ঢাকা ০৭:১৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ২৪ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক সৃজনশীল ও কর্মমুখী করাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য:মাহদী আমিন

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, সৃজনশীল ও কর্মমুখী করাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তার শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

রোববার (১৪ জুন) বিকালে তেজগাঁওয়ের বিএএফ শাহীন কলেজের শাহীন হল মিলনায়তনে ‘স্টার্ট-আপ সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

তিনি বলেন, আগামী বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য সেখানে রাষ্ট্রের দিক থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা আরও বেশি সৃজনশীল করে তুলব। এমনভাবে গড়ে তুলব যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা দক্ষ ও যোগ্য হয় এবং তাদের মাঝে সুনাগরিকের মূল্যবোধ গড়ে উঠবে। তাদের মাঝে পারিবারিক এবং নৈতিক শিক্ষা গড়ে উঠবে। আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে তারাই, সেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা স্কাউটের সঙ্গে ইনভলভ থাকবে। কেউ গার্লস গাইড করবে, কেউ বিএনএসসি করবে, কারো হয়তো ড্রয়িং করতে ভালো লাগে, সে সেটাই করবে। কারো ডিবেট করতে ভালো লাগে, কারো আবৃত্তি করতে ভালো লাগে, কারো কোরআন তেলাওয়াত করতে ভালো লাগে কিংবা কারো স্পোর্টস করতে ভালো লাগে, আমরা আমাদের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সে সুযোগ দিতে চাই।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা চাই এমন বাংলাদেশ গড়তে যেখানে সরকারের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, ভালোবাসা এবং নীতিগত সহযোগিতা থাকবে। যেই শিক্ষার্থীর, যেই কার্যক্রম, যেই পেশা তার পছন্দ হয় আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে সেই পেশাতে তাদের মনশীলতার প্রকাশে সহযোগিতা করব।

বক্তব্যের শুরুতেই ভিন্নমাত্রিক সৃজনশীল অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ত করার জন্য উপস্থিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিভিন্ন প্রশাসন এবং আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধু ঢাকায় না, একসঙ্গে ৬৪ জেলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা যেখানে মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা মননশীলতাকে রাষ্ট্র বিনির্মাণের কাজে এগিয়ে নিয়ে যাব।

মাহদী আমিন বলেন, অনেকেই হয়তো জানেন না খুব কঠিন একটা সময়ে রাষ্ট্রীয় অনেক চাপের মাঝেও ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ এবং ‘সুরভী’ নামে দুটি প্রতিষ্ঠান দেশ জুড়ে অনেক শিক্ষার্থীকে গড়ে তুলেছে বিভিন্ন ধরনের কম্পিটিশনের মাধ্যমে তাদের এক্সট্রা অ্যাক্টিভিটিজকে প্রসারিত করেছে। আমরা দেখেছিলাম তখন খুদে বিজ্ঞানীদেরকে নিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে তখন সায়েন্স ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে আর্টস কম্পিটিশন করেছে, উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদেরকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা ‘সুরভী’ নামের একটা প্রতিষ্ঠানের কথা অনেকেই জানি। সেখানে আমার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেখানে আমরা দেখেছি, দেশি -বিদেশি যারা এক্সপার্ট রয়েছেন তারা কীভাবে শুরু থেকেই উদ্যোগগুলোকে বিভিন্নভাবে প্রশংসা করেছেন। এবং আমাদেরকে আহ্বান জানিয়েছেন এটাকে মডেল হিসেবে ধারণ করে আমাদের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং সুরভী যে কার্যক্রমগুলো বহু বছর ধরে, বহু দশক ধরে কোনো সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ার পরেও শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী এবং তার সুযোগ্য সহধর্মিণীর বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে বিকশিত করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা যদি কখনো সুযোগ পাই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সেটাকে (জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং সুরভীর কার্যক্রম) আমরা মডেল হিসেবে ধারণ করতে পারি। এবং তার কারণে আজকে ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ১২ হাজার টিম অংশগ্রহণ করেছে। এসব টিমে প্রায় ৩৬ হাজার ছাত্রছাত্রী এবং প্রায় ২৪ হাজার শিক্ষক সেখানে অংশগ্রহণ করেছে। এই মডেলটা কিন্তু জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন থেকেই পেয়েছি। যেখানে আমরা দেখেছি শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রী এক হয়ে টিমওয়ার্ক তৈরি করে। ছাত্রদের সঙ্গে, ছাত্রীদের সঙ্গে, শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো বিভেদ থাকবে না। ভয় নয়, এই সম্পর্কগুলো ভালোবাসার।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ করে মাহদী আমিন বলেন, আমাদের আগামী বাংলাদেশ গড়ে তোলার কারিগর কিন্তু আপনারাই। আর এই কারিগর বিনির্মাণ যারা করবেন সেক্ষেত্রে আমরা কাণ্ডারি হিসেবে গড়ে তুলতে পারি আমাদের শিক্ষকদের। শিক্ষার্থী, শিক্ষক সবাই মিলে এক হয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য আগামী বাংলাদেশটাকে আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে। যেখানে একদিকে যেমন সেই নীতিমালা থাকবে, যেখানে মেধার বিকাশ হবে। একই সঙ্গে আমরা সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে পাঠ্যক্রমটাকে আরো আধুনিক করে তুলব। কারণ বাংলাদেশকে যদি আমরা বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে এগিয়ে যেতে চাই, তাহলে আমাদের যে বিপুল পরিমাণ তরুণ প্রজন্ম রয়েছে তাদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে এ রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে আসুন আগামী বাংলাদেশে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা, স্বকীয়তা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী যেভাবে যাচ্ছেন সেটাকে ধারণ, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য, ইনশাআল্লাহ সেটিকে পাথেয় করেই আমরা গড়ে তুলব আগামী বাংলাদেশ।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক সৃজনশীল ও কর্মমুখী করাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য:মাহদী আমিন

