ঢাকা ০৭:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আব্দুল খালেক নামে এক রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু আমতলী সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল খালেক কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ সি ব্লকের বাসিন্দা। তিনি মো. আনু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি জানায়, কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধীনস্থ রেজু আমতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার-৪০ সংলগ্ন এলাকা এবং আন্তর্জাতিক শূন্য লাইন থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাস্টার শাহ আলমের আকাশমনি বাগান পরিষ্কার করতে যাওয়ার পথে একটি স্থলমাইনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আব্দুল খালেক গুরুতর আহত হন। পরে তার সঙ্গে থাকা ছোট ভাই দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও অনেকে জীবিকার প্রয়োজনে বা অন্য কারণে নিষিদ্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেন। মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত জনগণকে সচেতন করতে বিজিবি নিয়মিত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এবং জীবন রক্ষার্থে সবাইকে নির্ধারিত নিরাপদ এলাকায় চলাচলের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় অতীতেও একাধিকবার মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় হতাহত হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ফলে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি দীর্ঘদিনের।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে রোহিঙ্গা যুবক নিহত

আপডেট সময় ০২:২৫:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৯ জুন ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:

বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তে মাইন বিস্ফোরণে আব্দুল খালেক নামে এক রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যু হয়েছে।

মঙ্গলবার (৯ জুন) সকাল ৯টার দিকে উপজেলার ঘুমধুম ইউনিয়নের রেজু আমতলী সীমান্ত এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত আব্দুল খালেক কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার কুতুপালং রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১ সি ব্লকের বাসিন্দা। তিনি মো. আনু মিয়ার ছেলে।

স্থানীয় সূত্র ও বিজিবি জানায়, কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধীনস্থ রেজু আমতলী বিওপির দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার-৪০ সংলগ্ন এলাকা এবং আন্তর্জাতিক শূন্য লাইন থেকে প্রায় আড়াই কিলোমিটার বাংলাদেশের অভ্যন্তরে মাস্টার শাহ আলমের আকাশমনি বাগান পরিষ্কার করতে যাওয়ার পথে একটি স্থলমাইনের বিস্ফোরণ ঘটে। এতে আব্দুল খালেক গুরুতর আহত হন। পরে তার সঙ্গে থাকা ছোট ভাই দ্রুত তাকে উদ্ধার করে উখিয়ার কুতুপালং এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কক্সবাজার ব্যাটালিয়নের (৩৪ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম খায়রুল আলম, পিবিজিএম, পিএসসি বলেন, সীমান্তবর্তী দুর্গম এলাকায় সাধারণ মানুষের চলাচল অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও অনেকে জীবিকার প্রয়োজনে বা অন্য কারণে নিষিদ্ধ ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় প্রবেশ করেন। মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় একজন রোহিঙ্গা যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি আমরা নিশ্চিত হয়েছি।

তিনি আরও বলেন, সীমান্ত এলাকায় বসবাসরত জনগণকে সচেতন করতে বিজিবি নিয়মিত প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। নিরাপত্তার স্বার্থে এবং জীবন রক্ষার্থে সবাইকে নির্ধারিত নিরাপদ এলাকায় চলাচলের আহ্বান জানানো হচ্ছে।

উল্লেখ্য, নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্তের বিভিন্ন এলাকায় অতীতেও একাধিকবার মাইন বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় হতাহত হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও রোহিঙ্গাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ। ফলে সীমান্ত এলাকায় নিরাপত্তা ও সচেতনতা বৃদ্ধির দাবি দীর্ঘদিনের।