ঢাকা ০১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত মধ্যপ্রাচ্যের বিকল্প শ্রমবাজারের সন্ধানে সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে সরকারের : প্রধানমন্ত্রী ইরান যুদ্ধ প্রায় শেষের পথে: ট্রাম্প শিল্পে জ্বালানি দক্ষতায় ২০০ কোটি টাকার বিনিয়োগ মার্কিন নৌ অবরোধ পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর, দাবি সেন্টকমের তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে

স্কুলছাত্র ছেলের সামনেই বাবাকে গুলি করে হত্যা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের কলকাতার পার্কস্ট্রিট এলাকায় স্কুল পড়ুয়া ছেলে এয়মাসের সামনেই তার বাবাকে গুলি করে হত্যা করেছে ভোলা নামে এক ব্যক্তি। পার্কস্ট্রিটের একটা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী এয়মাস জানায়, বাবাকে আমার চোখের সামনেই গুলি করে মারল ভোলা আংকেল। আমি স্কুলের পোশাক পরেছি। বাবাই রোজ মোটরবাইকে করে আমায় স্কুলে পৌঁছে দিয়ে আসে।

সে জানায়, আজ সকালে ভোলা আংকেল এসে বাবাকে ডাকে। এ সময় বাবা চা খাচ্ছিল। চা খেতে খেতেই বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। তখন আমিও ঘরের বাইরে যাই। দেখি ভোলা আংকেলের সঙ্গে বাবার কথাকাটাকাটি হচ্ছে। সেখানে আমার ছোট পিসিও (নুসরত বেগম) ছিল। বারবার ভোলা আংকেল রেগেমেগে বাবার দিকে তেড়ে আসছে। এ সময় অন্যান্য লোকজনও আশপাশে ছিল। তারাও বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন ভোলা আংকেলকে।

এ সময় তিনি হঠাৎ একটা পিস্তল বের করল। পিসি তার হাত ধরে কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু তারই মাঝে পিসির হাত এক ঝটকায় সরিয়ে দিয়ে ভোলা আংকেল বাবার বুকে গুলি চালায়। বাবার শরীরটা একটা বড় গাছের মতো মাটিতে পড়ল বলে জানায় এয়মাস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

মগবাজারে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাস দুর্ঘটনায় ৮ শিক্ষার্থী আহত

স্কুলছাত্র ছেলের সামনেই বাবাকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ০১:৪০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের কলকাতার পার্কস্ট্রিট এলাকায় স্কুল পড়ুয়া ছেলে এয়মাসের সামনেই তার বাবাকে গুলি করে হত্যা করেছে ভোলা নামে এক ব্যক্তি। পার্কস্ট্রিটের একটা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী এয়মাস জানায়, বাবাকে আমার চোখের সামনেই গুলি করে মারল ভোলা আংকেল। আমি স্কুলের পোশাক পরেছি। বাবাই রোজ মোটরবাইকে করে আমায় স্কুলে পৌঁছে দিয়ে আসে।

সে জানায়, আজ সকালে ভোলা আংকেল এসে বাবাকে ডাকে। এ সময় বাবা চা খাচ্ছিল। চা খেতে খেতেই বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। তখন আমিও ঘরের বাইরে যাই। দেখি ভোলা আংকেলের সঙ্গে বাবার কথাকাটাকাটি হচ্ছে। সেখানে আমার ছোট পিসিও (নুসরত বেগম) ছিল। বারবার ভোলা আংকেল রেগেমেগে বাবার দিকে তেড়ে আসছে। এ সময় অন্যান্য লোকজনও আশপাশে ছিল। তারাও বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন ভোলা আংকেলকে।

এ সময় তিনি হঠাৎ একটা পিস্তল বের করল। পিসি তার হাত ধরে কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু তারই মাঝে পিসির হাত এক ঝটকায় সরিয়ে দিয়ে ভোলা আংকেল বাবার বুকে গুলি চালায়। বাবার শরীরটা একটা বড় গাছের মতো মাটিতে পড়ল বলে জানায় এয়মাস।