা আতিয়ার রহমান ও সুমন মিয়াসহ মোট ১২ জনকে আসামি করে আদালতে একটি হত্যা মামলা করা হয়েছে।

ঘটনার প্রায় আড়াই মাস পর বৃহস্পতিবার বিকালে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-২ নালিতাবাড়ী উপজেলা আদালতে নিহতের ভাই নিত্যানন্দ সরকার সুব্রত এ মামলা করেন।

আদালতের বিচারক ঊর্ধ্বতন বিচারিক হাকিম হুমায়ুন কবীর মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই ময়মনসিংহকে (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) ২৮ ফেব্রুয়ারি আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মমতাজ উদ্দিন মুন্না আদালতে নালিতাবাড়ী থানার ওসি, এসআইসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, ২৮ ফেব্রুয়ারি পিবিআই ময়মনসিংহকে ঘটনাটি তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। মামলার সময় আদালতে বাদীপক্ষকে আইনগত সহায়তা করেন বাংলাদেশ মানবাধিকার কমিশন, ময়মনসিংহ বিভাগের আঞ্চলিক সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট নজরুল ইসলাম চুন্নু।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১ অক্টোবর সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে নালিতাবাড়ী পুলিশের এএসআই আতিয়ার ও সুমন গাঁজা রাখার অভিযোগে বিশ্বজিৎকে আটক করেন। পরে এলাকাবাসী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের অনুরোধে ওই যুবকের কাছ থেকে মুচলেকা রেখে রাত সোয়া ১০টার দিকে ছেড়ে দেয়া হয়। বিশ্বজিৎ বাসায় যাওয়ার ঘণ্টাখানেক পর অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে তাকে রাত ১টার দিকে নালিতাবাড়ী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশের মারধরে বিশ্বজিতের মৃত্যু হয়েছে এমন দাবি করে পরদিন তার লাশ নিয়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। সেসময় নালিতাবাড়ী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ইটপাটকেল ছোঁড়ে ভাঙচুর করে বিক্ষোভকারীরা।