ঢাকা ০৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১২ জানুয়ারী ২০২৬, ২৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট বনশ্রীতে স্কুলছাত্রী খুন,পুলিশের সন্দেহের তালিকায় পলাতক রেস্তোরাঁ কর্মী স্বৈরাচারের লোকেরা নির্বাচন ভণ্ডুলের চেষ্টা করবে: ড. মুহাম্মদ ইউনূস গাজীপুরে নবজাতকের লাশ নিয়ে কুকুরের টানাহ্যাঁচড়া, উদ্ধার করল পুলিশ ধর্মকে পুঁজি করে মানুষকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে, ধোঁকা দেওয়া হচ্ছে : খায়রুল কবির খোকন দলে বড় নাম থাকলেও জেতার জন্য সবাইকে আরও দায়িত্ব নিতে হবে: সোহান ২৫ জন বাংলাদেশিকে ক্ষমা করল আমিরাত দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায়

গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষে কি হতে পারে পৃথিবীর

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আমাদের এই পৃথিবীর উপর আছড়ে পড়তে পারে বিশাল গ্রহাণু, এমন কথা অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন, সত্যিই যদি তেমন কিছু ঘটে তবে সেদিন কি পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে? সবাই মারা যাবে? নানা জনে নানা ভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

নতুন এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বলা হয়েছে, বড় আকারের কোন গ্রহাণুও যদি এই পৃথিবীতে এসে পড়ে, তারপরেও পৃথিবীর সব প্রাণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবার সম্ভাবনা নেই। এমনকি, অন্য কোন গ্রহের সাথে যদি এই পৃথিবীর সংঘর্ষও হয়, তারপরেও সব ধরনের প্রাণ পুরোপুরি হারিয়ে যাবে না।

অক্সফোর্ড এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একসাথে এই গবেষণাটি চালিয়েছেন। তারা বলেছেন, এরকম পরিস্থিতিতে আণুবীক্ষণিক ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কিছু প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে। সাড়ে ছয় কোটি বছর আগের এ রকম এক ঘটনায় পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিলো অতিকায় এক প্রাণী ডায়নোসর।

বলা হয়, পৃথিবীর ইতিহাসে এ ছিলো এক নাটকীয় ঘটনা। কারণ একটা সময় ছিলো এই প্রাণীটিই পৃথিবীতে রাজত্ব করেছে প্রায় ১৫ কোটি বছর ধরে। কিন্তু এই প্রাণীটির অস্তিত্বও ওই গ্রহাণুর আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে।

এই গবেষণার সাথে জড়িত বিজ্ঞানীরা বলছেন, টারডিগ্রেইডস নামে পরিচিত একটি প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে যারা যে কোনো ধরনের তেজস্ক্রিয় বিস্ফোরণের সাথেও খাপ খাইয়ে নিতে পারে। গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষে সবাই নিশ্চিহ্ন হলেও অর্থাত্ প্রলয় ঘটলেও এই টারডিগ্রেইডসদের কিছু হবে না। এরা বেঁচে থাকতে পারে মহাকাশের বিশাল শূন্যতার ভেতরেও। শুধু উচ্চ তাপমাত্রা নয়, এমনকি মাইনাস বিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যেও বহু বহু বছরেও তাদের মৃত্যু হয় না।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, মৃত্যু বা বিনাশকে জয় করতে পারে এরকম প্রাণী আমাদের সৌরজগতের অন্য কোথাও হয়তো আরো ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির পাল্টা জবাব দিলেন কিউবার প্রেসিডেন্ট

গ্রহাণুর সঙ্গে সংঘর্ষে কি হতে পারে পৃথিবীর

আপডেট সময় ০৭:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ জুলাই ২০১৭

অাকাশ আইসিটি ডেস্ক:

আমাদের এই পৃথিবীর উপর আছড়ে পড়তে পারে বিশাল গ্রহাণু, এমন কথা অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। অনেকের মনে প্রশ্ন, সত্যিই যদি তেমন কিছু ঘটে তবে সেদিন কি পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাবে? সবাই মারা যাবে? নানা জনে নানা ভাবে এই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন।

নতুন এক বৈজ্ঞানিক গবেষণায় বলা হয়েছে, বড় আকারের কোন গ্রহাণুও যদি এই পৃথিবীতে এসে পড়ে, তারপরেও পৃথিবীর সব প্রাণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবার সম্ভাবনা নেই। এমনকি, অন্য কোন গ্রহের সাথে যদি এই পৃথিবীর সংঘর্ষও হয়, তারপরেও সব ধরনের প্রাণ পুরোপুরি হারিয়ে যাবে না।

অক্সফোর্ড এবং হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা একসাথে এই গবেষণাটি চালিয়েছেন। তারা বলেছেন, এরকম পরিস্থিতিতে আণুবীক্ষণিক ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কিছু প্রাণী বেঁচে থাকতে পারে। সাড়ে ছয় কোটি বছর আগের এ রকম এক ঘটনায় পৃথিবী থেকে বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিলো অতিকায় এক প্রাণী ডায়নোসর।

বলা হয়, পৃথিবীর ইতিহাসে এ ছিলো এক নাটকীয় ঘটনা। কারণ একটা সময় ছিলো এই প্রাণীটিই পৃথিবীতে রাজত্ব করেছে প্রায় ১৫ কোটি বছর ধরে। কিন্তু এই প্রাণীটির অস্তিত্বও ওই গ্রহাণুর আঘাতে ধ্বংস হয়ে গেছে।

এই গবেষণার সাথে জড়িত বিজ্ঞানীরা বলছেন, টারডিগ্রেইডস নামে পরিচিত একটি প্রাণীর সন্ধান পাওয়া গেছে যারা যে কোনো ধরনের তেজস্ক্রিয় বিস্ফোরণের সাথেও খাপ খাইয়ে নিতে পারে। গ্রহাণুর সঙ্গে পৃথিবীর সংঘর্ষে সবাই নিশ্চিহ্ন হলেও অর্থাত্ প্রলয় ঘটলেও এই টারডিগ্রেইডসদের কিছু হবে না। এরা বেঁচে থাকতে পারে মহাকাশের বিশাল শূন্যতার ভেতরেও। শুধু উচ্চ তাপমাত্রা নয়, এমনকি মাইনাস বিশ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মতো প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যেও বহু বহু বছরেও তাদের মৃত্যু হয় না।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, মৃত্যু বা বিনাশকে জয় করতে পারে এরকম প্রাণী আমাদের সৌরজগতের অন্য কোথাও হয়তো আরো ভালোভাবে বেঁচে থাকতে পারবে।