ঢাকা ১০:৫১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন: মোশাররফ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে বিএনপির দাবি পূরণ না হলে ২০১৩-১৪ সালের মতো আবার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন। নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকলে নির্বাচনে না যেতে ২০ দলের বৈঠকে সিদ্ধান্তের পর এমন হুঁশিয়ারি দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটউশন মিলনায়তনে এক আলোচনায় সভায় এই হুঁশিয়ারি দেন মোশাররফ। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে এ আলোচনার আয়োজন করে বিএনপির যুব বিষয়ক সংগঠন যুবদল।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমাদের নেত্রী আগামী নির্বাচনের আগে উপযুক্ত সময়ে সহায়ক সরকারের রূপরেখা দিবেন। আমার সেই রূপরেখার আলোকে নির্বাচন করার জন্য সরকারকে আহ্বান জানাব। কিন্তু সরকার যদি তা না মেনে আবারও প্রতারণার নির্বাচন করে চায় তাহলে জনগণ তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য রাজপথে নেমে তা প্রতিহত করবে।’

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি। সেই দাবি পূরণ না হলেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি দলের নেতা-কর্মীরা এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন, দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তদবিরও করছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সরকারি দলের নেতারা বলে আসছেন, বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবেই। তবে গত ১৫ নভেম্বর জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জানান, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাবেন না তারা। পরে শরিক দলের নেতারা একই সুরে কথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ মনে করেন ২০১৪ সালে সরকার তাদের বিরোধিতার মুখেও নির্বাচন করলেও এবার আর পারবে না। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরার পর যে জনস্রোত শুরু হয়েছে তা কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না।

মোশাররফ বলেন, ‘পানির স্রোতকে যেমন বাধ দিয়ে বন্ধ করে রাখা যায় না, ঠিক তেমনিভাবে বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফেরার পরে যে জনস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে কোনোভাবেই আটকিয়ে রাখা যাবে না।’

যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুল আলম নিরবের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলু, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুব দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, যুবদল উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান প্রমুখ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে দাবি পূরণ না হলে আন্দোলন: মোশাররফ

আপডেট সময় ০৪:২৭:৫৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নির্বাচনকালীন সরকারের বিষয়ে বিএনপির দাবি পূরণ না হলে ২০১৩-১৪ সালের মতো আবার আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন বিএনপি নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন। নির্বাচনকালীন সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা থাকলে নির্বাচনে না যেতে ২০ দলের বৈঠকে সিদ্ধান্তের পর এমন হুঁশিয়ারি দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির এই সদস্য।

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটউশন মিলনায়তনে এক আলোচনায় সভায় এই হুঁশিয়ারি দেন মোশাররফ। বিএনপির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ৫৩ তম জন্মদিন উপলক্ষে এ আলোচনার আয়োজন করে বিএনপির যুব বিষয়ক সংগঠন যুবদল।

বিএনপি নেতা বলেন, ‘আমাদের নেত্রী আগামী নির্বাচনের আগে উপযুক্ত সময়ে সহায়ক সরকারের রূপরেখা দিবেন। আমার সেই রূপরেখার আলোকে নির্বাচন করার জন্য সরকারকে আহ্বান জানাব। কিন্তু সরকার যদি তা না মেনে আবারও প্রতারণার নির্বাচন করে চায় তাহলে জনগণ তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য রাজপথে নেমে তা প্রতিহত করবে।’

নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দাবি পূরণ না হওয়ায় ২০১৪ সালের দশম সংসদ নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি। সেই দাবি পূরণ না হলেও আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্প্রতি দলের নেতা-কর্মীরা এলাকায় সক্রিয় হয়েছেন। সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিয়মিত এলাকায় যাচ্ছেন, দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে তদবিরও করছেন।

এমন পরিস্থিতিতে সরকারি দলের নেতারা বলে আসছেন, বিএনপি আগামী নির্বাচনে আসবেই। তবে গত ১৫ নভেম্বর জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া জানান, শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে যাবেন না তারা। পরে শরিক দলের নেতারা একই সুরে কথা বলেন।

খন্দকার মোশাররফ মনে করেন ২০১৪ সালে সরকার তাদের বিরোধিতার মুখেও নির্বাচন করলেও এবার আর পারবে না। তিনি বলেন, বেগম খালেদা জিয়া যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরার পর যে জনস্রোত শুরু হয়েছে তা কোনোভাবেই বন্ধ করা যাবে না।

মোশাররফ বলেন, ‘পানির স্রোতকে যেমন বাধ দিয়ে বন্ধ করে রাখা যায় না, ঠিক তেমনিভাবে বেগম খালেদা জিয়া দেশে ফেরার পরে যে জনস্রোতের সৃষ্টি হয়েছে তাকে কোনোভাবেই আটকিয়ে রাখা যাবে না।’

যুবদল কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি সাইফুল আলম নিরবের সভাপতিত্বে আলোচনায় আরও বক্তব্য রাখেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকতুল্লাহ বুলু, দলের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, যুব দলের সাধারণ সম্পাদক সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, যুবদল উত্তরের সাংগঠনিক সম্পাদক মামুন হাসান প্রমুখ।