ঢাকা ০১:১৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৩ জুন ২০২৬, ১৯ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি রামিসা হত্যা মামলার বিচার দ্রুত সম্পন্ন হবে আশা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ছাত্রশিবিরকে তরুণ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখতে হবে: ডা. শফিকুর রহমান সন্তানেরা যুগ্মসচিব-বুয়েট শিক্ষক, তবুও একা ঘরে মরতে হলো বৃদ্ধ মাকে ‘ইরান সরকারের ভিত্তি নড়ে গেছে, এটি ভেঙে পড়তে বাধ্য’ খলিলুর রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত ঈদের দিন স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, স্বামী আটক হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত ৮৭৭ বর্তমান সরকার সব মানুষের ধর্মের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী: মঈন খান জাতীয় ঐক্য ও দেশ গড়ার প্রত্যয়ে কাজ করছে সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

খুলনায় স্ত্রী হত্যায় দায়ে ফাঁসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা শহরের দৌলতপুর এলাকায় স্ত্রী হত্যার দায়ে একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। খুলনার মহানগর দায়রা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী সোমবার পৌনে দুই বছর আগের এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মনির হাওলাদার (৩৫) রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। মনির দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা মুন্সিপাড়া এলাকার মুজিবর হাওলাদারের ছেলে।

এপিপি মো. কামরুল ইসলাম জোয়ার্দার মামলার বরাতে বলেন, ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী রহিমা বেগমকে (২৪) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী মনির হাওলাদার। “হত্যার পর তিনি তালাবদ্ধ করে চলে গেলেও পরদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।”

আদালতের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এপিপি কামরুল বলেন, সেদিনই নিহতের বাবা মো. আব্দুল ওহাব মিয়া হত্যামামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার এসআই বাবলুর রহমান খান ২০১৬ সালের ১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

এ মামলায় আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় ঘোষণা করে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

‘বাংলাদেশে একটা বড় খুন হয়েছিল, কাকে দিয়ে করিয়েছিলেন সবটাই জানি’:মমতা ব্যানার্জি

খুলনায় স্ত্রী হত্যায় দায়ে ফাঁসি

আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা শহরের দৌলতপুর এলাকায় স্ত্রী হত্যার দায়ে একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। খুলনার মহানগর দায়রা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী সোমবার পৌনে দুই বছর আগের এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মনির হাওলাদার (৩৫) রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। মনির দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা মুন্সিপাড়া এলাকার মুজিবর হাওলাদারের ছেলে।

এপিপি মো. কামরুল ইসলাম জোয়ার্দার মামলার বরাতে বলেন, ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী রহিমা বেগমকে (২৪) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী মনির হাওলাদার। “হত্যার পর তিনি তালাবদ্ধ করে চলে গেলেও পরদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।”

আদালতের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এপিপি কামরুল বলেন, সেদিনই নিহতের বাবা মো. আব্দুল ওহাব মিয়া হত্যামামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার এসআই বাবলুর রহমান খান ২০১৬ সালের ১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

এ মামলায় আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় ঘোষণা করে বলে তিনি জানান।