ঢাকা ০৮:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী ইসরায়েলের সঙ্গে প্রতিরক্ষা চুক্তি স্থগিত করল ইতালি ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে রাজনৈতিক বিবেচনা বা অনিয়মের সুযোগ নেই: আইনমন্ত্রী ‘খেলাধুলার মাধ্যমে দেশপ্রেম ও ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করতে হবে’ সিকেডি হাসপাতালে চাঁদা দাবি: প্রধান আসামি মঈনসহ ৩ জন তিনদিনের রিমান্ডে স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নে বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানো হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই বিশেষ অভিযান শুরু হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইরানের বন্দর অবরোধ বিপজ্জনক পদক্ষেপ: চীন কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী ২ কোটি ৭৫ লাখ কৃষককে দেওয়া হবে ‘কৃষক কার্ড’: প্রধানমন্ত্রী

বগুড়ায় মামলা তুলে না নেওয়ায় সাক্ষীকে হত্যা

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বগুড়ার গাবতলীতে মামলা তুলে না নেওয়ায় আবু বক্কর সিদ্দিক নামে এক সাক্ষীকে মাথায় আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছে। পুলিশ হত্যায় জড়িত থাকায় চারজনকে হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা মধ্যপাড়ায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

গাবতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসা সরকার এ তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, নিহত সাবেক এনজিও কর্মী আবু বক্কর সিদ্দিক গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা মধ্যপাড়ার আবদুস সাত্তারের ছেলে।

একই গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে আতাউর রহমানের সঙ্গে প্রতিবেশী বুলু প্রামাণিকের ছেলে মন্টু, বাবুল ও মামুনের দীর্ঘদিন ধরে জমি ও বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। প্রায় দেড় বছর আগে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হলে এরশাদ নামে একজন আহত হন। এরশাদের ভাই আতাউর রহমান এ ব্যাপারে গাবতলী থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। মামলায় আবু বক্কর সিদ্দিক প্রধান সাক্ষী ছিলেন। এ মামলাটি তুলে নিতে আসামিরা তাকে (সিদ্দিক) হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল।

সোমবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর প্রতিপক্ষরা মামলার বাদী আতাউর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়। এ খবর পেয়ে স্থানীয় বুরুজ বাজারে দোকান থেকে সাক্ষী আবু বক্কর সিদ্দিক ও বাদী আতাউর রহমান মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে রওনা দেন। পথে আসামিরা চলন্ত মোটরসাইকেলের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি বা রড দিয়ে সিদ্দিকের মাথায় আঘাত করে। এতে মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আটজন আহত হয়।

সিদ্দিক পক্ষের জেমি বেগম, শিফা খাতুন, বৃষ্টি খাতুন ও তাদের বাবা আতাউর রহমান আহত হন। তাদের গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া হামলাকারী পক্ষের আহত চারজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

তারেক রহমান সবসময় গ্রামীণ জনপদ ও কৃষকের উন্নয়ন নিয়ে ভাবেন : রিজভী

বগুড়ায় মামলা তুলে না নেওয়ায় সাক্ষীকে হত্যা

আপডেট সময় ১০:২৫:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক : 

বগুড়ার গাবতলীতে মামলা তুলে না নেওয়ায় আবু বক্কর সিদ্দিক নামে এক সাক্ষীকে মাথায় আঘাতে হত্যা করা হয়েছে। এ সময় সংঘর্ষে দুপক্ষের অন্তত আটজন আহত হয়েছে। পুলিশ হত্যায় জড়িত থাকায় চারজনকে হাসপাতাল থেকে গ্রেফতার করেছে।

মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) বিকাল পর্যন্ত এ ব্যাপারে মামলা হয়নি। সোমবার সন্ধ্যায় উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা মধ্যপাড়ায় এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

গাবতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবু মুসা সরকার এ তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ জানায়, নিহত সাবেক এনজিও কর্মী আবু বক্কর সিদ্দিক গাবতলী উপজেলার নেপালতলী ইউনিয়নের জাতহলিদা মধ্যপাড়ার আবদুস সাত্তারের ছেলে।

একই গ্রামের আজিজার রহমানের ছেলে আতাউর রহমানের সঙ্গে প্রতিবেশী বুলু প্রামাণিকের ছেলে মন্টু, বাবুল ও মামুনের দীর্ঘদিন ধরে জমি ও বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছে। প্রায় দেড় বছর আগে এ নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে মারামারি হলে এরশাদ নামে একজন আহত হন। এরশাদের ভাই আতাউর রহমান এ ব্যাপারে গাবতলী থানায় হামলাকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলাটি আদালতে বিচারাধীন। মামলায় আবু বক্কর সিদ্দিক প্রধান সাক্ষী ছিলেন। এ মামলাটি তুলে নিতে আসামিরা তাকে (সিদ্দিক) হত্যার হুমকি দিয়ে আসছিল।

সোমবার সন্ধ্যায় মাগরিবের নামাজের পর প্রতিপক্ষরা মামলার বাদী আতাউর রহমানের বাড়িতে হামলা চালায়। এ খবর পেয়ে স্থানীয় বুরুজ বাজারে দোকান থেকে সাক্ষী আবু বক্কর সিদ্দিক ও বাদী আতাউর রহমান মোটরসাইকেলে বাড়ির দিকে রওনা দেন। পথে আসামিরা চলন্ত মোটরসাইকেলের ওপর হামলা চালায়। তারা লাঠি বা রড দিয়ে সিদ্দিকের মাথায় আঘাত করে। এতে মাথা ফেটে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ সময় দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে আটজন আহত হয়।

সিদ্দিক পক্ষের জেমি বেগম, শিফা খাতুন, বৃষ্টি খাতুন ও তাদের বাবা আতাউর রহমান আহত হন। তাদের গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া হামলাকারী পক্ষের আহত চারজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।