আপডেট সময় ০৯:৩০:৫৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

শিক্ষা ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, সৃজনশীল ও কর্মমুখী করাই প্রধানমন্ত্রীর লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন তার শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন।

রোববার (১৪ জুন) বিকালে তেজগাঁওয়ের বিএএফ শাহীন কলেজের শাহীন হল মিলনায়তনে ‘স্টার্ট-আপ সায়েন্স প্রজেক্ট অ্যান্ড ইনোভেশন আইডিয়া শোকেসিং’ অনুষ্ঠানে মাহদী আমিন এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ডা. জুবাইদা রহমান।

তিনি বলেন, আগামী বাংলাদেশে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য সেখানে রাষ্ট্রের দিক থেকে শিক্ষা ব্যবস্থাকে আমরা আরও বেশি সৃজনশীল করে তুলব। এমনভাবে গড়ে তুলব যেখানে ছাত্র-ছাত্রীরা দক্ষ ও যোগ্য হয় এবং তাদের মাঝে সুনাগরিকের মূল্যবোধ গড়ে উঠবে। তাদের মাঝে পারিবারিক এবং নৈতিক শিক্ষা গড়ে উঠবে। আমরা বিশ্বাস করি, আগামীর বাংলাদেশ বিনির্মাণ করবে তারাই, সেখানে আমাদের শিক্ষার্থীরা স্কাউটের সঙ্গে ইনভলভ থাকবে। কেউ গার্লস গাইড করবে, কেউ বিএনএসসি করবে, কারো হয়তো ড্রয়িং করতে ভালো লাগে, সে সেটাই করবে। কারো ডিবেট করতে ভালো লাগে, কারো আবৃত্তি করতে ভালো লাগে, কারো কোরআন তেলাওয়াত করতে ভালো লাগে কিংবা কারো স্পোর্টস করতে ভালো লাগে, আমরা আমাদের প্রতিটি শিক্ষার্থীকে সে সুযোগ দিতে চাই।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা চাই এমন বাংলাদেশ গড়তে যেখানে সরকারের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা, ভালোবাসা এবং নীতিগত সহযোগিতা থাকবে। যেই শিক্ষার্থীর, যেই কার্যক্রম, যেই পেশা তার পছন্দ হয় আমরা আমাদের সর্বোচ্চ সহযোগিতা দিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে সেই পেশাতে তাদের মনশীলতার প্রকাশে সহযোগিতা করব।

বক্তব্যের শুরুতেই ভিন্নমাত্রিক সৃজনশীল অনুষ্ঠানে সম্পৃক্ত করার জন্য উপস্থিত বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, শিক্ষক, বিভিন্ন প্রশাসন এবং আয়োজনের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে ধন্যবাদ জানান মাহদী আমিন।

তিনি বলেন, এই আয়োজন শুধু ঢাকায় না, একসঙ্গে ৬৪ জেলায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মূল লক্ষ্য এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তোলা যেখানে মেধা, বিজ্ঞান, উদ্যোগ এবং উদ্ভাবনের মাধ্যমে আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের মেধা মননশীলতাকে রাষ্ট্র বিনির্মাণের কাজে এগিয়ে নিয়ে যাব।

