ঢাকা ০২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

অবশেষে আরাকানের ৭ হাজার রোহিঙ্গা পেল মিয়ানমারের ভেরিফিকেশন কার্ড

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আরাকানে ৭ হাজার রোহিঙ্গাকে ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। একমাসের জাতীয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে এ ভেরিফিকেশন কার্ড দিয়েছে দেশটি। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।

রাখাইনের অভিবাসন ও জনসংখ্যাবিষয়ক বিভাগের পরিচালক উ অং মিন জানান, প্রদেশটির যেসব এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে সেখানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে এ প্রক্রিয়া চলছে।

এক কর্মকর্তা জানান, ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন অুনযায়ী কার্ড দেওয়া হচ্ছে। যদিও ওই আইনটি বিতর্কিত বলে সমালোচনা চলছে। ওই আইনে মিয়ানমারের প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়।

এদিকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন ও নৃশংসতার শিকার হয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ৬ লাখেরও অধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। হত্যা করা হয়েছে কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে। জাতিসংঘ এ হত্যাকাণ্ডকে জাতিগত নিধন হিসেবে উল্লেখ করেছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

অবশেষে আরাকানের ৭ হাজার রোহিঙ্গা পেল মিয়ানমারের ভেরিফিকেশন কার্ড

আপডেট সময় ০৪:৫৫:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ আর্ন্তজাতিক ডেস্ক:

আরাকানে ৭ হাজার রোহিঙ্গাকে ন্যাশনাল ভেরিফিকেশন কার্ড দিয়েছে মিয়ানমার সরকার। একমাসের জাতীয় যাচাইকরণ প্রক্রিয়া শেষে তাদেরকে এ ভেরিফিকেশন কার্ড দিয়েছে দেশটি। মিয়ানমার কর্তৃপক্ষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। জাতিসংঘের সাবেক মহাসচিব কফি আনানের নেতৃত্বাধীন কমিশনের সুপারিশ অনুযায়ী এই প্রক্রিয়া শুরু হয়।

রাখাইনের অভিবাসন ও জনসংখ্যাবিষয়ক বিভাগের পরিচালক উ অং মিন জানান, প্রদেশটির যেসব এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে এসেছে সেখানে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে এ প্রক্রিয়া চলছে।

এক কর্মকর্তা জানান, ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইন অুনযায়ী কার্ড দেওয়া হচ্ছে। যদিও ওই আইনটি বিতর্কিত বলে সমালোচনা চলছে। ওই আইনে মিয়ানমারের প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার নাগরিকত্ব অস্বীকার করা হয়।

এদিকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নির্যাতন ও নৃশংসতার শিকার হয়ে এ পর্যন্ত বাংলাদেশে ৬ লাখেরও অধিক রোহিঙ্গা আশ্রয় নিয়েছে। হত্যা করা হয়েছে কয়েক হাজার রোহিঙ্গাকে। জাতিসংঘ এ হত্যাকাণ্ডকে জাতিগত নিধন হিসেবে উল্লেখ করেছে।