অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
ফেল করা ছাত্রকে আগে বই না দেয়ায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া উপজেলার গোয়াল গাঙ্গাইল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র নাঈমের অভিভাবক ক্ষিপ্ত হয়ে তানিয়া আক্তার নামে এক সহকারী শিক্ষককে মারধর করেছে। মঙ্গলবার সকালে এ ঘটনার পর আখাউড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুজ্জামান এবং ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার ওই স্কুলে যান এবং ঘটনার খোঁজ খবর নেন।
এ ঘটনায় বুধবার উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির নেতাদের নিয়ে স্থানীয়ভাবে বিষয়টি আপস মীমাংসায় বসা হলে অভিযুক্ত অভিভাবক ছাত্রের মা বিলকিছ বেগম ও নাঈমের বড় বোন সুমি আক্তার ওই শিক্ষক ও সমাজের কাছে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়ে রক্ষা পায়।
উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষক সমিতির সভাপতি মৌসুমী আক্তার জানান, প্রতিবছর ফেল করা ছাত্রদের পরে নতুন বই দেয়া হয়। রেগুলার পাস করা শিক্ষার্থীদের হাতে আগে বই তুলে দেয়া হয়। তিনি বলেন, ওই বিদ্যালয়ের ছাত্র নাঈম এ বছর ৪র্থ শ্রেণিতে ফেল করায় তাকে আগে বই দেয়া হয়নি। তার মা বিলকিছ বেগম এবং নাঈমের বড় বোন সুমি আক্তার মঙ্গলবার সকালে স্কুলে যায় এবং নাঈমকে বই না দেয়ার ব্যাপারে শিক্ষককের কাছে কৈফিয়ত তলব করে। এক পর্যায়ে মা-মেয়ে ক্ষিপ্ত হয়ে ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তানিয়ার ওপর হামলা চালায় এবং মারধর করে। পরে সহকর্মী এবং স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ শামসুজ্জামান বলেন, বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আপস-মীমাংসা করার জন্য স্থানীয় চেয়ারম্যানসহ গণ্যমান্যরা অনুরোধ করায় আইনি প্রক্রিয়ায় না গিয়ে তাদের কাছে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। ভিকটিমের কোন অভিযোগ না থাকলে আমার কিছু বলার নেই। তবে এ ধরনের আচরণ কাম্য নয়।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























