ঢাকা ০৩:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী ভাতার আওতায় এলেন আরও ১৭১ খেলোয়াড় তেলের দাম বিশ্ববাজারে দ্বিগুণ বাড়লেও আমরা সামান্য বাড়িয়েছি: জ্বালানি মন্ত্রী আইএমএফের চাপে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়নি: অর্থমন্ত্রী জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ মানুষের কাছে ‘মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা’: গোলাম পরওয়ার ইসরাইল বিজয় ছিনিয়ে আনতে জানে: ট্রাম্প মেরিন ড্রাইভে প্রাইভেটকারে আগুন, অল্পের জন্য রক্ষা পেলেন যাত্রীরা নেতানিয়াহুর প্ররোচনায় ইরানযুদ্ধে জড়িয়েছেন ট্রাম্প: কমলা হ্যারিস ১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর চাকরি পুনর্বহাল চেয়ে মতিঝিলে ৬ ইসলামী ব্যাংকের সাবেক কর্মীদের অবস্থান

স্কুলছাত্র ছেলের সামনেই বাবাকে গুলি করে হত্যা

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের কলকাতার পার্কস্ট্রিট এলাকায় স্কুল পড়ুয়া ছেলে এয়মাসের সামনেই তার বাবাকে গুলি করে হত্যা করেছে ভোলা নামে এক ব্যক্তি। পার্কস্ট্রিটের একটা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী এয়মাস জানায়, বাবাকে আমার চোখের সামনেই গুলি করে মারল ভোলা আংকেল। আমি স্কুলের পোশাক পরেছি। বাবাই রোজ মোটরবাইকে করে আমায় স্কুলে পৌঁছে দিয়ে আসে।

সে জানায়, আজ সকালে ভোলা আংকেল এসে বাবাকে ডাকে। এ সময় বাবা চা খাচ্ছিল। চা খেতে খেতেই বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। তখন আমিও ঘরের বাইরে যাই। দেখি ভোলা আংকেলের সঙ্গে বাবার কথাকাটাকাটি হচ্ছে। সেখানে আমার ছোট পিসিও (নুসরত বেগম) ছিল। বারবার ভোলা আংকেল রেগেমেগে বাবার দিকে তেড়ে আসছে। এ সময় অন্যান্য লোকজনও আশপাশে ছিল। তারাও বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন ভোলা আংকেলকে।

এ সময় তিনি হঠাৎ একটা পিস্তল বের করল। পিসি তার হাত ধরে কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু তারই মাঝে পিসির হাত এক ঝটকায় সরিয়ে দিয়ে ভোলা আংকেল বাবার বুকে গুলি চালায়। বাবার শরীরটা একটা বড় গাছের মতো মাটিতে পড়ল বলে জানায় এয়মাস।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

সরকার ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বাণিজ্যমন্ত্রী

স্কুলছাত্র ছেলের সামনেই বাবাকে গুলি করে হত্যা

আপডেট সময় ০১:৪০:১৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ জানুয়ারী ২০১৮

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

ভারতের কলকাতার পার্কস্ট্রিট এলাকায় স্কুল পড়ুয়া ছেলে এয়মাসের সামনেই তার বাবাকে গুলি করে হত্যা করেছে ভোলা নামে এক ব্যক্তি। পার্কস্ট্রিটের একটা ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী এয়মাস জানায়, বাবাকে আমার চোখের সামনেই গুলি করে মারল ভোলা আংকেল। আমি স্কুলের পোশাক পরেছি। বাবাই রোজ মোটরবাইকে করে আমায় স্কুলে পৌঁছে দিয়ে আসে।

সে জানায়, আজ সকালে ভোলা আংকেল এসে বাবাকে ডাকে। এ সময় বাবা চা খাচ্ছিল। চা খেতে খেতেই বাবা ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। তখন আমিও ঘরের বাইরে যাই। দেখি ভোলা আংকেলের সঙ্গে বাবার কথাকাটাকাটি হচ্ছে। সেখানে আমার ছোট পিসিও (নুসরত বেগম) ছিল। বারবার ভোলা আংকেল রেগেমেগে বাবার দিকে তেড়ে আসছে। এ সময় অন্যান্য লোকজনও আশপাশে ছিল। তারাও বোঝানোর চেষ্টা করছিলেন ভোলা আংকেলকে।

এ সময় তিনি হঠাৎ একটা পিস্তল বের করল। পিসি তার হাত ধরে কিছু বোঝানোর চেষ্টা করছিল। কিন্তু তারই মাঝে পিসির হাত এক ঝটকায় সরিয়ে দিয়ে ভোলা আংকেল বাবার বুকে গুলি চালায়। বাবার শরীরটা একটা বড় গাছের মতো মাটিতে পড়ল বলে জানায় এয়মাস।