ঢাকা ০৭:০২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

এক লিটার পানি দিয়ে ৫০০ কি.মি. চলে এই বাইক!

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

অবিশ্বাস্য এক বাইক আবিস্কার করেছেন ব্রাজিলের পাবলিক অফিসার রিকার্দো আজাভেদো। মাত্র ১ লিটার পানি দিয়ে ৫০০ কিমি পাড়ি দিতে পারে এই পানি-চালিত মোটরবাইক। আরো উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই বাইক চালাতে কোনো বিশেষ ধরনের পানিরও প্রয়োজন হয় না। একেবারে সাধারণ পানিই বাইকের জ্বালানি।

এর ইঞ্জিন গঠিত প্রধানত দু’টি অংশ নিয়ে- ওয়াটার ট্যাঙ্ক, অপরটি ব্যাটারি। ব্যাটারির ইলেকট্রিসিটি জলের হাইড্রোজেন মলিকিউলগুলিকে বিশ্লিষ্ট করে দেয়। তারপর একটি পাইপের মাধ্যমে সেই হাইড্রোজেন প্রবাহিত হয় ইঞ্জিনে। এই হাইড্রোজেনই বাইককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপযোগী শক্তি উৎপাদন করে।

রিকার্দোর তৈরি করা এই বাইক সব দিক থেকেই পরিবেশবান্ধব। একে তো এই বাইকে কোনো রকম খনিজ তেল খরচ হওয়ার ভয় নেই। পাশাপাশি এই বাইক কোনো রকম ধোঁওয়াও উৎপাদন করে না। ফলে পরিবেশ থাকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

এক লিটার পানি দিয়ে ৫০০ কি.মি. চলে এই বাইক!

আপডেট সময় ১১:১৫:১৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৭

আকাশ আইসিটি ডেস্ক:

অবিশ্বাস্য এক বাইক আবিস্কার করেছেন ব্রাজিলের পাবলিক অফিসার রিকার্দো আজাভেদো। মাত্র ১ লিটার পানি দিয়ে ৫০০ কিমি পাড়ি দিতে পারে এই পানি-চালিত মোটরবাইক। আরো উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই বাইক চালাতে কোনো বিশেষ ধরনের পানিরও প্রয়োজন হয় না। একেবারে সাধারণ পানিই বাইকের জ্বালানি।

এর ইঞ্জিন গঠিত প্রধানত দু’টি অংশ নিয়ে- ওয়াটার ট্যাঙ্ক, অপরটি ব্যাটারি। ব্যাটারির ইলেকট্রিসিটি জলের হাইড্রোজেন মলিকিউলগুলিকে বিশ্লিষ্ট করে দেয়। তারপর একটি পাইপের মাধ্যমে সেই হাইড্রোজেন প্রবাহিত হয় ইঞ্জিনে। এই হাইড্রোজেনই বাইককে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উপযোগী শক্তি উৎপাদন করে।

রিকার্দোর তৈরি করা এই বাইক সব দিক থেকেই পরিবেশবান্ধব। একে তো এই বাইকে কোনো রকম খনিজ তেল খরচ হওয়ার ভয় নেই। পাশাপাশি এই বাইক কোনো রকম ধোঁওয়াও উৎপাদন করে না। ফলে পরিবেশ থাকে সম্পূর্ণ সুরক্ষিত।