ঢাকা ১১:৩২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
চলতি অক্টোবরের শেষ দিকে জাপান সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করলেন চীনা রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন উদ্বোধনের আগেই কক্সবাজার বিমানবন্দরের নতুন টার্মিনালে যাত্রীসেবা শুরু সাইবার সুরক্ষা আইন যেন নিপীড়নমূলক না হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অক্টোবর-নভেম্বরে তিন দেশ সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘের সন্ত্রাস দমন তহবিলে কাতারের ১৪১ মিলিয়ন ডলার অনুদান নিউইয়র্কে চার দিনে ৩০টি কর্মসূচিতে প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ত সফর জাতিসংঘে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি রোধে চার প্রস্তাব প্রধানমন্ত্রীর অক্টোবরেই চালু হচ্ছে কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দেশে ডেঙ্গুতে ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮ মৃত্যু, হাসপাতালে ১৭৮২

ঝিনাইদহ কেসি কলেজে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ, বন্ধ সব ক্লাস

ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজ ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি এড়াতে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বুধবার অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) কলেজের সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাসরুর উল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।

ক্যাম্পাসে এই উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে ৫ অক্টোবর দুপুরে। ওইদিন ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি পরবর্তীতে শহরে মিছিল ও পাল্টা মিছিলের দিকে মোড় নেয়। ঝিনাইদহ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজের ভাষ্যমতে, ছাত্রশিবিরের একজন কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এরই মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহরিয়ার মাহবুব ইসলাম জানান, অনুষ্ঠানটির জন্য অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং এটি হওয়ার কথা ছিল। তবে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে অনুষ্ঠানটি আয়োজনের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানটি না করার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে একাডেমিক কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়েছে। ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই বর্তমানে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশের আশঙ্কা করছে প্রশাসন।

আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ঝিনাইদহ কেসি কলেজে রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ, বন্ধ সব ক্লাস

আপডেট সময় ১০:২৬:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ঝিনাইদহ সরকারি কেশব চন্দ্র (কেসি) কলেজ ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও নিরাপত্তার ঝুঁকি এড়াতে সব ধরনের সভা, সমাবেশ ও রাজনৈতিক কর্মসূচি অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ। বুধবার অনুষ্ঠিত একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে ৮ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) কলেজের সব ধরনের শিক্ষা কার্যক্রমও বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক মাসরুর উল আলম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই কঠোর নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে।

ক্যাম্পাসে এই উত্তেজনার সূত্রপাত ঘটে ৫ অক্টোবর দুপুরে। ওইদিন ফেসবুকে একটি পোস্ট দেওয়াকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা ও পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। বিষয়টি পরবর্তীতে শহরে মিছিল ও পাল্টা মিছিলের দিকে মোড় নেয়। ঝিনাইদহ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি বাবর আলী মাহফুজের ভাষ্যমতে, ছাত্রশিবিরের একজন কর্মী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তারেক রহমান ও খালেদা জিয়াকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন। এ নিয়ে প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এরই মধ্যে আজ বৃহস্পতিবার কলেজ ক্যাম্পাসে ছাত্রশিবিরের পক্ষ থেকে একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজনের পরিকল্পনা ছিল। শাখা ছাত্রশিবিরের সভাপতি শাহরিয়ার মাহবুব ইসলাম জানান, অনুষ্ঠানটির জন্য অতিথিদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল এবং এটি হওয়ার কথা ছিল। তবে ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মসূচি নিষিদ্ধ হওয়ার ফলে অনুষ্ঠানটি আয়োজনের ক্ষেত্রে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। অনুষ্ঠানটি না করার বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে একাডেমিক কাউন্সিলের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কর্তৃপক্ষ যে কঠোর অবস্থানে রয়েছে, তা স্পষ্ট হয়েছে। ৫ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই বর্তমানে ক্যাম্পাসে অস্থিতিশীল পরিবেশের আশঙ্কা করছে প্রশাসন।