ঢাকা ১১:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ির মালিক সৌদি যুবরাজ

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ির মালিক সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। দুই বছর আগে বাড়িটি কিনেছিলেন তিনি। তবে এতোদিন ক্রেতার নাম জানা না গেলেও রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বছর আগে ফ্রান্সের ‘শ্যাটো লুইস ফোরটিন’ নামের বাড়িটি ৩০ কোটি ডলারে (প্রায় ২৪০০ কোটি টাকায়) বিক্রি হয়েছিল। তখন ফরচুন ম্যাগাজিন একে বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ি হিসেবে আখ্যা দেয়।

নিউইয়র্ক টাইমস দাবি করেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানই এর ক্রেতা। একে সৌদি যুবরাজের অসংযত ক্রয়গুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। ৫০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ইয়ট এবং ভিঞ্চির আঁকা ৪৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চিত্রশিল্প ক্রয় নিয়ে সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে বিতর্ক রয়েছে।

দেশের ভেতরে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে নিজের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করে বিদেশে বিলাসিতা করছেন বলে উল্লেখ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

সপ্তদশ শতকে নির্মিত প্রাসাদটিতে একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তির মিশেলে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এখানে রয়েছে মদপানের কক্ষ, মুভি থিয়েটার, পানির নিচে স্বচ্ছ চেম্বারসহ নানা বিনোদনমূলক ব্যবস্থা। এর ঝরনা, সাউন্ড সিস্টেম, লাইট এবং নিঃশব্দের এয়ার কন্ডিশনারগুলো আইফোনের মাধ্যমে দূর নিয়ন্ত্রিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ির মালিক সৌদি যুবরাজ

আপডেট সময় ১২:৩৪:২৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ির মালিক সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। দুই বছর আগে বাড়িটি কিনেছিলেন তিনি। তবে এতোদিন ক্রেতার নাম জানা না গেলেও রোববার মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস এ খবর প্রকাশ করে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, দুই বছর আগে ফ্রান্সের ‘শ্যাটো লুইস ফোরটিন’ নামের বাড়িটি ৩০ কোটি ডলারে (প্রায় ২৪০০ কোটি টাকায়) বিক্রি হয়েছিল। তখন ফরচুন ম্যাগাজিন একে বিশ্বের সবচেয়ে দামি বাড়ি হিসেবে আখ্যা দেয়।

নিউইয়র্ক টাইমস দাবি করেছে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানই এর ক্রেতা। একে সৌদি যুবরাজের অসংযত ক্রয়গুলোর একটি বলে উল্লেখ করেছে নিউ ইয়র্ক টাইমস। ৫০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ইয়ট এবং ভিঞ্চির আঁকা ৪৫০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের চিত্রশিল্প ক্রয় নিয়ে সৌদি যুবরাজের বিরুদ্ধে বিতর্ক রয়েছে।

দেশের ভেতরে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চালানোর মধ্য দিয়ে নিজের ভাবমূর্তি স্বচ্ছ করে বিদেশে বিলাসিতা করছেন বলে উল্লেখ করেছে নিউইয়র্ক টাইমস।

সপ্তদশ শতকে নির্মিত প্রাসাদটিতে একবিংশ শতাব্দীর প্রযুক্তির মিশেলে আধুনিকায়ন করা হয়েছে। এখানে রয়েছে মদপানের কক্ষ, মুভি থিয়েটার, পানির নিচে স্বচ্ছ চেম্বারসহ নানা বিনোদনমূলক ব্যবস্থা। এর ঝরনা, সাউন্ড সিস্টেম, লাইট এবং নিঃশব্দের এয়ার কন্ডিশনারগুলো আইফোনের মাধ্যমে দূর নিয়ন্ত্রিত।