ঢাকা ০৮:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
নির্যাতনের শিকার ৪১ হাজার ৫৫৫ নারী-শিশুর ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন: সংসদে মন্ত্রী ভালুকায় তুলার গোডাউনে আগুন সামষ্টিক চাপে বাজেট বাস্তবায়ন নিয়ে রুমিন ফারহানার প্রশ্ন চট্টগ্রামে জোড়াখুনের রহস্য উদঘাটন:স্ট্যাম্প চুরি করতে গিয়েই মা-মেয়েকে ছুরিকাঘাত স্বাস্থ্যমন্ত্রীর পেছনে টাকা নিয়ে ঘুরিনি: আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক রংপুরে আর্জেন্টিনা ফ্যানস ক্লাবের বর্ণাঢ্য র‌্যালি অর্থনীতির পুনর্গঠন অন্যতম অগ্রাধিকার: সংসদে অর্থমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে ‘লাঠি ও পাথর মেরে’ বিতাড়নের আহ্বান সাবেক ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীর দেশে প্রথমবারের মতো সফল ভেনাস সাইনাস স্টেন্টিং, প্রশংসায় ভাসছেন ডা. হিমু জেনেভায় হচ্ছে ইরান-যুক্তরাষ্ট্র চুক্তি সই, আয়োজক পাকিস্তান: শেহবাজ

বোনের তালাক ঠেকাতে কাকরাইলে মা-ছেলের নৃশংস হত্যা

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তিন-চার মাস আগে তৃতীয় স্ত্রী শারমীন আক্তার মুক্তাকে তালাক দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ী আবদুল করিম। স্বামীর এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান মুক্তা। এই পরিস্থিতিতে তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তার ধারণা, প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহারের পরামর্শেই তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন করিম।

শামসুন্নাহারকে মেরে ফেললেই টিকে যাবে বোনের সংসার। তাই সে পরিকল্পিতভাবে কাকরাইলের বাসায় গিয়ে মা-ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর থেকে গ্রেফতারের পর জনিকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব।

বুধবার সন্ধ্যায় কাকরাইলের ভিআইপি রোডের ৭৯/১ নম্বর ভবন মায়াকাননের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে শামসুন্নাহার এবং চতুর্থ তলার সিঁড়িতে তার ছেলে শাওনের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। ঘটনার সময় গৃহকর্তা আবদুল করিম বাড়িতে ছিলেন না। তার বড় দুই ছেলে বিদেশে থাকেন।

কাকরাইলে জোড়া খুন মামলার অন্যতম আসামি জনিকে গ্রেফতারের পর শনিবার বিকেলে কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ছায়াতদন্তে নেমে র‌্যাব জানতে পারে, এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি জনি হত্যায় সরাসরি জড়িত। এরপর তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা শুরু হয়। শনিবার সকালে গোপালগঞ্জে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

জোড়া খুনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার রাতেই করিম ও মুক্তাকে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা হলে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। শুক্রবার তাদের ছয়দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। মামলায় তারা দু’জন ছাড়াও জনিকে আসামি করেছিলেন নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্যাতনের শিকার ৪১ হাজার ৫৫৫ নারী-শিশুর ডিএনএ প্রোফাইলিং সম্পন্ন: সংসদে মন্ত্রী

বোনের তালাক ঠেকাতে কাকরাইলে মা-ছেলের নৃশংস হত্যা

আপডেট সময় ০১:৪৬:০০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৫ নভেম্বর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

তিন-চার মাস আগে তৃতীয় স্ত্রী শারমীন আক্তার মুক্তাকে তালাক দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন ব্যবসায়ী আবদুল করিম। স্বামীর এই সিদ্ধান্ত মেনে নিতে না পেরে আত্মহত্যার চেষ্টা চালান মুক্তা। এই পরিস্থিতিতে তার ভাই আল-আমিন ওরফে জনি ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। তার ধারণা, প্রথম স্ত্রী শামসুন্নাহারের পরামর্শেই তালাক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন করিম।

শামসুন্নাহারকে মেরে ফেললেই টিকে যাবে বোনের সংসার। তাই সে পরিকল্পিতভাবে কাকরাইলের বাসায় গিয়ে মা-ছেলেকে ছুরিকাঘাতে হত্যা করে। গোপালগঞ্জের মোকসেদপুর থেকে গ্রেফতারের পর জনিকে জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে এসব তথ্য জানিয়েছে র‌্যাব।

বুধবার সন্ধ্যায় কাকরাইলের ভিআইপি রোডের ৭৯/১ নম্বর ভবন মায়াকাননের পঞ্চম তলার ফ্ল্যাটে শামসুন্নাহার এবং চতুর্থ তলার সিঁড়িতে তার ছেলে শাওনের রক্তাক্ত লাশ পাওয়া যায়। ঘটনার সময় গৃহকর্তা আবদুল করিম বাড়িতে ছিলেন না। তার বড় দুই ছেলে বিদেশে থাকেন।

কাকরাইলে জোড়া খুন মামলার অন্যতম আসামি জনিকে গ্রেফতারের পর শনিবার বিকেলে কারওয়ান বাজারে র‌্যাব মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এ সময় র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার মুফতি মাহমুদ খান বলেন, চাঞ্চল্যকর এ ঘটনার ছায়াতদন্তে নেমে র‌্যাব জানতে পারে, এজাহারভুক্ত তিন নম্বর আসামি জনি হত্যায় সরাসরি জড়িত। এরপর তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা শুরু হয়। শনিবার সকালে গোপালগঞ্জে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে সে হত্যার দায় স্বীকার করেছে।

জোড়া খুনের ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার রাতেই করিম ও মুক্তাকে আটক করে পুলিশ। বৃহস্পতিবার এ ঘটনায় রমনা থানায় মামলা হলে তাদের গ্রেফতার দেখানো হয়। শুক্রবার তাদের ছয়দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। মামলায় তারা দু’জন ছাড়াও জনিকে আসামি করেছিলেন নিহত শামসুন্নাহারের ভাই আশরাফ আলী।