ঢাকা ০৫:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
সচিবালয়, গ্যাস-বিদ্যুত অফিসে অবস্থান ৬ আগস্ট, আগামী মাসে লংমার্চ নতুন দলের আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে যারা ইরানের সামনে এখন কেবল দুই পথ—চুক্তি অথবা আত্মসমর্পণ: ট্রাম্প পাঁচ দফা দাবিতে সরকারি কর্মচারীদের অবস্থান কর্মসূচি সরকার দমনে ব্যস্ত, দ্রব্যমূল্য-গ্যাস নিয়ে মাথাব্যথা নেই: গোলাম পরওয়ার দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্কের নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে আশা বাণিজ্যমন্ত্রীর সম্পত্তি দানের পরও আজীবন ভোগদখলের সুযোগ, মন্ত্রিসভায় খসড়া পাশ শেখ হাসিনা যেন রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারেন, ভারতীয় হাইকমিশনারকে হুমায়ুন কবির রাষ্ট্র পরিচালনায় ‘নতুন মাত্রা’ যোগ করেছেন তারেক রহমান: চীনা রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার

যে ফ্লাটে ভাড়া দিতে হয় না, উল্টো বাড়িওয়ালা দেয় লাখ টাকা

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

সাধারণত কোনো বহুতল ভবন বা ফ্ল্যাটে থাকতে গেলে ভাড়া দিতে হয়। কিন্তু মুম্বাইয়ের ‘জলি মেকার’ নামে একটি বহুতল ভবনে থাকলেই ভাড়া দিতে হয় না, উল্টো বাড়িওয়ালা ফ্ল্যাট মালিকদের প্রতি মাসে লাখ টাকা দেন।

এই অদ্ভুত ঘটনার পেছনে রয়েছে ১৯৭০ সালের একটি ব্যবসায়িক চুক্তি। তখন ‘জলি মেকার’ নির্মাতা ফ্ল্যাট বিক্রি করার সময় ক্রেতাদের একটি প্রস্তাব দেন। তিনি চাইলেন, ক্রেতারা নরিমান পয়েন্টে নির্মাণাধীন তার অন্য একটি ভবনে বিনিয়োগ করুন।

ফলে জলি মেকারের ফ্ল্যাটের দাম থেকে ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত টাকা ক্রেতারা নরিমান পয়েন্টে বিনিয়োগ করেন। বর্তমানে সেই ভবন প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা ভাড়া দেয়। সেই আয় থেকে জলি মেকারের রক্ষণাবেক্ষণ ও ফ্ল্যাট মালিকদের মাসিক টাকা দেওয়া হয়।

ফলস্বরূপ, জলি মেকার ফ্ল্যাটের মালিকদের কোনো রক্ষণাবেক্ষণ খরচ দিতে হয় না। উল্টো তারা প্রতি মাসে ৩ লাখেরও বেশি টাকা উপার্জন করেন।

Tag :
আপলোডকারীর তথ্য

প্রেক্ষাপট: দুই দিনের সফরে আগামীকাল ঠাকুরগাঁও যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি

যে ফ্লাটে ভাড়া দিতে হয় না, উল্টো বাড়িওয়ালা দেয় লাখ টাকা

আপডেট সময় ১১:১৬:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আকাশ নিউজ ডেস্ক :

সাধারণত কোনো বহুতল ভবন বা ফ্ল্যাটে থাকতে গেলে ভাড়া দিতে হয়। কিন্তু মুম্বাইয়ের ‘জলি মেকার’ নামে একটি বহুতল ভবনে থাকলেই ভাড়া দিতে হয় না, উল্টো বাড়িওয়ালা ফ্ল্যাট মালিকদের প্রতি মাসে লাখ টাকা দেন।

এই অদ্ভুত ঘটনার পেছনে রয়েছে ১৯৭০ সালের একটি ব্যবসায়িক চুক্তি। তখন ‘জলি মেকার’ নির্মাতা ফ্ল্যাট বিক্রি করার সময় ক্রেতাদের একটি প্রস্তাব দেন। তিনি চাইলেন, ক্রেতারা নরিমান পয়েন্টে নির্মাণাধীন তার অন্য একটি ভবনে বিনিয়োগ করুন।

ফলে জলি মেকারের ফ্ল্যাটের দাম থেকে ৪০ শতাংশ অতিরিক্ত টাকা ক্রেতারা নরিমান পয়েন্টে বিনিয়োগ করেন। বর্তমানে সেই ভবন প্রতি মাসে ৫০ লাখ টাকা ভাড়া দেয়। সেই আয় থেকে জলি মেকারের রক্ষণাবেক্ষণ ও ফ্ল্যাট মালিকদের মাসিক টাকা দেওয়া হয়।

ফলস্বরূপ, জলি মেকার ফ্ল্যাটের মালিকদের কোনো রক্ষণাবেক্ষণ খরচ দিতে হয় না। উল্টো তারা প্রতি মাসে ৩ লাখেরও বেশি টাকা উপার্জন করেন।