ঢাকা ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ২৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

সড়কে আগুন জ্বালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ, গ্রেফতার ৩

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় পটুয়াখালী-গলাচিপা আঞ্চলিক সড়কের আমখোলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় তারা ২-৩ মিনিট সড়কে অবস্থান করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে।

গ্রেফতাররা হলেন, উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের দরিবাহেরচর গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (১৯), একই ইউনিয়নের উত্তর আমখোলা গ্রামের গফুর খানের ছেলে জাহিদ খান ও গলাচিপা পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের ইসলামবাগের জালাল আহমেদের ছেলে সালে আহমেদ শান্ত।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে কিছু তরুণ আমখোলা বাজারসংলগ্ন আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেয়। এরপর তারা একটি সেতুর ওপর দুটি টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’ লেখা একটি ব্যানার সামনে ধরে ২-৩ মিনিটের একটি বিক্ষোভ মিছিল করে এলাকা ত্যাগ করে।

মিছিলের দুই মিনিটের একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। ব্যানারে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এবং পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় উল্লেখ করে রুবেল গাজীর নাম রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বিক্ষোভ অংশ নেওয়া তরুণরা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় দেওয়া রুবেল গাজীর অনুসারী।

এ মিছিলের ভিডিও দেখে গলাচিপা থানা পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদের জানান, আমখোলা গলাচিপা উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন একটি এলাকা। তবে ছাত্রলীগের ব্যানারে বিক্ষোভ করা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগকে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

সড়কে আগুন জ্বালিয়ে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের বিক্ষোভ, গ্রেফতার ৩

আপডেট সময় ০৯:১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক: 

সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করায় নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের তিন কর্মীকে গ্রেফতার করেছে গলাচিপা থানা পুলিশ।

শনিবার (১৩ জুন) সন্ধ্যায় পটুয়াখালী-গলাচিপা আঞ্চলিক সড়কের আমখোলা বাজারসংলগ্ন এলাকায় এ কর্মসূচি পালন করা হয়। এ সময় তারা ২-৩ মিনিট সড়কে অবস্থান করে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে।

গ্রেফতাররা হলেন, উপজেলার আমখোলা ইউনিয়নের দরিবাহেরচর গ্রামের মুজিবুর রহমানের ছেলে মো. ইমরান হোসেন (১৯), একই ইউনিয়নের উত্তর আমখোলা গ্রামের গফুর খানের ছেলে জাহিদ খান ও গলাচিপা পৌর এলাকার ৬নং ওয়ার্ডের ইসলামবাগের জালাল আহমেদের ছেলে সালে আহমেদ শান্ত।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে কিছু তরুণ আমখোলা বাজারসংলগ্ন আঞ্চলিক সড়কে অবস্থান নেয়। এরপর তারা একটি সেতুর ওপর দুটি টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করে। এ সময় ‘পুলিশ হত্যার বিচার চাই’ লেখা একটি ব্যানার সামনে ধরে ২-৩ মিনিটের একটি বিক্ষোভ মিছিল করে এলাকা ত্যাগ করে।

মিছিলের দুই মিনিটের একটি ভিডিও পাওয়া গেছে। ব্যানারে বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও বরিশাল সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ এবং পটুয়াখালী জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় উল্লেখ করে রুবেল গাজীর নাম রয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, বিক্ষোভ অংশ নেওয়া তরুণরা সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ ও জেলা ছাত্রলীগের সংগঠন পরিচয় দেওয়া রুবেল গাজীর অনুসারী।

এ মিছিলের ভিডিও দেখে গলাচিপা থানা পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে।

গলাচিপা থানার ওসি মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদের জানান, আমখোলা গলাচিপা উপজেলা থেকে বিচ্ছিন্ন একটি এলাকা। তবে ছাত্রলীগের ব্যানারে বিক্ষোভ করা ব্যক্তিদের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এছাড়াও অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া চলছে।