ঢাকা ০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গণভোটে জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু সরকার সংবিধান সংস্কার এড়িয়ে শুধু সংবিধান সংশোধনের পথে হাঁটছে। জুলাইয়ের চেতনার প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা থাকলে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ র‍্যালি শাহবাগ মোড় থেকে মৎস্য ভবনের দিকে অগ্রসর হয়।

সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সুবিধাভোগী বিএনপি হলেও শহীদ ও আহতদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না, আহতদের চিকিৎসা ও ভাতা বন্ধ রয়েছে। অথচ এমপি-মন্ত্রীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, গণভোটে দেশের অধিকাংশ মানুষ জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছেন। কিন্তু সরকার মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কারের পরিবর্তে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। সংসদে এ বিষয়ে আনা প্রস্তাব ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং ওয়াকআউট করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, রাষ্ট্রপতির আদেশে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু সরকার তা না করে এখন সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কার এড়িয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সংস্কার আর সংশোধন এক বিষয় নয়। সংস্কার মানে রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো ও চেতনার পরিবর্তন, আর সংশোধন মানে কয়েকটি ধারা পরিবর্তন। সরকার যদি সত্যিই জুলাইয়ের চেতনায় বিশ্বাস করে, তাহলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডেকে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

এ সময় তিনি জুলাই শহীদ পরিবারের ক্ষতিপূরণ, আহতদের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সচল রাখা এবং জুলাই জাদুঘর দ্রুত জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, সরকার এখনো জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করতে পারেনি। জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রতিবেদনে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি শহীদের কথা উল্লেখ থাকলেও সরকারি তালিকায় এখনো ৮৫০ জনের বেশি নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

তিনি বলেন, শহীদদের তালিকা প্রণয়নের জন্য একটি সর্বদলীয়, নিরপেক্ষ ও পেশাদার কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। সেখানে সংসদের সব দলের প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। রায়েরবাজার, মাতুয়াইল, জুরাইন, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গণকবর এখনো যথাযথভাবে শনাক্ত করা হয়নি এবং ডিএনএ পরীক্ষার কাজও সম্পন্ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আহত, পঙ্গু ও দৃষ্টিশক্তি হারানো ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রমও থেমে আছে। বাজেট বরাদ্দ থাকলেও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে শহীদদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে জানাজা পড়তেও বাধা দেওয়া হয়েছিল। সে সময়ের নানা তথ্য-প্রমাণ ধ্বংস করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সরকারি হিসাবেই ৮০০-র বেশি শহীদের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু দুই বছর পরও অনেক শহীদ পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রত্যেক শহীদ পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে চাকরির ব্যবস্থা করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে ভারতকে সুস্পষ্ট অবস্থান জানাতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, স্বৈরাচারের পতন হলেও এখনো ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করতে হবে এবং শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার সম্পন্ন করতে হবে।

তিনি বলেন, গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। ক্ষমতায় থেকে কেউ যদি জনগণের রায় অস্বীকার করতে চায়, তাহলে সেই অবস্থান টিকবে না।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করুন,সরকারকে গোলাম পরওয়ার

আপডেট সময় ১০:১০:১৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, গণভোটে জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে। কিন্তু সরকার সংবিধান সংস্কার এড়িয়ে শুধু সংবিধান সংশোধনের পথে হাঁটছে। জুলাইয়ের চেতনার প্রতি সত্যিকারের শ্রদ্ধা থাকলে অবিলম্বে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন আহ্বান করে গণরায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে ১১ দলীয় ঐক্য জোটের র‍্যালিপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পরে শহীদ পরিবারের সদস্য ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আহতদের অংশগ্রহণে একটি বিক্ষোভ র‍্যালি শাহবাগ মোড় থেকে মৎস্য ভবনের দিকে অগ্রসর হয়।

সমাবেশে মিয়া গোলাম পরওয়ার অভিযোগ করেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় রাজনৈতিক সুবিধাভোগী বিএনপি হলেও শহীদ ও আহতদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব পালনে সরকার ব্যর্থ হয়েছে। তিনি বলেন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না, আহতদের চিকিৎসা ও ভাতা বন্ধ রয়েছে। অথচ এমপি-মন্ত্রীদের বেতন-ভাতা নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, গণভোটে দেশের অধিকাংশ মানুষ জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবের পক্ষে মত দিয়েছেন। কিন্তু সরকার মৌলিক সাংবিধানিক সংস্কারের পরিবর্তে সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। সংসদে এ বিষয়ে আনা প্রস্তাব ১১ দলীয় জোটের সংসদ সদস্যরা প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং ওয়াকআউট করেছেন বলেও দাবি করেন তিনি।

