ঢাকা ০৫:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
প্রকাশ হলো এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল উদ্ধার হলো সাবেক বিমান বাহিনী কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি জাপানি বিনিয়োগের জন্য পাঁচ খাত চিহ্নিত করলেন প্রধানমন্ত্রী ড্যাবের বিরুদ্ধে: কার্যালয়ে ঢুকে আইইডিসিআরের পরিচালককে মারধরের দেশে হাম ও উপসর্গে আরও সাত শিশুর মৃত্যু পায়রা বন্দরে গমের সাইলো নির্মাণে রাশিয়াকে প্রস্তাব খাদ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রীর পরিকল্পনা ভেস্তে দিতে ষড়যন্ত্র করছে গুপ্তরা: ডিএনসিসি প্রশাসক ডেঙ্গুতে একদিনে ১১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত দুই হাজার ছাড়াল ক্রসফায়ার নিয়ে আইজিপির মন্তব্যে টিআইবি ও অধিকারের উদ্বেগ রূপপুরের জ্বালানি নিয়ে ঢাকায় পৌঁছাল রাশিয়ার কার্গো বিমান

মার্চের ২৮ দিনে এলো ৩৩৩ কোটি ডলারের বেশি

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি মার্চ মাসের ২৮ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। তিন দিন বাকি থাকতেই আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে। এর আগে কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার এসেছিল গতবছরের মার্চে। এ নিয়ে টানা চার মাস ৩ বিলিয়নের বেশি করে রেমিট্যান্স এসেছে।

চলতি বছরের মার্চসহ এখন পর্যন্ত পাঁচ মাস তিন বিলিয়নের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে গত ডিসেম্বর থেকে টানা চার মাস তিন বিলিয়ন ডলারের ঘর পেরিয়েছে। গত ডিসেম্বরে প্রবাসীরা ৩২২ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। পরের মাস জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি এবং গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৩০২ কোটি ডলার দেশে পাঠান। এর আগে গত বছরের মার্চে এসেছিলো ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।

ব্যাংকাররা জানান, রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে এমনিতেই রেমিট্যান্স বেশি আসে। এর মধ্যে ইসরায়েল–ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সঙ্কট চলছে। এতে করে আতঙ্কে অনেকেই জমানো অর্থ পাঠিয়ে থাকতে পারেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিলো ২ হাজার ১৭০ কোটি ডলার। এ সময়ে বেড়েছে ৪০৯ কোটি ডলার যা ১৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তার ওপর এই প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্বস্তি দিচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পরও ডলার বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ব্যাংকগুলোর কাছে এখন উদ্বৃত্ত ডলার রয়েছে। এর ফলে ডলারের দরে তেমন হেরফের নেই। যুদ্ধ শুরুর পর সামান্য বেড়ে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে যা ১২২ টাকা ৩০ থেকে ৫০ পয়সার মধ্যে উঠানামা করছে।

রেমিট্যান্স উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতি হয়েছে। রোববার দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ অনুযায়ী, ২৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। গত ৯ মার্চ আকুতে ১৩৭ কোটি ডলার পরিশোধের আগে রিজার্ভ উঠেছিল ৩৫ দশমিক ৪৯ ও ৩০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। সেখান থেকে কমে আওয়ামী লীগ পতনের সময় বিমিএম৬ অনুযায়ী, ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। আর গ্রস রিজার্ভ নেমে যায় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

পাকিস্তানে এমবিবিএস ও বিডিএস পড়ার সুযোগ পাচ্ছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা

মার্চের ২৮ দিনে এলো ৩৩৩ কোটি ডলারের বেশি

আপডেট সময় ০৮:২২:১৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৯ মার্চ ২০২৬

আকাশ জাতীয় ডেস্ক:  

চলতি মার্চ মাসের ২৮ দিনে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ৩৩৩ কোটি ২০ লাখ ডলার সমপরিমাণ অর্থ দেশে পাঠিয়েছেন। তিন দিন বাকি থাকতেই আগের সব রেকর্ড ভেঙেছে। এর আগে কোনো এক মাসে সর্বোচ্চ প্রায় ৩৩০ কোটি ডলার এসেছিল গতবছরের মার্চে। এ নিয়ে টানা চার মাস ৩ বিলিয়নের বেশি করে রেমিট্যান্স এসেছে।

চলতি বছরের মার্চসহ এখন পর্যন্ত পাঁচ মাস তিন বিলিয়নের বেশি রেমিট্যান্স এসেছে। এর মধ্যে গত ডিসেম্বর থেকে টানা চার মাস তিন বিলিয়ন ডলারের ঘর পেরিয়েছে। গত ডিসেম্বরে প্রবাসীরা ৩২২ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছিলেন। পরের মাস জানুয়ারিতে ৩১৭ কোটি এবং গত ফেব্রুয়ারি মাসে ৩০২ কোটি ডলার দেশে পাঠান। এর আগে গত বছরের মার্চে এসেছিলো ৩২৯ কোটি ৫৬ লাখ ডলার।

ব্যাংকাররা জানান, রমজান ও ঈদকে কেন্দ্র করে এমনিতেই রেমিট্যান্স বেশি আসে। এর মধ্যে ইসরায়েল–ইরান যুদ্ধের প্রভাবে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে সঙ্কট চলছে। এতে করে আতঙ্কে অনেকেই জমানো অর্থ পাঠিয়ে থাকতে পারেন।

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, সব মিলিয়ে চলতি অর্থবছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত রেমিট্যান্স এসেছে ২ হাজার ৫৭৮ কোটি ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এসেছিলো ২ হাজার ১৭০ কোটি ডলার। এ সময়ে বেড়েছে ৪০৯ কোটি ডলার যা ১৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। গত অর্থবছর রেমিট্যান্স বেড়েছিল ২৬ দশমিক ৮৩ শতাংশ। তার ওপর এই প্রবৃদ্ধি বৈদেশিক মুদ্রাবাজারে স্বস্তি দিচ্ছে। যুদ্ধ শুরুর পরও ডলার বাজার স্থিতিশীল রয়েছে। ব্যাংকগুলোর কাছে এখন উদ্বৃত্ত ডলার রয়েছে। এর ফলে ডলারের দরে তেমন হেরফের নেই। যুদ্ধ শুরুর পর সামান্য বেড়ে ১২২ টাকা ৭৫ পয়সায় উঠেছে। দীর্ঘদিন ধরে যা ১২২ টাকা ৩০ থেকে ৫০ পয়সার মধ্যে উঠানামা করছে।

রেমিট্যান্স উচ্চ প্রবৃদ্ধির ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের উন্নতি হয়েছে। রোববার দিন শেষে গ্রস রিজার্ভ দাঁড়িয়েছে ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ অনুযায়ী, ২৯ দশমিক ৩০ বিলিয়ন ডলার। গত ৯ মার্চ আকুতে ১৩৭ কোটি ডলার পরিশোধের আগে রিজার্ভ উঠেছিল ৩৫ দশমিক ৪৯ ও ৩০ দশমিক ৭৬ বিলিয়ন ডলার। দেশের ইতিহাসে রিজার্ভ সর্বোচ্চ ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ঘর অতিক্রম করে ২০২১ সালের আগস্টে। সেখান থেকে কমে আওয়ামী লীগ পতনের সময় বিমিএম৬ অনুযায়ী, ২০ দশমিক ৪৮ বিলিয়ন ডলারে নেমেছিল। আর গ্রস রিজার্ভ নেমে যায় ২৫ দশমিক ৯২ বিলিয়ন ডলারে।