ঢাকা ০৪:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

বাঙালি সন্ত্রাসীদের কারণেই রাখাইনের মানুষ পালাতে বাধ্য হয়েছে: মিয়ানমার

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যা, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া, নারীদের ধর্ষণ বা লুটপাটের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে সেনাবাহিনীর একটি তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ‘বাঙালি’ সন্ত্রাসীদের কারণেই রাখাইনে বসবাসকারী মানুষ দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, “নিরপরাধ গ্রামবাসীদের তারা গুলি করেনি, নারীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন চালায়নি, গ্রামবাসীদের নির্যাতন করেনি, আটক বা হত্যা করেনি, তদের সম্পদ, সোনা, পশু চুরি করেনি, মসজিদে আগুন দেয়নি, বাড়িতে আগুন দেয়নি এবং তাদের তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য জোর করেনি। বরং রোহিঙ্গাদের মধ্যে সন্ত্রাসীরাই গ্রামবাসীদের বাড়িতে আগুন দেয়। তাদের ভয়েই পালিয়ে যায় গ্রামবাসীরা।”

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তদন্ত কমিটি

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রতিবেদন চোখে ধুলো দেয়ার চেষ্টা। এদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সেনাবাহিনীর এই প্রতিবেদনকে ‘চোখে ধুলো’ দেয়ার চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছে। অ্যামনেস্টির এক মুখপাত্র জানান, ‘একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেছে যে সেনাবাহিনী দায় স্বীকার করবে না। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেই্ এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে।’

২৫ আগস্ট রাখাইনে সামরিক অভিযান জোরদার করার পর সেখানে প্রবেশাধিকার নেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংবাদমাধ্যমের। সে কারণে সেখানকার চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য জানা সম্ভব হচ্ছে না। তবে বিবিসিসহ বেশ কিছু সাংবাদিককে সঙ্গে করে ওই এলাকা ঘুরে দেখিয়েছে মিয়ানমারের সরকারি কর্মকর্তারা। বিবিসির দক্ষিণ এশিয়ার সংবাদদাতা জোনাথন হেড জানিয়েছেন, তিনি নিজেই রাখাইনের বৌদ্ধদের রোহিঙ্গাদের গ্রামে আগুন লাগিয়ে দিতে দেখেছেন। সে সময় সেখানে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী উপস্থিত ছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ সেনা তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয়টি অস্বীকার করা হলো।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বাঙালি সন্ত্রাসীদের কারণেই রাখাইনের মানুষ পালাতে বাধ্য হয়েছে: মিয়ানমার

আপডেট সময় ০৬:২৪:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

রোহিঙ্গা মুসলমানদের হত্যা, ঘরবাড়ি পুড়িয়ে দেয়া, নারীদের ধর্ষণ বা লুটপাটের বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছে মিয়ানমারের সেনাবাহিনী। রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা সংকটের বিষয়ে সেনাবাহিনীর একটি তদন্ত প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, ‘বাঙালি’ সন্ত্রাসীদের কারণেই রাখাইনে বসবাসকারী মানুষ দেশ থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশিত মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, “নিরপরাধ গ্রামবাসীদের তারা গুলি করেনি, নারীদের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়ন চালায়নি, গ্রামবাসীদের নির্যাতন করেনি, আটক বা হত্যা করেনি, তদের সম্পদ, সোনা, পশু চুরি করেনি, মসজিদে আগুন দেয়নি, বাড়িতে আগুন দেয়নি এবং তাদের তাড়িয়ে দেওয়ার জন্য জোর করেনি। বরং রোহিঙ্গাদের মধ্যে সন্ত্রাসীরাই গ্রামবাসীদের বাড়িতে আগুন দেয়। তাদের ভয়েই পালিয়ে যায় গ্রামবাসীরা।”

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর তদন্ত কমিটি

মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রতিবেদন চোখে ধুলো দেয়ার চেষ্টা। এদিকে, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থা অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সেনাবাহিনীর এই প্রতিবেদনকে ‘চোখে ধুলো’ দেয়ার চেষ্টা বলে উল্লেখ করেছে। অ্যামনেস্টির এক মুখপাত্র জানান, ‘একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে গেছে যে সেনাবাহিনী দায় স্বীকার করবে না। এখন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কেই্ এই সংকট সমাধানে এগিয়ে আসতে হবে।’

২৫ আগস্ট রাখাইনে সামরিক অভিযান জোরদার করার পর সেখানে প্রবেশাধিকার নেই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় ও সংবাদমাধ্যমের। সে কারণে সেখানকার চলমান পরিস্থিতি সম্পর্কে স্পষ্ট তথ্য জানা সম্ভব হচ্ছে না। তবে বিবিসিসহ বেশ কিছু সাংবাদিককে সঙ্গে করে ওই এলাকা ঘুরে দেখিয়েছে মিয়ানমারের সরকারি কর্মকর্তারা। বিবিসির দক্ষিণ এশিয়ার সংবাদদাতা জোনাথন হেড জানিয়েছেন, তিনি নিজেই রাখাইনের বৌদ্ধদের রোহিঙ্গাদের গ্রামে আগুন লাগিয়ে দিতে দেখেছেন। সে সময় সেখানে সেনাবাহিনী মিয়ানমারের সশস্ত্র পুলিশ বাহিনী উপস্থিত ছিল। কিন্তু অভ্যন্তরীণ সেনা তদন্ত প্রতিবেদনে বিষয়টি অস্বীকার করা হলো।