গোলাম পরওয়ার বলেন, রাষ্ট্রপতির আদেশে সংবিধান সংস্কার পরিষদ গঠন করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিবেশন আহ্বান করার বাধ্যবাধকতা ছিল। কিন্তু সরকার তা না করে এখন সংবিধানের দোহাই দিয়ে সংস্কার এড়িয়ে যাচ্ছে।

তিনি বলেন, সংস্কার আর সংশোধন এক বিষয় নয়। সংস্কার মানে রাষ্ট্রের মৌলিক কাঠামো ও চেতনার পরিবর্তন, আর সংশোধন মানে কয়েকটি ধারা পরিবর্তন। সরকার যদি সত্যিই জুলাইয়ের চেতনায় বিশ্বাস করে, তাহলে সংবিধান সংস্কার পরিষদের অধিবেশন ডেকে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন করতে হবে।

এ সময় তিনি জুলাই শহীদ পরিবারের ক্ষতিপূরণ, আহতদের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন, জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম সচল রাখা এবং জুলাই জাদুঘর দ্রুত জনগণের জন্য উন্মুক্ত করার দাবি জানান।

আমার বাংলাদেশ পার্টির (এবি পার্টি) সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, সরকার এখনো জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রস্তুত করতে পারেনি। জাতিসংঘের মানবাধিকার প্রতিবেদনে ১ হাজার ৪০০-এর বেশি শহীদের কথা উল্লেখ থাকলেও সরকারি তালিকায় এখনো ৮৫০ জনের বেশি নাম অন্তর্ভুক্ত হয়নি।

তিনি বলেন, শহীদদের তালিকা প্রণয়নের জন্য একটি সর্বদলীয়, নিরপেক্ষ ও পেশাদার কমিটি গঠন করা প্রয়োজন। সেখানে সংসদের সব দলের প্রতিনিধি, মানবাধিকারকর্মী, সাংবাদিক, আইনজীবী ও সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। রায়েরবাজার, মাতুয়াইল, জুরাইন, নারায়ণগঞ্জ, মুন্সীগঞ্জসহ দেশের বিভিন্ন স্থানের গণকবর এখনো যথাযথভাবে শনাক্ত করা হয়নি এবং ডিএনএ পরীক্ষার কাজও সম্পন্ন হয়নি।

তিনি আরও বলেন, আহত, পঙ্গু ও দৃষ্টিশক্তি হারানো ব্যক্তিদের পুনর্বাসন কার্যক্রমও থেমে আছে। বাজেট বরাদ্দ থাকলেও তা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন হচ্ছে না। জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পাঁচ মাস ধরে বেতন পাচ্ছেন না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে শহীদদের হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়নি, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে জানাজা পড়তেও বাধা দেওয়া হয়েছিল। সে সময়ের নানা তথ্য-প্রমাণ ধ্বংস করা হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সরকারি হিসাবেই ৮০০-র বেশি শহীদের কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু দুই বছর পরও অনেক শহীদ পরিবার মানবেতর জীবনযাপন করছে। প্রত্যেক শহীদ পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে চাকরির ব্যবস্থা করে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানান তিনি।

আরিফুল ইসলাম আদীব বলেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ার বিষয়ে ভারতকে সুস্পষ্ট অবস্থান জানাতে হবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও নাগরিক অধিকার রক্ষায় জুলাইয়ের চেতনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানান।

জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও দলীয় মুখপাত্র রাশেদ প্রধান বলেন, স্বৈরাচারের পতন হলেও এখনো ইনসাফ প্রতিষ্ঠিত হয়নি। জুলাই যোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের যথাযথ সম্মান নিশ্চিত করতে হবে এবং শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের বিচার সম্পন্ন করতে হবে।

তিনি বলেন, গণভোটের গণরায়ের ভিত্তিতে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কোনো বিকল্প নেই। ক্ষমতায় থেকে কেউ যদি জনগণের রায় অস্বীকার করতে চায়, তাহলে সেই অবস্থান টিকবে না।