অাকাশ নিউজ ডেস্ক:
পুজোর মরসুম শেষ হতে না হতেই শুরু হয়ে গিয়েছে বিয়ের মরসুম। উপহার হিসেবে শাড়ি, গয়নার পাশাপাশি চাহিদা বাড়ছে সেক্স টয়-এর। অনলাইনে এইসমস্ত সেক্স টয় বিপুল পরিমাণে বিক্রি হচ্ছে। সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, এর মধ্যে ৬৫ শতাংশ অর্ডার আসছে গুজরাতের ছোট শহরগুলি থেকে। আমেদাবাদে সবচেয়ে বেশি উপভোক্তা অ্যাডাল্ট টয় কিনতে উৎসাহী। এছাড়াও ভুজ, আনন্দ, ভাপি, আঙ্কলেশ্বরও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত। অনলাইন পোর্টালগুলির অনুমান, নভেম্বর এবং ফেব্রুয়ারি মাসে এই বিক্রি আরও বাড়তে পারে।
শাহিবাগের ফরেন পোস্ট অফিস(এফপিও)-এর দেওয়া সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, নানা ধরনর সেক্স টয়, সেক্স গেমস প্রভৃতি বিদেশ থেকে নিয়ে এসে এদেশের ছোট শহরগুলিতে পাঠানো হচ্ছে। thatspersonal.com নামক একটি ওয়েবসাইটের সিইও জানিয়েছেন, বিয়ের মরসুমে গড়ে অর্ডার প্রতি মূল্য হয় সাড়ে চার হাজার টাকার মতো। শুধু তাই নয়, প্রতিটি অর্ডারই বিশেষ উপহারের মোড়কে সাজিয়ে দেওয়ারও অনুরোধ থাকে। বিশেষত ডিসেম্বর-জানুয়ারি মাসে এই অর্ডারের পরিমাণ প্রায় তিনগুণ বেড়ে যায়।
বিদেশের যে আইনগুলি অবিলম্বে ভারতেও চালু হওয়া উচিত
কুমারিত্ব সম্পর্কে কয়েকটি ভুল তথ্য, যা এখনও দিব্যি সচল…
তবে শুধুমাত্র বিয়ের মরসুমেই নয়, নবরাত্রি, ক্রিসমাস, নিউ ইয়ার উইক, ভ্যালেন্টাইন্স ডে-তে এর চাহিদা আরও বেড়ে যায়। সেক্স টয়ের পাশাপাশি ওরাল কনট্রাসেপ্টিভ এবং কন্ডোমের চাহিদাও থাকে খুব বেশি। তবে বলাই বাহুল্য যে, এর মধ্যে বেশিরভাগ ক্রেতাই তরুণ প্রজন্মের। সেক্স টয় ছাড়া এঁদের চাহিদার মধ্যে রয়েছে উইমেন অ্যারাউজাল ওয়েল, ইরোটিক লজঁরি, অ্যাডাল্ট গেম, ডিলে জেল এবং এডিবল্ বডি পেন্ট। এর সঙ্গে পেনিস পাম্প-এর চাহিদা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে।
আকাশ নিউজ ডেস্ক 

























