ঢাকা ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

বিশ্ব অর্থনীতিতে অসমতা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্দে গত সপ্তাহে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে আলোচনা করছিলেন। তাঁর কাছে কিছু সুসংবাদ ছিল। যেমন বিশ্বের প্রায় ৭৫ শতাংশ দেশেই অর্থনীতি ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। তাহলে তাঁর বক্তব্যের শিরোনাম কেন ছিল ‘এ টাইম টু রিপেয়ার দ্য রুপ’? এর একটি কারণ হচ্ছে আইএমএফ সবাইকে নিয়েই চিন্তা করে। শুধু তাদের নিয়ে নয়, যারা ভালো করছে। বরং বিশ্বের ৭৫ শতাংশ অর্থনীতি যদি প্রবৃদ্ধি করে তার মানে ২৫ শতাংশ বা তারও বেশি প্রবৃদ্ধি করছে না। আইএমএফের উদ্বেগ সেখানেই। এর মধ্যে বেশ কিছু দেশ রয়েছে আফ্রিকার। যদিও সেখানে নাইজেরিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বড় দুই অর্থনৈতিক দেশ রয়েছে। এ দুটি দেশ মাত্র মন্দা থেকে বেরিয়ে এসেছে, এখনো টলমলভাবে হাঁটছে। আইএমএফের ২০১৭ সালের পূর্বাভাসে দেখা যায়, সাব-সাহারা আফ্রিকার প্রবৃদ্ধি হবে ২.৬ শতাংশ।
যেখানে ১৯৯৯-২০০৮ সময়ে বিশ্বের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৫.৬ শতাংশ।

লাগার্দে বলেন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এখনো চলছে। অনেক দেশ খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে আবার গত বছর ৪৭ দেশই মাথাপিছু জিডিপিতে নেতিবাচক ছিল। আর এ কারণেই লাগার্দে মনে করেন অর্থনৈতিক অসাম্য বিরাজ করছে। তিনি বলেন, চীন, ব্রাজিল এবং ভারতের মতো দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক যে ব্যবধান রয়েছে তা কমে আসছে। কিন্তু এ দেশগুলোর ভেতরে যে ব্যবধান রয়েছে তা অনেকটাই থেকে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়া, ব্রিটেনের ইইউ ত্যাগ এবং জার্মানিতে ডানপন্থীদের উত্থান এ সবই অর্থনৈতিক অনাস্থা থেকেই তৈরি হয়েছে। লাগার্দে মনে করেন এ অবস্থায় ধনী দেশগুলোর অনেক করণীয় রয়েছে। ধনী দেশগুলোকে অনেক বেশি ব্যয় করতে হবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে আরো স্পষ্টভাবে যোগাযোগ করতে হবে এবং সরকারি ঋণ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

বিশ্ব অর্থনীতিতে অসমতা বৃদ্ধিতে উদ্বেগ

আপডেট সময় ০৪:২৭:১৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রধান ক্রিস্টিন লাগার্দে গত সপ্তাহে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটিতে আলোচনা করছিলেন। তাঁর কাছে কিছু সুসংবাদ ছিল। যেমন বিশ্বের প্রায় ৭৫ শতাংশ দেশেই অর্থনীতি ঊর্ধ্বমুখী রয়েছে। তাহলে তাঁর বক্তব্যের শিরোনাম কেন ছিল ‘এ টাইম টু রিপেয়ার দ্য রুপ’? এর একটি কারণ হচ্ছে আইএমএফ সবাইকে নিয়েই চিন্তা করে। শুধু তাদের নিয়ে নয়, যারা ভালো করছে। বরং বিশ্বের ৭৫ শতাংশ অর্থনীতি যদি প্রবৃদ্ধি করে তার মানে ২৫ শতাংশ বা তারও বেশি প্রবৃদ্ধি করছে না। আইএমএফের উদ্বেগ সেখানেই। এর মধ্যে বেশ কিছু দেশ রয়েছে আফ্রিকার। যদিও সেখানে নাইজেরিয়া এবং দক্ষিণ আফ্রিকার মতো বড় দুই অর্থনৈতিক দেশ রয়েছে। এ দুটি দেশ মাত্র মন্দা থেকে বেরিয়ে এসেছে, এখনো টলমলভাবে হাঁটছে। আইএমএফের ২০১৭ সালের পূর্বাভাসে দেখা যায়, সাব-সাহারা আফ্রিকার প্রবৃদ্ধি হবে ২.৬ শতাংশ।
যেখানে ১৯৯৯-২০০৮ সময়ে বিশ্বের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৫.৬ শতাংশ।

লাগার্দে বলেন, অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এখনো চলছে। অনেক দেশ খুব ধীরগতিতে এগোচ্ছে আবার গত বছর ৪৭ দেশই মাথাপিছু জিডিপিতে নেতিবাচক ছিল। আর এ কারণেই লাগার্দে মনে করেন অর্থনৈতিক অসাম্য বিরাজ করছে। তিনি বলেন, চীন, ব্রাজিল এবং ভারতের মতো দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক যে ব্যবধান রয়েছে তা কমে আসছে। কিন্তু এ দেশগুলোর ভেতরে যে ব্যবধান রয়েছে তা অনেকটাই থেকে যাচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রেসিডেন্ট হওয়া, ব্রিটেনের ইইউ ত্যাগ এবং জার্মানিতে ডানপন্থীদের উত্থান এ সবই অর্থনৈতিক অনাস্থা থেকেই তৈরি হয়েছে। লাগার্দে মনে করেন এ অবস্থায় ধনী দেশগুলোর অনেক করণীয় রয়েছে। ধনী দেশগুলোকে অনেক বেশি ব্যয় করতে হবে এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকগুলোকে আরো স্পষ্টভাবে যোগাযোগ করতে হবে এবং সরকারি ঋণ নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে।