ঢাকা ০৯:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
দেশের ভবিষ্যত গড়ার জন্য গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয় নিশ্চিত করতে হবে : চরমোনাই পীর ব্যালটবাক্স ভরে কোনো নির্দিষ্ট প্রতীকের জয়ের সুযোগ নেই: রুমিন ফারহানা এইচএসসি পাসে নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ , রোগী দেখেন দুই জেলায় পটুয়াখালীতে দুই বান্ধবীকে ধর্ষণের ঘটনায় গ্রেফতার ধর্ষকের মা সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে জরুরি নির্দেশনা শিশু পানিতে পড়লেই বাজবে সাইরেন, কল যাবে ফোনে,দাবি ভোলার তরুণ উদ্ভাবকএর আমেরিকার উস্কানিতে ইরানে বিক্ষোভ : মাসুদ পেজেশকিয়ান আমার মনোনয়ন বাতিল করার কোনো কারণ ছিল না: মাহমুদুর রহমান মান্না ব্রিটিশ সরকারকে ‘ফ্যাসিস্ট’ আখ্যা দিলেন ইলন মাস্ক ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপোড়েনে বাণিজ্যে প্রভাব পড়বে না : শেখ বশিরউদ্দীন

খুলনায় স্ত্রী হত্যায় দায়ে ফাঁসি

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা শহরের দৌলতপুর এলাকায় স্ত্রী হত্যার দায়ে একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। খুলনার মহানগর দায়রা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী সোমবার পৌনে দুই বছর আগের এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মনির হাওলাদার (৩৫) রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। মনির দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা মুন্সিপাড়া এলাকার মুজিবর হাওলাদারের ছেলে।

এপিপি মো. কামরুল ইসলাম জোয়ার্দার মামলার বরাতে বলেন, ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী রহিমা বেগমকে (২৪) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী মনির হাওলাদার। “হত্যার পর তিনি তালাবদ্ধ করে চলে গেলেও পরদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।”

আদালতের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এপিপি কামরুল বলেন, সেদিনই নিহতের বাবা মো. আব্দুল ওহাব মিয়া হত্যামামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার এসআই বাবলুর রহমান খান ২০১৬ সালের ১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

এ মামলায় আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় ঘোষণা করে বলে তিনি জানান।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

কী কারণে ভাঙছে তাহসান-রোজার সংসার

খুলনায় স্ত্রী হত্যায় দায়ে ফাঁসি

আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

খুলনা শহরের দৌলতপুর এলাকায় স্ত্রী হত্যার দায়ে একজনকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছে আদালত। খুলনার মহানগর দায়রা জজ অরূপ কুমার গোস্বামী সোমবার পৌনে দুই বছর আগের এ মামলার রায় ঘোষণা করেন। সাজাপ্রাপ্ত মনির হাওলাদার (৩৫) রায় ঘোষণার সময় আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন। মনির দৌলতপুরের মহেশ্বরপাশা মুন্সিপাড়া এলাকার মুজিবর হাওলাদারের ছেলে।

এপিপি মো. কামরুল ইসলাম জোয়ার্দার মামলার বরাতে বলেন, ২০১৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি পারিবারিক কলহের জেরে স্ত্রী রহিমা বেগমকে (২৪) শ্বাসরোধ করে হত্যা করেন তার স্বামী মনির হাওলাদার। “হত্যার পর তিনি তালাবদ্ধ করে চলে গেলেও পরদিন মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. আমিরুল ইসলামের আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।”

আদালতের নির্দেশে পুলিশ গিয়ে তালা ভেঙে লাশ উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায়।

এপিপি কামরুল বলেন, সেদিনই নিহতের বাবা মো. আব্দুল ওহাব মিয়া হত্যামামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দৌলতপুর থানার এসআই বাবলুর রহমান খান ২০১৬ সালের ১ মে আদালতে অভিযোগপত্র দেন।

এ মামলায় আদালত ১৩ জনের সাক্ষ্য নিয়ে রায় ঘোষণা করে বলে তিনি জানান।