ঢাকা ০১:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
বাড্ডায় অটোরিকশা চালকদের সড়ক অবরোধে চরম ভোগান্তি মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শামীম ওসমানসহ ১২ জনের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল জন্মহারে বড় ধস, অর্থনৈতিক সংকটের মুখে চীন স্পেনে ভয়াবহ ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত ২১ আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত

ভুয়া ব্যারিস্টার যেতেন টক শোতে, আইন পেশা থেকেই বহিষ্কার

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিজেকে ব্যারিস্টার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিতেন পারভেজ আহমেদ। বিভিন্ন টেলিভিশনে টক শোতে অংশ নিতেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তাঁর। ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য পারভেজ আহমেদকে আইন পেশা থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার সকালে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. ইয়াহইয়ার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ বহিষ্কারের আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চের কর্মকর্তা কামনাশীষ রায় এ তথ্য জানান। বার কাউন্সিল থেকে জানানো হয়, পারভেজ আহমেদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন অভিযোগ দায়ের করেন। পরে নথি পর্যালোচনা করে আদালত তাঁকে বহিষ্কারের আদেশ দেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পারভেজ নিজে ব্যারিস্টার বা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী না হওয়ার পরও নিজের ওই পরিচয় ব্যবহার করছিলেন। মিথ্যা ওই পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে টক শোতে অংশ নিয়ে জনসাধারণকে প্রতারিত করছেন। একাত্তর টিভি, ইটিভি, জিটিভি, আরটিভি ও দীপ্ত টিভির টক শোতে অংশ নেন তিনি। তিনি ভুয়া পরিচয়ে টক শোতে অংশ নিয়ে অসদাচরণ করেছেন। প্রতিপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতিপ্রাপ্ত নয় বা ব্যারিস্টার না হওয়ার পরও ওই পদ ব্যবহার করে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়েছিলেন পারভেজ। তিনি নিজের পরিচিতির জন্য ওই ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে জনসাধারণকে প্রতারিত করে গণমানুষের কাছে আইনজীবীদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন।

এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অসদাচরণের দায়ে বার কাউন্সিলের ১ নম্বর ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. ইয়াইহিয়া, সদস্য মো. পারভেজ আলম খান ও শেখ আখতারুল ইসলাম ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য পারভেজ আহমেদকে ২১ অক্টোবর আইন পেশা থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণের আদেশ দেন।

বার কাউন্সিল থেকে আরো জানানো হয়, এর আগেও অন্য এক মামলায় ৭ অক্টোবর পারভেজ আহমেদকে ১০ বছরের জন্য আইন পেশা থেকে বহিষ্কার করা হয়।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ভুয়া ব্যারিস্টার যেতেন টক শোতে, আইন পেশা থেকেই বহিষ্কার

আপডেট সময় ০৩:০৫:৫৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

নিজেকে ব্যারিস্টার ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হিসেবে পরিচয় দিতেন পারভেজ আহমেদ। বিভিন্ন টেলিভিশনে টক শোতে অংশ নিতেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হলো না তাঁর। ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য পারভেজ আহমেদকে আইন পেশা থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণ করা হয়েছে।

আজ সোমবার সকালে বার কাউন্সিল ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. ইয়াহইয়ার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের একটি বেঞ্চ বহিষ্কারের আদেশ দেন। ট্রাইব্যুনাল বেঞ্চের কর্মকর্তা কামনাশীষ রায় এ তথ্য জানান। বার কাউন্সিল থেকে জানানো হয়, পারভেজ আহমেদের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম সারোয়ার হোসেন অভিযোগ দায়ের করেন। পরে নথি পর্যালোচনা করে আদালত তাঁকে বহিষ্কারের আদেশ দেন।

অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, পারভেজ নিজে ব্যারিস্টার বা সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী না হওয়ার পরও নিজের ওই পরিচয় ব্যবহার করছিলেন। মিথ্যা ওই পরিচয় দিয়ে দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে টক শোতে অংশ নিয়ে জনসাধারণকে প্রতারিত করছেন। একাত্তর টিভি, ইটিভি, জিটিভি, আরটিভি ও দীপ্ত টিভির টক শোতে অংশ নেন তিনি। তিনি ভুয়া পরিচয়ে টক শোতে অংশ নিয়ে অসদাচরণ করেছেন। প্রতিপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের অনুমতিপ্রাপ্ত নয় বা ব্যারিস্টার না হওয়ার পরও ওই পদ ব্যবহার করে ভিজিটিং কার্ড ছাপিয়েছিলেন পারভেজ। তিনি নিজের পরিচিতির জন্য ওই ভিজিটিং কার্ড ব্যবহার করে জনসাধারণকে প্রতারিত করে গণমানুষের কাছে আইনজীবীদের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন।

এসব অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় অসদাচরণের দায়ে বার কাউন্সিলের ১ নম্বর ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান মো. ইয়াইহিয়া, সদস্য মো. পারভেজ আলম খান ও শেখ আখতারুল ইসলাম ঢাকা আইনজীবী সমিতির সদস্য পারভেজ আহমেদকে ২১ অক্টোবর আইন পেশা থেকে স্থায়ীভাবে অপসারণের আদেশ দেন।

বার কাউন্সিল থেকে আরো জানানো হয়, এর আগেও অন্য এক মামলায় ৭ অক্টোবর পারভেজ আহমেদকে ১০ বছরের জন্য আইন পেশা থেকে বহিষ্কার করা হয়।