ঢাকা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
আপিল শুনানিতে কোনো ধরনের পক্ষপাত করিনি : সিইসি নির্বাচনে অংশ নেবে কিনা ভাববে এনসিপি : আসিফ মাহমুদ প্রশাসন ধীরে ধীরে একটি রাজনৈতিক দলের দিকে ঝুঁকে পড়ছে : আব্দুল্লাহ মো. তাহের একটি রাজনৈতিক দল বিভিন্ন এলাকা থেকে ভোটারদের ঢাকায় স্থানান্তর করে আনছে: ফখরুলের অভিযোগ নরসিংদীতে দুই ব্যবসায়ীর ঝগড়ায় একজনের মৃত্যু, অভিযুক্তর বাড়িতে ভাঙচুর-আগুন ৭ কলেজ নিয়ে ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি’ অধ্যাদেশ চূড়ান্ত আমি এসেছি শুধু শুনতে, শিখতে এবং একসঙ্গে কাজ করার মনোভাব নিয়ে এগিয়ে যেতে: জাইমা রহমান চাকরির ক্ষেত্রে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি হয়েছে কিনা তা দেখা উচিত : আমীর খসরু ওসমানী হাসপাতাল ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার যুক্তরাষ্ট্রেকেও খেসারত দিতে হবে, ফরাসি কৃষিমন্ত্রীর হুঁশিয়ারি

মুক্তামনির হাতে চামড়া লাগাতে অস্ত্রোপচার শুরু

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কয়েক দফা অস্ত্রোপচারের পর বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনির হাতে চামড়া লাগাতে আবার অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের দ্বিতীয় তলায় অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয় মুক্তামনিকে। সেখানে সকাল পৌনে ১০টায় শুরু হয় অস্ত্রোপচার।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন জানান, ৮ অক্টোবর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মুক্তামনির হাত নতুন চামড়া লাগানোর জন্য উপযুক্ত করা হয়েছিল। আজ তার পা থেকে চামড়া সংগ্রহ করে হাতে লাগানো শুরু হবে।

এর আগে চিকিৎসকদের নির্দেশে মুক্তামনির অস্ত্রোপচারের জন্য চার ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করেন তার বাবা। মেয়ের সফল অস্ত্রোপচারের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি। গত ১২ আগস্ট মুক্তামনির প্রথম অস্ত্রোপচার করা হয়। এর পর ২৯ আগস্ট ফের মুক্তামনির অস্ত্রোপচার হয়। তবে সেদিন শরীরের তাপ বেড়ে যাওয়ায় ২০ ভাগ অস্ত্রোপচারের পর তা স্থগিত করা হয়েছিল। পরে ৫ সেপ্টেম্বর বাকি অস্ত্রোপচার হয়।

মুক্তামনির বয়স যখন দেড় বছর, তখন ডান হাতে একটি টিউমারের মতো হয়। পরে তা ফুলে যেতে থাকে। পুরো ডান হাতটি ফুলে বালিশের মতো হয়ে যায়। ওই হাত থেকে দুর্গন্ধও বের হতে থাকে। রোগটি তার বুক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।

গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হলে মুক্তামনির বিষয়টি সবার নজরে আসে। গত ১১ জুলাই মুক্তামনিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার জন্য গঠিত আট সদস্যের মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, মুক্তামনি একটি বিরল রোগে আক্রান্ত। এ রোগটির নাম ‘হাইপারকেরাটোসিস’।

মুক্তামনির কাগজপত্র সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মুক্তামনির অসুখ আরোগ্যযোগ্য নয়। তবে ঢামেকের চিকিৎসকরা রোগ সারাতে সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তামনির হাতে চামড়া লাগাতে অস্ত্রোপচার শুরু

আপডেট সময় ১২:৩৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ অক্টোবর ২০১৭

অাকাশ জাতীয় ডেস্ক:

কয়েক দফা অস্ত্রোপচারের পর বিরল রোগে আক্রান্ত সাতক্ষীরার শিশু মুক্তামনির হাতে চামড়া লাগাতে আবার অস্ত্রোপচার শুরু হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ৮টা ৪০ মিনিটে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের দ্বিতীয় তলায় অস্ত্রোপচার কক্ষে নেওয়া হয় মুক্তামনিকে। সেখানে সকাল পৌনে ১০টায় শুরু হয় অস্ত্রোপচার।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের সমন্বয়ক ডা. সামন্তলাল সেন জানান, ৮ অক্টোবর অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মুক্তামনির হাত নতুন চামড়া লাগানোর জন্য উপযুক্ত করা হয়েছিল। আজ তার পা থেকে চামড়া সংগ্রহ করে হাতে লাগানো শুরু হবে।

এর আগে চিকিৎসকদের নির্দেশে মুক্তামনির অস্ত্রোপচারের জন্য চার ব্যাগ রক্ত সংগ্রহ করেন তার বাবা। মেয়ের সফল অস্ত্রোপচারের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি। গত ১২ আগস্ট মুক্তামনির প্রথম অস্ত্রোপচার করা হয়। এর পর ২৯ আগস্ট ফের মুক্তামনির অস্ত্রোপচার হয়। তবে সেদিন শরীরের তাপ বেড়ে যাওয়ায় ২০ ভাগ অস্ত্রোপচারের পর তা স্থগিত করা হয়েছিল। পরে ৫ সেপ্টেম্বর বাকি অস্ত্রোপচার হয়।

মুক্তামনির বয়স যখন দেড় বছর, তখন ডান হাতে একটি টিউমারের মতো হয়। পরে তা ফুলে যেতে থাকে। পুরো ডান হাতটি ফুলে বালিশের মতো হয়ে যায়। ওই হাত থেকে দুর্গন্ধও বের হতে থাকে। রোগটি তার বুক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে।

গণমাধ্যমে এ খবর প্রকাশিত হলে মুক্তামনির বিষয়টি সবার নজরে আসে। গত ১১ জুলাই মুক্তামনিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার জন্য গঠিত আট সদস্যের মেডিকেল বোর্ড জানিয়েছে, মুক্তামনি একটি বিরল রোগে আক্রান্ত। এ রোগটির নাম ‘হাইপারকেরাটোসিস’।

মুক্তামনির কাগজপত্র সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। তবে ওই হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, মুক্তামনির অসুখ আরোগ্যযোগ্য নয়। তবে ঢামেকের চিকিৎসকরা রোগ সারাতে সাধ্যমতো চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।