মাহদী আমিন বলেন, অনেকেই হয়তো জানেন না খুব কঠিন একটা সময়ে রাষ্ট্রীয় অনেক চাপের মাঝেও ‘জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন’ এবং ‘সুরভী’ নামে দুটি প্রতিষ্ঠান দেশ জুড়ে অনেক শিক্ষার্থীকে গড়ে তুলেছে বিভিন্ন ধরনের কম্পিটিশনের মাধ্যমে তাদের এক্সট্রা অ্যাক্টিভিটিজকে প্রসারিত করেছে। আমরা দেখেছিলাম তখন খুদে বিজ্ঞানীদেরকে নিয়ে অনলাইনের মাধ্যমে তখন সায়েন্স ফেয়ার অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেখানে আর্টস কম্পিটিশন করেছে, উদ্ভাবনী আইডিয়া নিয়ে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে তাদেরকে ট্রেনিং দেওয়া হয়েছে।

মাহদী আমিন বলেন, আমরা ‘সুরভী’ নামের একটা প্রতিষ্ঠানের কথা অনেকেই জানি। সেখানে আমার সৌভাগ্য হয়েছিল। সেখানে আমরা দেখেছি, দেশি -বিদেশি যারা এক্সপার্ট রয়েছেন তারা কীভাবে শুরু থেকেই উদ্যোগগুলোকে বিভিন্নভাবে প্রশংসা করেছেন। এবং আমাদেরকে আহ্বান জানিয়েছেন এটাকে মডেল হিসেবে ধারণ করে আমাদের শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা বিকাশে জাতীয় পর্যায়ে উদ্যোগ গ্রহণ করার জন্য। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং সুরভী যে কার্যক্রমগুলো বহু বছর ধরে, বহু দশক ধরে কোনো সরকারি সহযোগিতা না পাওয়ার পরেও শুধুমাত্র প্রধানমন্ত্রী এবং তার সুযোগ্য সহধর্মিণীর বিভিন্ন উদ্যোগের কারণে বিকশিত করেছিলেন।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা বিষয়ক এই উপদেষ্টা বলেন, আমরা যদি কখনো সুযোগ পাই রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সেটাকে (জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন এবং সুরভীর কার্যক্রম) আমরা মডেল হিসেবে ধারণ করতে পারি। এবং তার কারণে আজকে ৬৪ জেলা থেকে প্রায় ১২ হাজার টিম অংশগ্রহণ করেছে। এসব টিমে প্রায় ৩৬ হাজার ছাত্রছাত্রী এবং প্রায় ২৪ হাজার শিক্ষক সেখানে অংশগ্রহণ করেছে। এই মডেলটা কিন্তু জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন থেকেই পেয়েছি। যেখানে আমরা দেখেছি শিক্ষক-শিক্ষিকা ও ছাত্র-ছাত্রী এক হয়ে টিমওয়ার্ক তৈরি করে। ছাত্রদের সঙ্গে, ছাত্রীদের সঙ্গে, শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কোনো বিভেদ থাকবে না। ভয় নয়, এই সম্পর্কগুলো ভালোবাসার।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ করে মাহদী আমিন বলেন, আমাদের আগামী বাংলাদেশ গড়ে তোলার কারিগর কিন্তু আপনারাই। আর এই কারিগর বিনির্মাণ যারা করবেন সেক্ষেত্রে আমরা কাণ্ডারি হিসেবে গড়ে তুলতে পারি আমাদের শিক্ষকদের। শিক্ষার্থী, শিক্ষক সবাই মিলে এক হয়ে প্রধানমন্ত্রীর যে লক্ষ্য আগামী বাংলাদেশটাকে আমাদেরকে গড়ে তুলতে হবে। যেখানে একদিকে যেমন সেই নীতিমালা থাকবে, যেখানে মেধার বিকাশ হবে। একই সঙ্গে আমরা সেই বাংলাদেশ গড়ে তুলব, যেখানে পাঠ্যক্রমটাকে আরো আধুনিক করে তুলব। কারণ বাংলাদেশকে যদি আমরা বিশ্ব মানচিত্রে মাথা উঁচু করে এগিয়ে যেতে চাই, তাহলে আমাদের যে বিপুল পরিমাণ তরুণ প্রজন্ম রয়েছে তাদের আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে এ রাষ্ট্র বিনির্মাণ করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা আরও বলেন, আমরা সবাই মিলে আসুন আগামী বাংলাদেশে নিজেদের মেধা, যোগ্যতা, স্বকীয়তা এবং সৃজনশীলতার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী যেভাবে যাচ্ছেন সেটাকে ধারণ, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কারের জন্য, ইনশাআল্লাহ সেটিকে পাথেয় করেই আমরা গড়ে তুলব আগামী বাংলাদেশ।