অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:
রাজশাহীর গোদাগাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী-বিএসএফের গুলিতে নিহত গরুর রাখাল নাশরাফ হোসেন ওরফে আবুর (২৯) লাশ সোমবার বিকাল পর্যন্ত ফেরত দেয়া হয়নি। বিজিবি বলছে, আবু লাশ ফেরত পেতে তারা বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রেখেছে। নিহত আবু গোদাগাড়ী উপজেলার সীমান্তবর্তী চর আষাড়িয়াদহ ইউনিয়নের চরভুবনপাড়া গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে। একই দিন বিএসএফের গুলিতে মারা গেছেন তার চাচাতো ভাই এশারুল ইসলাম ওরফে মিঠুও (৩০)। মিঠুর বাবার নাম আলাল উদ্দিন।
শনিবার দিবাগত গভীর রাতে আবু ও মিঠুসহ আরও কয়েকজন গরুর রাখাল ডিএমসি সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া কেটে ভারত থেকে বাংলাদেশের ভেতরে গরু ঢোকানোর চেষ্টা করছিলেন। এ সময় ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুর্শিদাবাদ জেলার বরমতপুর ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা গুলিবর্ষণ করে।
গুলিতে কাটাতারের বেড়ার কাছেই মারা যান আবু। তবে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় মিঠু বাংলাদেশের ভেতরে পালিয়ে আসেন। পরে তার মৃত্যু হয়। এরপর নিহত মিঠুর লাশ তার সহযোগীরা বাড়িতে নিয়ে আসেন। তবে আবুর লাশ নিয়ে যায় বিএসএফ। সোমবার বিকাল পর্যন্ত তার লাশ ফেরত দেয়া হয়নি।
ডিমসি সীমান্ত ফাঁড়ির কোম্পানি কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফরিদ আহমেদ দৈনিক আকাশকে জানান, রবিবার এ নিয়ে সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের অধিনায়ক পর্যায়ে পতাকা বৈঠকও হয়েছে। কিন্তু সোমবার বিকাল পর্যন্ত বিএসএফ লাশ ফেরত দেয়নি। তবে তারা লাশটি ফেরত দিতে চেয়েছে।
গোদাগাড়ী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হিপজুর আলম মুন্সি দৈনিক আকাশকে জানান, নিহত মিঠুর লাশ তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। পরে সোমবার সকালে লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ নিয়ে পুলিশ আইনগত ব্যবস্থা নিচ্ছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 
























